ঢাকা ০৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বাগমারায় এলজিইডির কাজে নিম্নমানের অভিযোগ, তথ্য দিতে অনীহা প্রকৌশলীর Logo কক্সবাজারে মায়ের সঙ্গে কারাগারে ছয় বছরের শিশু Logo নেছারাবাদে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযান Logo গোপালগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান, মাদকসহ আটক ১ Logo ঘাটাইলে প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দূর্নীতির অভিযোগ Logo সুন্দরবন থেকে দেড় বছরে ৬১ দস্যুকে অস্ত্রসহ আটক করেছে কোস্টগার্ড Logo মনোনয়ন কিনতে গিয়ে লাঞ্ছিত প্রার্থীরা Logo পলিক্রস পেঁয়াজে কৃষকের নতুন স্বপ্ন, বদলাচ্ছে আয়ের হিসাব Logo ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দোষীদের গ্রেপ্তার দাবি Logo লাইসেন্স নেই, অধিক মূল্যে জ্বালানি বিক্রি করায় জরিমানা

বাংলাদেশি জলসীমা থেকে মাছ শিকারের অপরাধে ১৪ ভারতীয় জেলে আটক

মনির হোসেন, মোংলা
  • আপডেট সময় : ১৮৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশি জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকার করার অপরাধে ১৪ জেলেসহ “এফবি শুভযাত্রা” নামের একটি ভারতীয় ফিশিং ট্রলার আটক করেছে নৌবাহিনী।
১৭ অক্টোবর রাতে ট্রলারসহ জেলেদের আটক করার পর গতকাল শনিবার বিকালে তাদের মোংলা নৌ ঘাটিঁতে আনা হলে সেখানে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে রাত সাড়ে ৮টায় জেলেদের মোংলা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে নৌবাহিনী।
আটক ভারতীয় জেলেরা হলেন- চন্দ্র দাস, আনন্দ দাস, সদানন্দ দাস, শেখর দাস, সুভাষ দাস, মনি শংকর শিকদার, বিপুল দাস, গৌরঙ্গ দাস, মৃত্যুঞ্জয় দাস, গৌরাঙ্গ হালদার, গৌতম দাস, বিশ্বজিৎ দাস, সুজন বিশ্বাস ও বিজয় দাস। তাদের সবার বাড়ি কোলকাতার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় বলে জানা গেছে।
মোংলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, মোংলা বন্দরের অদূরে বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে শুক্রবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে ‘এফ,বি শুভযাত্রা’ নামক একটি ভারতীয় ফিসিং ট্রলার আটক করে সমুদ্রসীমায় টহলরত নৌবাহিনীর জাহাজ বানৌজা শহীদ আক্তার উদ্দিন। ট্রলারটিতে ১৪ জন ভারতীয় জেলে রয়েছে।
তারা বাংলাদেশ জলসীমায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকার করছিল। তাদের বাড়ি ভারতের দক্ষিণ-চব্বিশ পরগোনা জেলার কাকদ্বীপ এলাকায়। আটক ট্রলারটিকে ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় মোংলায় নিয়ে আসে নৌবাহিনীর অপর জাহাজ বানৌজা বিষখালী।
মোংলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান বলেন, ভারতীয় জেলেদের বিরুদ্ধে সমুদ্রসীমা লঙ্গন ও মৎস্য সম্পদ লুটের অভিযোগে মামলা দায়েরের পর রোববার সকালে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হবে।
ভারতীয় ট্রলারে থাকা ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৫৫০ কেজি মাছ রাতে মোংলার ফেরিঘাটে এনে উম্মুক্ত নিলামে বিক্রি করা হবে। মাছ বিক্রির এ অর্থ সরকারের রাজস্বে জমা হবে বলে জানান উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো.জাহিদুর রহমান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বাংলাদেশি জলসীমা থেকে মাছ শিকারের অপরাধে ১৪ ভারতীয় জেলে আটক

আপডেট সময় :

বাংলাদেশি জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকার করার অপরাধে ১৪ জেলেসহ “এফবি শুভযাত্রা” নামের একটি ভারতীয় ফিশিং ট্রলার আটক করেছে নৌবাহিনী।
১৭ অক্টোবর রাতে ট্রলারসহ জেলেদের আটক করার পর গতকাল শনিবার বিকালে তাদের মোংলা নৌ ঘাটিঁতে আনা হলে সেখানে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে রাত সাড়ে ৮টায় জেলেদের মোংলা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে নৌবাহিনী।
আটক ভারতীয় জেলেরা হলেন- চন্দ্র দাস, আনন্দ দাস, সদানন্দ দাস, শেখর দাস, সুভাষ দাস, মনি শংকর শিকদার, বিপুল দাস, গৌরঙ্গ দাস, মৃত্যুঞ্জয় দাস, গৌরাঙ্গ হালদার, গৌতম দাস, বিশ্বজিৎ দাস, সুজন বিশ্বাস ও বিজয় দাস। তাদের সবার বাড়ি কোলকাতার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় বলে জানা গেছে।
মোংলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, মোংলা বন্দরের অদূরে বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে শুক্রবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে ‘এফ,বি শুভযাত্রা’ নামক একটি ভারতীয় ফিসিং ট্রলার আটক করে সমুদ্রসীমায় টহলরত নৌবাহিনীর জাহাজ বানৌজা শহীদ আক্তার উদ্দিন। ট্রলারটিতে ১৪ জন ভারতীয় জেলে রয়েছে।
তারা বাংলাদেশ জলসীমায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকার করছিল। তাদের বাড়ি ভারতের দক্ষিণ-চব্বিশ পরগোনা জেলার কাকদ্বীপ এলাকায়। আটক ট্রলারটিকে ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় মোংলায় নিয়ে আসে নৌবাহিনীর অপর জাহাজ বানৌজা বিষখালী।
মোংলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান বলেন, ভারতীয় জেলেদের বিরুদ্ধে সমুদ্রসীমা লঙ্গন ও মৎস্য সম্পদ লুটের অভিযোগে মামলা দায়েরের পর রোববার সকালে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হবে।
ভারতীয় ট্রলারে থাকা ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৫৫০ কেজি মাছ রাতে মোংলার ফেরিঘাটে এনে উম্মুক্ত নিলামে বিক্রি করা হবে। মাছ বিক্রির এ অর্থ সরকারের রাজস্বে জমা হবে বলে জানান উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো.জাহিদুর রহমান।