ঢাকা ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘খেলাধুলাই পারে সীমান্তের দেয়াল ভাঙতে’: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক Logo ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন ঠেকাতে চিলমারী রক্ষার দাবি, চরবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আহ্বান Logo ‘সমাজের নিকৃষ্ট মানুষ আওয়ামী লীগ করে’—সিরাজগঞ্জে মন্ত্রী টুকু Logo সুবর্ণচরে মৎস্য প্রজেক্ট দখল ও মাছ লুটের অভিযোগ, মানববন্ধনে বাধার দাবি Logo বৈরী আবহাওয়ায় সমুদ্রে না যাওয়ার আহ্বান কোস্টগার্ডের Logo বন্ধ পাটকল ও টেক্সটাইল মিল চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী Logo কাঁঠালিয়ায় মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ, থানায় জিডি Logo নোয়াখালীতে ট্রাকের ধাক্কায় কৃষি কর্মকর্তা নিহত Logo ঘাটাইলে মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক র‍্যালি Logo জনবল সংকট ও দালালচক্রে শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের ভোগান্তি

বান্দরবানে অপহৃত ব্যাংক ম্যানেজারকে মুক্তি দিতে ২০ লাখ টাকা দাবি কুকি-চিনের

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ৭৮৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

২০ লাখ টাকার বিনিময়ে অপহৃত ব্যাংক ম্যানেজারকে মুক্তি দেবার কথা জানালেও লুট করা অস্ত্র ফেতর দেবার কোন বার্তা দেয়নি কেএনএফ।

টেকনাফের পাহাড়ের পাদদেশে সিরিজ অপহরণ এবং মুক্তিপণের কথাই সরণ করিয়ে দিল কেএনএফ বা কুকি-চিন। ২ মার্চ বান্দরবানের রুমায় সোনালী ব্যাংকে ডাকাতি ও অস্ত্র লুট এবং ব্যাংক ম্যানেজারকে অপহরণ করে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী।

তাকে ছাড়িয়ে আনতে ২০ লাখ মুক্তিপণ গুণতে হবে। ব্যাংক ম্যানেজারকে অপহরণের তিনদিনের মাথায় এই বার্তা দিলেন, র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানালেন খন্দকার আল মঈন।

জানান, বান্দরবানে সোনালী ব্যাংকের অপহৃত ম্যানেজারকে ছাড়াতে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে পাহাড়ি সন্ত্রাসী সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও যৌথ বাহিনীর সহযোগিতায় প্রথম কাজ হচ্ছে ব্যাংক ম্যানেজারকে অক্ষত ও নিরাপদে ফিরিয়ে আনা। এজন্য নানান কৌশলে অবলম্বন করা হচ্ছে। ব্যাংক ম্যানেজারের সঙ্গে বিভিন্ন সোর্সের মাধ্যমে তার পরিবারের কথা হয়েছে। এখন পর্যন্ত তিনি সুস্থ রয়েছেন। তার অবস্থান শনাক্তে কাজ করছে র‌্যাব।

কীভাবে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্যদের গ্রেফতার করা যায় তা নিয়ে প্রশাসন পর্যায়ে আলোচনা চলছে। পাশাপাশি স্থানীয়দের সিসিটিভি ফুটেজ দেখিয়ে ও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করে জড়িতদের পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

র‌্যাবের পূর্ব অভিজ্ঞতা অনুযায়ী বলা যায়, সন্ত্রাসীরা টাকার জন্য এ কাজটি করেছে। টাকাই তাদের মূল টার্গেট ছিল। উপজেলা চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ১৮ সদস্যের একটি শান্তি কমিটির মাধ্যমে শান্তি আলোচনা চলছিল। এ সময়ে তাদের অবস্থান ও আধিপত্য জানান দেওয়ার চেষ্টায় এই হামলা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বান্দরবানে অপহৃত ব্যাংক ম্যানেজারকে মুক্তি দিতে ২০ লাখ টাকা দাবি কুকি-চিনের

আপডেট সময় :

 

২০ লাখ টাকার বিনিময়ে অপহৃত ব্যাংক ম্যানেজারকে মুক্তি দেবার কথা জানালেও লুট করা অস্ত্র ফেতর দেবার কোন বার্তা দেয়নি কেএনএফ।

টেকনাফের পাহাড়ের পাদদেশে সিরিজ অপহরণ এবং মুক্তিপণের কথাই সরণ করিয়ে দিল কেএনএফ বা কুকি-চিন। ২ মার্চ বান্দরবানের রুমায় সোনালী ব্যাংকে ডাকাতি ও অস্ত্র লুট এবং ব্যাংক ম্যানেজারকে অপহরণ করে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী।

তাকে ছাড়িয়ে আনতে ২০ লাখ মুক্তিপণ গুণতে হবে। ব্যাংক ম্যানেজারকে অপহরণের তিনদিনের মাথায় এই বার্তা দিলেন, র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানালেন খন্দকার আল মঈন।

জানান, বান্দরবানে সোনালী ব্যাংকের অপহৃত ম্যানেজারকে ছাড়াতে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে পাহাড়ি সন্ত্রাসী সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও যৌথ বাহিনীর সহযোগিতায় প্রথম কাজ হচ্ছে ব্যাংক ম্যানেজারকে অক্ষত ও নিরাপদে ফিরিয়ে আনা। এজন্য নানান কৌশলে অবলম্বন করা হচ্ছে। ব্যাংক ম্যানেজারের সঙ্গে বিভিন্ন সোর্সের মাধ্যমে তার পরিবারের কথা হয়েছে। এখন পর্যন্ত তিনি সুস্থ রয়েছেন। তার অবস্থান শনাক্তে কাজ করছে র‌্যাব।

কীভাবে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্যদের গ্রেফতার করা যায় তা নিয়ে প্রশাসন পর্যায়ে আলোচনা চলছে। পাশাপাশি স্থানীয়দের সিসিটিভি ফুটেজ দেখিয়ে ও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করে জড়িতদের পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

র‌্যাবের পূর্ব অভিজ্ঞতা অনুযায়ী বলা যায়, সন্ত্রাসীরা টাকার জন্য এ কাজটি করেছে। টাকাই তাদের মূল টার্গেট ছিল। উপজেলা চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ১৮ সদস্যের একটি শান্তি কমিটির মাধ্যমে শান্তি আলোচনা চলছিল। এ সময়ে তাদের অবস্থান ও আধিপত্য জানান দেওয়ার চেষ্টায় এই হামলা।