ঢাকা ০৪:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নওগাঁর ঠাকুরমান্দার ২শ বছরের পূরনো রাজখাড়া দেবত্তোর ষ্টেটের শ্রী শ্রী জয় কালি মাতা মন্দির ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের পরিদর্শন Logo সদর মডেল থানা ও রামু থানায় ১৪ ছিনতাইকারী গ্রেফতার Logo এপেক্স বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন নুরুল আমিন চৌধুরী Logo জনভোগান্তি কমাতে প্রশাসনের জোর তৎপরতা, সচেতনতার আহ্বান Logo ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐকমত্যের ডাক দিলেন তানিয়া রব Logo মানিকগঞ্জে পেটে লাথি মেরে ভ্রূণ হত্যার অভিযোগ Logo তারাকান্দায় বসতবাড়ি সংলগ্ন মাটি খনন করায় বসতবাড়ি ধসে যাওয়ার শঙ্কা Logo বলাৎকারের খবর প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের নামে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের মামলা Logo তারাকান্দায় ফখরুদ্দিন হত্যার জেরে ধরে বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট Logo ডামুড্যায় ২ শত বছরের ঐতিহ্য ধরে রেখে মাছ ধরা উৎসব পালিত

বালিয়াকান্দিতে গোলাম শওকত সিরাজকে ঘিরে নতুন স্বপ্ন

শাহাবুল আলম, ফরিদপুর
  • আপডেট সময় : ৩১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার রাজনীতিতে এখন বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। যদিও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়নি তবুও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ফিরছে একটিই নাম— গোলাম শওকত সিরাজ। তিনি কেবল একজন দক্ষ সংগঠকই নন, বরং বালিয়াকান্দির কিংবদন্তিতুল্য রাজনৈতিক পরিবারের এক আদর্শিক উত্তরাধিকার।
রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ও ঐতিহ্যের ধারক
গোলাম শওকত সিরাজের রক্তে মিশে আছে জনসেবার ইতিহাস। তাঁর পিতা প্রয়াত মোঃ সিরাজুল ইসলাম মৃধা ছিলেন গণমানুষের নেতা, সাবেক সংসদ সদস্য এবং বালিয়াকান্দি উপজেলার প্রথম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান। যাকে এলাকাবাসী আজও ‘রাজনৈতিক চারণ কবি’ হিসেবে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
শুধু তাই নয়, গোলাম শওকত সিরাজের মাতা শ্রদ্ধেয়া মাকসুদা সিরাজ স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী হিসেবে নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন। এই দম্পতির জ্যেষ্ঠ পুত্র হিসেবে গোলাম শওকত সিরাজ নিজেও ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন এবং সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এছাড়াও তিনি সফলভাবে উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন।
তারুণ্য ও উন্নয়নের কাণ্ডারিএলাকাবাসীর মতে, বালিয়াকান্দির সার্বিক স্থবিরতা কাটাতে গোলাম শওকত সিরাজের কোনো বিকল্প নেই। এবারের নির্বাচনে তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাওয়ার পেছনে জনতা বেশ কিছু যৌক্তিক প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন:
শিক্ষার মানোন্নয়ন: উপজেলার জরাজীর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর আধুনিকায়ন এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা।
স্বাস্থ্যসেবার আধুনিকায়ন: প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা পৌঁছে দেওয়া।
যুবসমাজের কর্মসংস্থান: বেকারত্ব দূরীকরণে স্থানীয় পর্যায়ে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি।
তথ্য-প্রযুক্তি (IT): ডিজিটাল বাংলাদেশ ও স্মার্ট আগামীর পথে হাঁটতে যুবকদের জন্য বিশেষ ‘তথ্য প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ কর্মশালা’ চালু করা।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা বালিয়াকান্দির সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা একজন অভিজ্ঞ ও সজ্জন ব্যক্তিত্বকে নেতৃত্বে দেখতে চান। তাদের দাবি, গোলাম শওকত সিরাজের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং তাঁর পরিবারের দীর্ঘদিনের সেবামূলক ঐতিহ্য বালিয়াকান্দিতে এক নতুন যুগের সূচনা করবে।
মোঃ আব্দুল জব্বার শেখ একজন স্থানীয় প্রবীণ নাগরিক বলেন, “মৃধা সাহেবের পরিবারের সাথে এ অঞ্চলের মানুষের নাড়ির টান। গোলাম শওকত সিরাজ যোগ্য বাবার যোগ্য সন্তান হিসেবে বালিয়াকান্দির শিক্ষা ও প্রযুক্তির উন্নয়নে বিপ্লব ঘটাতে পারবেন বলেই আমরা বিশ্বাস করি।”
আসন্ন নির্বাচনে এই জননন্দিত নেতাকে ঘিরেই এখন স্বপ্ন বুনছে বালিয়াকান্দির সর্বস্তরের মানুষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বালিয়াকান্দিতে গোলাম শওকত সিরাজকে ঘিরে নতুন স্বপ্ন

আপডেট সময় :

রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার রাজনীতিতে এখন বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। যদিও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়নি তবুও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ফিরছে একটিই নাম— গোলাম শওকত সিরাজ। তিনি কেবল একজন দক্ষ সংগঠকই নন, বরং বালিয়াকান্দির কিংবদন্তিতুল্য রাজনৈতিক পরিবারের এক আদর্শিক উত্তরাধিকার।
রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ও ঐতিহ্যের ধারক
গোলাম শওকত সিরাজের রক্তে মিশে আছে জনসেবার ইতিহাস। তাঁর পিতা প্রয়াত মোঃ সিরাজুল ইসলাম মৃধা ছিলেন গণমানুষের নেতা, সাবেক সংসদ সদস্য এবং বালিয়াকান্দি উপজেলার প্রথম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান। যাকে এলাকাবাসী আজও ‘রাজনৈতিক চারণ কবি’ হিসেবে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
শুধু তাই নয়, গোলাম শওকত সিরাজের মাতা শ্রদ্ধেয়া মাকসুদা সিরাজ স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী হিসেবে নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন। এই দম্পতির জ্যেষ্ঠ পুত্র হিসেবে গোলাম শওকত সিরাজ নিজেও ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন এবং সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এছাড়াও তিনি সফলভাবে উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন।
তারুণ্য ও উন্নয়নের কাণ্ডারিএলাকাবাসীর মতে, বালিয়াকান্দির সার্বিক স্থবিরতা কাটাতে গোলাম শওকত সিরাজের কোনো বিকল্প নেই। এবারের নির্বাচনে তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাওয়ার পেছনে জনতা বেশ কিছু যৌক্তিক প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন:
শিক্ষার মানোন্নয়ন: উপজেলার জরাজীর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর আধুনিকায়ন এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা।
স্বাস্থ্যসেবার আধুনিকায়ন: প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা পৌঁছে দেওয়া।
যুবসমাজের কর্মসংস্থান: বেকারত্ব দূরীকরণে স্থানীয় পর্যায়ে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি।
তথ্য-প্রযুক্তি (IT): ডিজিটাল বাংলাদেশ ও স্মার্ট আগামীর পথে হাঁটতে যুবকদের জন্য বিশেষ ‘তথ্য প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ কর্মশালা’ চালু করা।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা বালিয়াকান্দির সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা একজন অভিজ্ঞ ও সজ্জন ব্যক্তিত্বকে নেতৃত্বে দেখতে চান। তাদের দাবি, গোলাম শওকত সিরাজের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং তাঁর পরিবারের দীর্ঘদিনের সেবামূলক ঐতিহ্য বালিয়াকান্দিতে এক নতুন যুগের সূচনা করবে।
মোঃ আব্দুল জব্বার শেখ একজন স্থানীয় প্রবীণ নাগরিক বলেন, “মৃধা সাহেবের পরিবারের সাথে এ অঞ্চলের মানুষের নাড়ির টান। গোলাম শওকত সিরাজ যোগ্য বাবার যোগ্য সন্তান হিসেবে বালিয়াকান্দির শিক্ষা ও প্রযুক্তির উন্নয়নে বিপ্লব ঘটাতে পারবেন বলেই আমরা বিশ্বাস করি।”
আসন্ন নির্বাচনে এই জননন্দিত নেতাকে ঘিরেই এখন স্বপ্ন বুনছে বালিয়াকান্দির সর্বস্তরের মানুষ।