ঢাকা ০৬:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

বিএনপিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুঁশিয়ারী, বেশি কথা বললে রেকর্ড ফাঁস করে দেবো

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০২৪ ৮৫ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির দু’একজন নেতা ঘনঘন প্রেস কনফারেন্স করছে। অথচ তারাই নির্বাচনের আগে সরকারের সঙ্গে লাইন দিয়েছিল। সরকারের সঙ্গে কতজন লাইন দিয়েছিল সেই তালিকাও আমাদের কাছে আছে। বেশি কথা বলবে না, অনেক কিছু রেকর্ড রয়েছে, সেগুলো ফাঁস করে দেবো।

শুক্রবার (২২ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে এই হুঁশিয়ারী ড. হাছান মাহমুদ।

ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, নির্বাচনের আগে যারা সরকারের সঙ্গে লাইন দিয়েছিল, কিন্তু হিসেবে মিলে নাই, এখন তারা মিডিয়ার সামনে এসে নানান কথা বলা শুরু করেছে। বেশি কথা বললে অনেক কিছু রেকর্ড করা আছে, সবকিছু ফাঁস করে দেবো।

বিএনপিকে করে উদ্দেশ ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে মূলত বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে। যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধচারণ করেছে, তারাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে।

বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের আয়োজনে আলোচনা সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেতারা এখন সুন্দর সুন্দর কথা বলে, তারা আবার রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করে। আসলে এরা সবাই রাজনীতির কাক। ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে কাকদের সন্নিবেশ ঘটিয়ে জিয়াউর রহমান বিএনপি গঠন করেছিল।

রাজনীতির কাকরা যেখানেই ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট পায় সেখানেই ছুটে যেতে চায়। এই রাজনীতির কাকরা ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট ঠিক মতো পায়নি বলেই তো লাইন দেওয়ার পরেও তারা ভিন্ন লাইনে কথা বলা শুরু করেছে। আমরা সবাইকে চিনি-জানি, সবার গোমর আমাদের কাছে জমা রয়েছে।

ড.মোহাম্মদ ইউনূস প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ড. মোহাম্মদ ইউনূস সাহেবের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলতে চাই যে, তিনি একজন জ্যেষ্ঠ নাগরিক। তার প্রতি আমার সম্মান এবং শ্রদ্ধা দুটি রেখেই বলতে চাই, দেশে যখন বন্যা হয় তখন তাকে দেখা যায় না। দেশে যখন মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করা হয় তখন কোনো বক্তব্য শোনা যায় না। দেশে যখন কোনো দুর্যোগ হয় তখন তিনি বিদেশে ব্যস্ত থাকেন পুরস্কার নেওয়ার জন্য।

আপনারা জানেন তিনি কিছুদিন আগে আদালত কর্তৃক শাস্তিপ্রাপ্ত-সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন। এর মধ্যে দেখলাম তিনি বাকু সম্মেলনে যেয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেছেন। পৃথিবীতে যত ধরনের পুরস্কার আছে সব জায়গায় তার লবিস্ট ফার্ম যোগাযোগ করে এখান থেকে পুরস্কার আনে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, যাকে দেশের কোনো কাজে পাওয়া যায় না, তাকে যদি কেউ পুরস্কার দিয়ে বেড়ায় সেটি অত্যন্ত হাস্যকর।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বিএনপিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুঁশিয়ারী, বেশি কথা বললে রেকর্ড ফাঁস করে দেবো

আপডেট সময় : ০৪:২৯:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০২৪

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির দু’একজন নেতা ঘনঘন প্রেস কনফারেন্স করছে। অথচ তারাই নির্বাচনের আগে সরকারের সঙ্গে লাইন দিয়েছিল। সরকারের সঙ্গে কতজন লাইন দিয়েছিল সেই তালিকাও আমাদের কাছে আছে। বেশি কথা বলবে না, অনেক কিছু রেকর্ড রয়েছে, সেগুলো ফাঁস করে দেবো।

শুক্রবার (২২ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে এই হুঁশিয়ারী ড. হাছান মাহমুদ।

ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, নির্বাচনের আগে যারা সরকারের সঙ্গে লাইন দিয়েছিল, কিন্তু হিসেবে মিলে নাই, এখন তারা মিডিয়ার সামনে এসে নানান কথা বলা শুরু করেছে। বেশি কথা বললে অনেক কিছু রেকর্ড করা আছে, সবকিছু ফাঁস করে দেবো।

বিএনপিকে করে উদ্দেশ ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে মূলত বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে। যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধচারণ করেছে, তারাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে।

বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের আয়োজনে আলোচনা সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেতারা এখন সুন্দর সুন্দর কথা বলে, তারা আবার রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করে। আসলে এরা সবাই রাজনীতির কাক। ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে কাকদের সন্নিবেশ ঘটিয়ে জিয়াউর রহমান বিএনপি গঠন করেছিল।

রাজনীতির কাকরা যেখানেই ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট পায় সেখানেই ছুটে যেতে চায়। এই রাজনীতির কাকরা ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট ঠিক মতো পায়নি বলেই তো লাইন দেওয়ার পরেও তারা ভিন্ন লাইনে কথা বলা শুরু করেছে। আমরা সবাইকে চিনি-জানি, সবার গোমর আমাদের কাছে জমা রয়েছে।

ড.মোহাম্মদ ইউনূস প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ড. মোহাম্মদ ইউনূস সাহেবের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলতে চাই যে, তিনি একজন জ্যেষ্ঠ নাগরিক। তার প্রতি আমার সম্মান এবং শ্রদ্ধা দুটি রেখেই বলতে চাই, দেশে যখন বন্যা হয় তখন তাকে দেখা যায় না। দেশে যখন মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করা হয় তখন কোনো বক্তব্য শোনা যায় না। দেশে যখন কোনো দুর্যোগ হয় তখন তিনি বিদেশে ব্যস্ত থাকেন পুরস্কার নেওয়ার জন্য।

আপনারা জানেন তিনি কিছুদিন আগে আদালত কর্তৃক শাস্তিপ্রাপ্ত-সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন। এর মধ্যে দেখলাম তিনি বাকু সম্মেলনে যেয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেছেন। পৃথিবীতে যত ধরনের পুরস্কার আছে সব জায়গায় তার লবিস্ট ফার্ম যোগাযোগ করে এখান থেকে পুরস্কার আনে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, যাকে দেশের কোনো কাজে পাওয়া যায় না, তাকে যদি কেউ পুরস্কার দিয়ে বেড়ায় সেটি অত্যন্ত হাস্যকর।