ঢাকা ০১:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী সুলতান মেলা ১৫ এপ্রিল থেকে

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ৬৭১ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বিশ্ব বরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে রঙিন হয়ে ওঠবে নড়াইল। আয়োজনে শেষ তুলি টান। বিশাল আয়োজনে ১৫ দিন জুড়ে বর্ণঢ্য মেলা চলবে।

পহেলা বৈশাখের পর ১৫ এপ্রিল থেকে পক্ষকালব্যাপী সুলতান মেলার পর্দা ওঠবে। আয়োজকের ভূমিকায় রয়েছে, জেলা প্রশাসন ও সুলতান ফাউন্ডেশন।

এস এম সুলতান ফাউন্ডেশনের সভাপতি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই মধ্যে চূড়ান্ত প্রস্তুতি বৈঠক শেষ হয়েছে।

বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করা চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের অখন্ড ভারতে ১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট নড়াইলের মাছিমদিয়া গ্রামে। বাবা মেছের আলী ও মা মাজু বিবি।

দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন শিল্পী। অসুস্থ অবস্থায় ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। প্রিয় জন্মভূমি নড়াইলের কুড়িগ্রাম এলাকায় সংগ্রহশালা চত্বরে চিরনিদ্রায় শায়িত রয়েছেন শিল্পী।

এস এম সুলতান ১৯৮২ সালে পেয়েছেন একুশে পদক, ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পদক, ১৯৮৪ সালে রেসিডেন্ট আর্টিস্ট স্বীকৃতি, ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননাসহ ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ম্যান অব দ্য ইয়ার’, নিউইয়র্কের বায়োগ্রাফিক্যাল সেন্টার থেকে ‘ম্যান অব অ্যাচিভমেন্ট’ এবং এশিয়া উইক পত্রিকা থেকে ‘ম্যান অব এশিয়া’ সম্মাননাসহ বিভিন্ন পুরস্কার।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী সুলতান মেলা ১৫ এপ্রিল থেকে

আপডেট সময় :

 

বিশ্ব বরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে রঙিন হয়ে ওঠবে নড়াইল। আয়োজনে শেষ তুলি টান। বিশাল আয়োজনে ১৫ দিন জুড়ে বর্ণঢ্য মেলা চলবে।

পহেলা বৈশাখের পর ১৫ এপ্রিল থেকে পক্ষকালব্যাপী সুলতান মেলার পর্দা ওঠবে। আয়োজকের ভূমিকায় রয়েছে, জেলা প্রশাসন ও সুলতান ফাউন্ডেশন।

এস এম সুলতান ফাউন্ডেশনের সভাপতি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই মধ্যে চূড়ান্ত প্রস্তুতি বৈঠক শেষ হয়েছে।

বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করা চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের অখন্ড ভারতে ১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট নড়াইলের মাছিমদিয়া গ্রামে। বাবা মেছের আলী ও মা মাজু বিবি।

দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন শিল্পী। অসুস্থ অবস্থায় ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। প্রিয় জন্মভূমি নড়াইলের কুড়িগ্রাম এলাকায় সংগ্রহশালা চত্বরে চিরনিদ্রায় শায়িত রয়েছেন শিল্পী।

এস এম সুলতান ১৯৮২ সালে পেয়েছেন একুশে পদক, ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পদক, ১৯৮৪ সালে রেসিডেন্ট আর্টিস্ট স্বীকৃতি, ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননাসহ ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ম্যান অব দ্য ইয়ার’, নিউইয়র্কের বায়োগ্রাফিক্যাল সেন্টার থেকে ‘ম্যান অব অ্যাচিভমেন্ট’ এবং এশিয়া উইক পত্রিকা থেকে ‘ম্যান অব এশিয়া’ সম্মাননাসহ বিভিন্ন পুরস্কার।