ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

মঠবাড়িয়ায় আর্থিক সংকটে ব্রীজের কাজ বন্ধ

মঠবাড়িয়া পিরোজপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২৪৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার সোনাখালী মানিকখালী সড়কের মানিকখালী বাজার ও নলী জয়নগরের মধ্যবর্তী হলতা নদীর ওপর নির্মাণাধীন গার্ডার ব্রীজের নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। সারা দেশে আয়রন ব্রীজ উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালকের (পিডি) নির্দেশে এ ব্রীজটির কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রকৌশলী জিয়ারুল ইসলাম।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২১-২২ অর্থ বছরে ব্রীজটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে দুই পাড়ের পাইল ও গাইড ওয়াল কমপ্লিট করে অজ্ঞাত কারনে কাজ ফেলে রাখা হয়। এরপর ২০২৪ সালের জুলাইয়ের দিকে রিটেন্ডার দিয়ে ৩ কোটি ১৯ লাখ ৫৩ হাজার টাকার বরাদ্দ দেওয়া হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ পায় তৌহিদুল বাশার কবির। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী তৌহিদুল বাশার কবির ৫’আগস্টের পর থেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন। ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী এ বছরের আগস্ট মাসে কাজ সম্পন্ন করার মেয়াদ শেষ হবে বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে  ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী ফয়সাল আহমেদ জানান, আমরা ওয়ার্ক অর্ডার পেয়েও ইঞ্জিনিয়ার অফিসের মৌখিক অনুমতি না পাওয়ায় কাজ শুরু করতে পারছি না। উপজেলা প্রকৌশলী জিয়ারুল ইসলাম জানান, ফান্ড না থাকায় প্রকল্প পরিচালকের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ শুরু না করার জন্য বলা হয়েছে। আর্থিক সংকটের সুরাহা হলেই কাজ শুরু করতে বলা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মঠবাড়িয়ায় আর্থিক সংকটে ব্রীজের কাজ বন্ধ

আপডেট সময় :
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার সোনাখালী মানিকখালী সড়কের মানিকখালী বাজার ও নলী জয়নগরের মধ্যবর্তী হলতা নদীর ওপর নির্মাণাধীন গার্ডার ব্রীজের নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। সারা দেশে আয়রন ব্রীজ উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালকের (পিডি) নির্দেশে এ ব্রীজটির কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রকৌশলী জিয়ারুল ইসলাম।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২১-২২ অর্থ বছরে ব্রীজটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে দুই পাড়ের পাইল ও গাইড ওয়াল কমপ্লিট করে অজ্ঞাত কারনে কাজ ফেলে রাখা হয়। এরপর ২০২৪ সালের জুলাইয়ের দিকে রিটেন্ডার দিয়ে ৩ কোটি ১৯ লাখ ৫৩ হাজার টাকার বরাদ্দ দেওয়া হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ পায় তৌহিদুল বাশার কবির। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী তৌহিদুল বাশার কবির ৫’আগস্টের পর থেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন। ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী এ বছরের আগস্ট মাসে কাজ সম্পন্ন করার মেয়াদ শেষ হবে বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে  ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী ফয়সাল আহমেদ জানান, আমরা ওয়ার্ক অর্ডার পেয়েও ইঞ্জিনিয়ার অফিসের মৌখিক অনুমতি না পাওয়ায় কাজ শুরু করতে পারছি না। উপজেলা প্রকৌশলী জিয়ারুল ইসলাম জানান, ফান্ড না থাকায় প্রকল্প পরিচালকের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ শুরু না করার জন্য বলা হয়েছে। আর্থিক সংকটের সুরাহা হলেই কাজ শুরু করতে বলা হবে।