ঢাকা ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪

মিয়ানমারের ৩৩০ বিজিপি সদস্যকে ফেরত পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১১:১২:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ১৮১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

মিয়ানমার থেকে নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয়া নেওয়া ৩৩০ বিজিপি সদস্যকে ফেরত পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালেই মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

এসব বিজিপি সদস্য কক্সবাজারে বিজিবির আশ্রয়ে ছিলো। তাদের ইনানী সৈকতে আনা হয়। সৈকতের নৌবাহিনীর জেটি ঘাটে তাবু টাঙিয়ে রাখা হয়েছে তাদের। কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিজিপি সদস্যদের হস্তান্তর আয়োজন সম্পন্ন করা হবে। বিজিবি ছাড়াও র‌্যাব-পুলিশের সশস্ত্র সদস্যরা। বন্ধ রাখা হয়েছে মেরিন ড্রাইভ সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থা।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে পাঁচটা থেকে বিজিবির কঠোর পাহারায় ঘুমধুম থেকে ৬টি গাড়িতে করে ১৬৪ জনকে ইনানী সৈকতে আনা হয়েছে। বাকি ১৬৬ জনকে হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে আনা হয়।

হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পর পর্যটকবাহী দুটি জাহাজে করে তাদের গভীর সমুদ্রে অবস্থান করা মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জাহাজে নিয়ে যাওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মিয়ানমারের ৩৩০ বিজিপি সদস্যকে ফেরত পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১১:১২:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

 

মিয়ানমার থেকে নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয়া নেওয়া ৩৩০ বিজিপি সদস্যকে ফেরত পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালেই মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

এসব বিজিপি সদস্য কক্সবাজারে বিজিবির আশ্রয়ে ছিলো। তাদের ইনানী সৈকতে আনা হয়। সৈকতের নৌবাহিনীর জেটি ঘাটে তাবু টাঙিয়ে রাখা হয়েছে তাদের। কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিজিপি সদস্যদের হস্তান্তর আয়োজন সম্পন্ন করা হবে। বিজিবি ছাড়াও র‌্যাব-পুলিশের সশস্ত্র সদস্যরা। বন্ধ রাখা হয়েছে মেরিন ড্রাইভ সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থা।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে পাঁচটা থেকে বিজিবির কঠোর পাহারায় ঘুমধুম থেকে ৬টি গাড়িতে করে ১৬৪ জনকে ইনানী সৈকতে আনা হয়েছে। বাকি ১৬৬ জনকে হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে আনা হয়।

হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পর পর্যটকবাহী দুটি জাহাজে করে তাদের গভীর সমুদ্রে অবস্থান করা মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জাহাজে নিয়ে যাওয়া হবে।