ঢাকা ০৬:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহীদের তুমুল সংঘর্ষ

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

 

মঙ্গলবার সকাল থেকেই কক্সবাজারের পালংখালী সীমান্ত এলাকায় থেমে থেমে গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। শোনা যাচ্ছে ভারী গোলা বিস্ফোরণের আওয়াজ। রাতভর থেমে থেমে গুলির শব্দে আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে স্থানীয়দের। মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহীদের সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, ওপারে ঢেকিবুনিয়া সীমান্ত চৌকির কাছেই গোলাগুলি চলছে। সোমবার দুপুরে সেখানে দেখা গেছে তীব্র ধোঁয়া। সীমান্ত এলাকায় না যেতে বিজিবির মাইকিংয়ের পর উদ্বেগ বেড়েছে স্থানীয়দের।

স্থানীয় এক বাসিন্দার ভাষ্য, আমার মনে হচ্ছে আগুন জ্বালিয়ে ঘরবাড়ি পোড়ানো হচ্ছে, আমরা তো যেতে পারছি না। ধোঁয়া দেখে ধারণা করছি।

এদিকে সংঘর্ষের জেরে নাফ নদীর ওপারে অবস্থান নিয়েছে শতাধিক রোহিঙ্গা। তবে কেন এমন নির্দেশনা সে বিষয় কিছু জানাতে পারেনি পালংখালী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। টানা ১০ দিন ধরে চলা গোলাগুলি থেমেছে তমব্রু ও ঘুমধুম সীমান্তে। তবে আতঙ্ক কমেনি সে এলাকায়।

এমন পরিস্থিতিতে সীমান্ত পরিদর্শনে আসেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ও ডিআইজি। তাঁরা জানান, বান্দরবানের ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ে মিয়ানমারের অনুপ্রবেশকারীরা থাকায় এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে পাশের স্কুলে।

আরেক বাসিন্দা বলছেন, ওপারে দুয়েকদিন আগে যুদ্ধ হয়েছিল। সেখানে কোনো মানুষ নেই। ধোঁয়া দেখে মনে হচ্ছে, ঘরবাড়িগুলো পোড়ানো হচ্ছে।

এদিকে দিনের বেলায় নাফ নদীতে ছোট ছোট ডিঙিতে রোহিঙ্গাদের ভাসতে দেখা গেছে। স্থানীয় লোকজন বলছেন, বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সতর্ক পাহারার কারণে দিনে ঢুকতে পারছেন না রোহিঙ্গারা। রাতে সুযোগ বুঝে নাফ নদী পাড়ি দেওয়ার অপেক্ষা করছেন তারা। তবে এ বিষয়ে গণমাধ্যম কথা বলতে চায়নি বিজিবি ও কোস্ট গার্ড।

সংঘাতের কারণে বন্ধ আছে দক্ষিণ বালুখালী, জমিদার পাড়া ও পালংখালী অংশের সীমান্ত সড়ক নির্মাণের কাজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহীদের তুমুল সংঘর্ষ

আপডেট সময় : ০৪:৪৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

 

 

 

মঙ্গলবার সকাল থেকেই কক্সবাজারের পালংখালী সীমান্ত এলাকায় থেমে থেমে গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। শোনা যাচ্ছে ভারী গোলা বিস্ফোরণের আওয়াজ। রাতভর থেমে থেমে গুলির শব্দে আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে স্থানীয়দের। মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহীদের সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, ওপারে ঢেকিবুনিয়া সীমান্ত চৌকির কাছেই গোলাগুলি চলছে। সোমবার দুপুরে সেখানে দেখা গেছে তীব্র ধোঁয়া। সীমান্ত এলাকায় না যেতে বিজিবির মাইকিংয়ের পর উদ্বেগ বেড়েছে স্থানীয়দের।

স্থানীয় এক বাসিন্দার ভাষ্য, আমার মনে হচ্ছে আগুন জ্বালিয়ে ঘরবাড়ি পোড়ানো হচ্ছে, আমরা তো যেতে পারছি না। ধোঁয়া দেখে ধারণা করছি।

এদিকে সংঘর্ষের জেরে নাফ নদীর ওপারে অবস্থান নিয়েছে শতাধিক রোহিঙ্গা। তবে কেন এমন নির্দেশনা সে বিষয় কিছু জানাতে পারেনি পালংখালী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। টানা ১০ দিন ধরে চলা গোলাগুলি থেমেছে তমব্রু ও ঘুমধুম সীমান্তে। তবে আতঙ্ক কমেনি সে এলাকায়।

এমন পরিস্থিতিতে সীমান্ত পরিদর্শনে আসেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ও ডিআইজি। তাঁরা জানান, বান্দরবানের ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ে মিয়ানমারের অনুপ্রবেশকারীরা থাকায় এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে পাশের স্কুলে।

আরেক বাসিন্দা বলছেন, ওপারে দুয়েকদিন আগে যুদ্ধ হয়েছিল। সেখানে কোনো মানুষ নেই। ধোঁয়া দেখে মনে হচ্ছে, ঘরবাড়িগুলো পোড়ানো হচ্ছে।

এদিকে দিনের বেলায় নাফ নদীতে ছোট ছোট ডিঙিতে রোহিঙ্গাদের ভাসতে দেখা গেছে। স্থানীয় লোকজন বলছেন, বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সতর্ক পাহারার কারণে দিনে ঢুকতে পারছেন না রোহিঙ্গারা। রাতে সুযোগ বুঝে নাফ নদী পাড়ি দেওয়ার অপেক্ষা করছেন তারা। তবে এ বিষয়ে গণমাধ্যম কথা বলতে চায়নি বিজিবি ও কোস্ট গার্ড।

সংঘাতের কারণে বন্ধ আছে দক্ষিণ বালুখালী, জমিদার পাড়া ও পালংখালী অংশের সীমান্ত সড়ক নির্মাণের কাজ।