মোংলা বন্দরে জেটি নির্মাণে ৪ হাজার কোটি টাকা দেবে চীন
- আপডেট সময় : ১৭ বার পড়া হয়েছে
দেশের দ্বিতীয় সামুদ্রিক বন্দর মোংলাকে বিশ্বের কাছে অত্যাধুনিক বন্দর হিসেবে গড়ে তোলা এবং আমদানি রপ্তানি বাড়াতে দুটি কন্টেইনার জেটি নির্মাণে বাংলাদেশ সরকারকে ৩৩৫ মিলিয়ন ঋণ দেবে চীন। ৩৩ কোটি ৫০ লাখ ডলারের এ ঋণচুক্তি সই এ মাসেই হতে পারে বলে নিশ্চিত করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
সংস্থাটি জানায় , মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে দুটি কন্টেইনার জেটি নির্মাণে চীনের ৩৩ কোটি ৫০ লাখ ডলারের ঋণচুক্তি চলতি মাসেই সই হতে পারে। চুক্তি অনুযায়ী নতুন দুটি জেটির মোট দৈর্ঘ্য হবে ৩৬৮ মিটার। এ ছাড়া নির্মাণ করা হবে ৮৭ হাজার ৬০০ বর্গমিটারের লোডেড কনটেইনার ইয়ার্ড। ৩৪ হাজার ১৭০ বর্গমিটারের খালি কনটেইনার ইয়ার্ড। ৪ হাজার ২৬০ বর্গমিটারের বিপজ্জনক পণ্য ব্যবস্থাপনা ইয়ার্ড। এছাড়াও জেটি পরিচালনার জন্য প্রকল্পের আওতায় চারটি গ্যান্ট্রি ক্রেন, সাতটি রাবার-টায়ার্ড গ্যান্ট্রি ক্রেনসহ ৩৩ ধরনের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনা হবে।
বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা বিভাগ থেকে জানানো হয় , নতুন দুটি জেটি নির্মাণে জন্য মোংলা বন্দর সুবিধা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের আওতায় গত বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন পায়। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকা। প্রকল্প বাস্তবায়নে গত মার্চের শেষ দিকে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং চীনের প্রতিষ্ঠান চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিসিইসিসি) মধ্যে চুক্তি সই হয়। এর আগে প্রকল্পের জন্য চীনা ঋণের আবেদন ইআরডি গত বছরের এপ্রিলের শেষ দিকে পাঠায়। তবে দীর্ঘদিন ঋণ অনুমোদন প্রক্রিয়া স্থগিত ছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের পর এ বিষয়ে অগ্রগতি হয়।
মোংলা বন্দর ব্যবহারকারীরা জানান, বন্দরে আমদানি রপ্তানি বাড়াতে নতুন করে কন্টেইনার জেটি করা হলে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে। সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুযায়ী বরিশাল সহ দক্ষিণাঞ্চলের একাধিক জেলায় রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) গড়ে তোলা হবে। এখানে উৎপাদিত পণ্য মোংলা বন্দরের মাধ্যমে রপ্তানি করা হবে। ভবিষ্যতে নতুন জেটিগুলো মোংলা বন্দরের সক্ষমতা কয়েকগুণ বাড়াবে।


















