রাজশাহীর পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন, নির্দিষ্ট পরিমাণে বিক্রি জ্বালানি তেল
- আপডেট সময় : ৩৫ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহী জেলা ও মহানগরীর বিভিন্ন তেল পাম্পে জ্বালানি তেল নিতে সকাল থেকেই মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার ও অন্যান্য যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। অনেক পাম্পে গ্রাহকদের চাহিদামতো তেল না দিয়ে নির্দিষ্ট পরিমাণে জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল শুক্রবার নগরীর বিভিন্ন তেল পাম্প ঘুরে দেখা গেছে, জ্বালানি তেলের সীমিত সরবরাহের কারণে পাম্পগুলোতে নির্দিষ্ট অঙ্কের মধ্যে তেল বিক্রি করা হচ্ছে। বেশিরভাগ পাম্পে মোটরসাইকেলকে ২০০ টাকার, প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসকে ৫০০ টাকার এবং ট্রাক ও বাসকে এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকার মধ্যে তেল দেওয়া হচ্ছে।
জ্বালানি নিতে আসা অনেক গ্রাহক অভিযোগ করেন, কিছু পাম্পে তেল দেওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে। এতে করে সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে কয়েকটি তেল পাম্প কর্তৃপক্ষ জানান, তাদের কাছে জ্বালানি তেলের মজুত সীমিত থাকায় বাধ্য হয়ে নির্দিষ্ট পরিমাণে তেল বিক্রি করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সরকারিভাবে কোনো নির্দেশনা রয়েছে কি না জানতে চাইলে তারা সুনির্দিষ্ট উত্তর দিতে পারেননি।
এদিকে জ্বালানি খাত নিয়ে অনেকের ধারণা, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ও বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতার প্রভাব দেশের জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব পড়তে পারে, যার কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রাজশাহী তেল পাম্প মালিক সমিতির সভাপতি মনিমুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে তেল নির্দিষ্ট পরিমাণে দেওয়ার কোনো নির্দেশনা নেই। তবে অনেক পাম্পে তেলের মজুত কম থাকায় তারা নিজেদের সিদ্ধান্তে সীমিত পরিমাণে তেল দিচ্ছেন। আবার যাদের মজুত শেষ হয়ে গেছে তারা আপাতত তেল বিক্রি বন্ধ রেখেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরাও পর্যাপ্ত তেল পাচ্ছি না। গতকাল (বৃহস্পতিবার) বাঘাবাড়ি ডিপো থেকে তেল আনতে গিয়ে একটি গাড়ি খালি ফিরে এসেছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই এব্যাপারে কোন ধরনের সরকারি নির্দেশনার তথ্য পাওয়া যায়নি।




















