ঢাকা ০৩:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪

রেমেলের অগ্রহভাগ সন্ধ্যায় অতিক্রম করতে শুরু করবে

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০১:৪৮:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪ ১০২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ধেয়ে আসছে বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় রেমেল। সন্ধ্যায় অগ্রভাগ বাংলাদেশ অতিক্রম শুরু করবে। মধ্য রাতে গিয়ে মূল অংশ বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করবে। সমুদ্র বন্দর মোংলা ও পায়রাকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় রেমেলের প্রভাবে ১০ থেকে ১৫ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। এরই মধ্যে ৮ লাখের বেশি মানুষকে উপকূল অঞ্চলের আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। খাদ্য-ওষুধসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌছে দেওয়া হয়েছে। উপকূলের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারী ছুটি বাতিল করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ৩০০ মিলিটারের বেশি বৃষ্টিাপাত হতে পারে।

পাহাড় ধ্বসের আশঙ্কা থেকে সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসকে সর্তক অবন্থায় রাখা হয়েছে।

রোববার সচিবায়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান।

এদিন সন্ধ্যা নাগাদ বাংলাদেশের পটুয়াখালীর খেপুপাড়া উপকূল এবং পশ্চিমবঙ্গের ওপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করবে রেমাল। এরই মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগের প্রভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে।

 

শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত ঝড়ের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিলো ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। সেটি সকালে প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ বেড়ে ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটারে পৌছে। যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন দোকান-পাঠের মালা সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বৃষ্টির সঙ্গে বাতাসের তীব্রতা বাড়ছে। সাগর উত্তাল। কুয়াকাটা সমুদ্ররক্ষা বেড়িবাঁধ এলাকায় থাকা সাধারণ মানুষের মালামাল সৈকতের লাগোয়া বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সরিয়ে নিয়েছে। কুয়াকাটার সকল হোটেল-মোটেলকে আশ্রয়কেন্দ্র ঘোষণা করা হয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, রেমেলের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীসহ অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৮-১২ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের প্লাবিত হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে ঘূর্ণিঝড়টির সামনের অংশ ও বায়ুচাপের পার্থক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ফেনী, চাঁদপুর, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং এসব জেলার কাছের দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৮ থেকে ১২ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রেমেলের অগ্রহভাগ সন্ধ্যায় অতিক্রম করতে শুরু করবে

আপডেট সময় : ০১:৪৮:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪

 

ধেয়ে আসছে বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় রেমেল। সন্ধ্যায় অগ্রভাগ বাংলাদেশ অতিক্রম শুরু করবে। মধ্য রাতে গিয়ে মূল অংশ বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করবে। সমুদ্র বন্দর মোংলা ও পায়রাকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় রেমেলের প্রভাবে ১০ থেকে ১৫ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। এরই মধ্যে ৮ লাখের বেশি মানুষকে উপকূল অঞ্চলের আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। খাদ্য-ওষুধসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌছে দেওয়া হয়েছে। উপকূলের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারী ছুটি বাতিল করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ৩০০ মিলিটারের বেশি বৃষ্টিাপাত হতে পারে।

পাহাড় ধ্বসের আশঙ্কা থেকে সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসকে সর্তক অবন্থায় রাখা হয়েছে।

রোববার সচিবায়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান।

এদিন সন্ধ্যা নাগাদ বাংলাদেশের পটুয়াখালীর খেপুপাড়া উপকূল এবং পশ্চিমবঙ্গের ওপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করবে রেমাল। এরই মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগের প্রভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে।

 

শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত ঝড়ের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিলো ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। সেটি সকালে প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ বেড়ে ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটারে পৌছে। যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন দোকান-পাঠের মালা সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বৃষ্টির সঙ্গে বাতাসের তীব্রতা বাড়ছে। সাগর উত্তাল। কুয়াকাটা সমুদ্ররক্ষা বেড়িবাঁধ এলাকায় থাকা সাধারণ মানুষের মালামাল সৈকতের লাগোয়া বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সরিয়ে নিয়েছে। কুয়াকাটার সকল হোটেল-মোটেলকে আশ্রয়কেন্দ্র ঘোষণা করা হয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, রেমেলের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীসহ অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৮-১২ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের প্লাবিত হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে ঘূর্ণিঝড়টির সামনের অংশ ও বায়ুচাপের পার্থক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ফেনী, চাঁদপুর, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং এসব জেলার কাছের দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৮ থেকে ১২ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে।