ঢাকা ০২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪

রেলওয়ের স্বপ্ন জয় : ভাঙ্গা-যশোর রেলপথে হুইসেল বাজবে আজ

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৪:৪২:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মার্চ ২০২৪ ৪৫৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে যশোর পর্যন্ত প্রায় ১৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন রেলপথ নির্মাণের প্রকল্পটি ২০১৬ সালের ৩ মে একনেকে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প নামে অনুমোদন হয়। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ নামে প্রকল্পের ঢাকা-ভাঙ্গা রেলপথে গেল বছর থেকেই কাজ শেষে ট্রেন চলাচল করছে।

রেল ভবন সূত্রের খবর, ঢাকা-যশোর রেলপথের ভাঙ্গা পর্যন্ত এরই মধ্যে ট্রেন চলাচল করছে। প্রকল্পের শেষ অংশ ভাঙ্গা থেকে যশোর। দৈর্ঘ্য ৮৭ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। মাঠপর্যায়ে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালে। প্রকল্পটি শেষের মেয়াদ ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত।

প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩৪ হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা। বর্তমানে এ প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা। প্রকল্পটি সরকারের অগ্রাধিকার তালিকাভুক্ত।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালট্যান্ট (সিএসসি) বিভাগ থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৩০ ও ৩১ মার্চ (শনি ও রোববার) ভাঙ্গা রেলস্টেশন থেকে রূপদিয়া রেলস্টেশন পর্যন্ত উচ্চগতিতে (১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়) পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল করবে। এ সময় রেললাইনের ওপর জনসাধারণের চলাচল সম্পূর্ণ নিষেধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ।

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবু ইউছুফ মো. শামীম সংবাদমাধ্যমকে জানান, ভাঙ্গা-নড়াইল-যশোর অংশের নির্মাণকাজ প্রায় শেষ। কাজের অংশ হিসেবে দুই দিন ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত বিভিন্ন গতিতে ট্রেন চালিয়ে নির্মাণ অবস্থা পরীক্ষা করা হবে। আসছে জুনে এ রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হবে।

রেলভবন সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অর্থায়নে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে গ্রুপ (সিআরইসি) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত ব্রডগেজ রেলপথে ভাঙ্গা, কাশিয়ানী এবং যশোরের পদ্মবিলা ও সিঙ্গিয়াতে রেলওয়ে জংশন থাকছে। নগরকান্দা, মুকসুদপুর, মহেশপুর, লোহাগড়া, নড়াইল এবং যশোরের জামদিয়া ও রূপদিয়াতে রেলস্টেশন হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রেলওয়ের স্বপ্ন জয় : ভাঙ্গা-যশোর রেলপথে হুইসেল বাজবে আজ

আপডেট সময় : ০৪:৪২:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মার্চ ২০২৪

 

ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে যশোর পর্যন্ত প্রায় ১৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন রেলপথ নির্মাণের প্রকল্পটি ২০১৬ সালের ৩ মে একনেকে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প নামে অনুমোদন হয়। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ নামে প্রকল্পের ঢাকা-ভাঙ্গা রেলপথে গেল বছর থেকেই কাজ শেষে ট্রেন চলাচল করছে।

রেল ভবন সূত্রের খবর, ঢাকা-যশোর রেলপথের ভাঙ্গা পর্যন্ত এরই মধ্যে ট্রেন চলাচল করছে। প্রকল্পের শেষ অংশ ভাঙ্গা থেকে যশোর। দৈর্ঘ্য ৮৭ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। মাঠপর্যায়ে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালে। প্রকল্পটি শেষের মেয়াদ ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত।

প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩৪ হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা। বর্তমানে এ প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা। প্রকল্পটি সরকারের অগ্রাধিকার তালিকাভুক্ত।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালট্যান্ট (সিএসসি) বিভাগ থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৩০ ও ৩১ মার্চ (শনি ও রোববার) ভাঙ্গা রেলস্টেশন থেকে রূপদিয়া রেলস্টেশন পর্যন্ত উচ্চগতিতে (১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়) পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচল করবে। এ সময় রেললাইনের ওপর জনসাধারণের চলাচল সম্পূর্ণ নিষেধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ।

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবু ইউছুফ মো. শামীম সংবাদমাধ্যমকে জানান, ভাঙ্গা-নড়াইল-যশোর অংশের নির্মাণকাজ প্রায় শেষ। কাজের অংশ হিসেবে দুই দিন ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত বিভিন্ন গতিতে ট্রেন চালিয়ে নির্মাণ অবস্থা পরীক্ষা করা হবে। আসছে জুনে এ রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হবে।

রেলভবন সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অর্থায়নে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে গ্রুপ (সিআরইসি) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত ব্রডগেজ রেলপথে ভাঙ্গা, কাশিয়ানী এবং যশোরের পদ্মবিলা ও সিঙ্গিয়াতে রেলওয়ে জংশন থাকছে। নগরকান্দা, মুকসুদপুর, মহেশপুর, লোহাগড়া, নড়াইল এবং যশোরের জামদিয়া ও রূপদিয়াতে রেলস্টেশন হচ্ছে।