ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ঝিনাইদহে সংরক্ষিত নারী আসনে তহুরা  খাতুনকে ঘিরে তৃণমূলের প্রত্যাশা Logo নওগাঁর ঠাকুরমান্দার ২শ বছরের পূরনো রাজখাড়া দেবত্তোর ষ্টেটের শ্রী শ্রী জয় কালি মাতা মন্দির ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের পরিদর্শন Logo সদর মডেল থানা ও রামু থানায় ১৪ ছিনতাইকারী গ্রেফতার Logo এপেক্স বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন নুরুল আমিন চৌধুরী Logo জনভোগান্তি কমাতে প্রশাসনের জোর তৎপরতা, সচেতনতার আহ্বান Logo ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐকমত্যের ডাক দিলেন তানিয়া রব Logo মানিকগঞ্জে পেটে লাথি মেরে ভ্রূণ হত্যার অভিযোগ Logo তারাকান্দায় বসতবাড়ি সংলগ্ন মাটি খনন করায় বসতবাড়ি ধসে যাওয়ার শঙ্কা Logo বলাৎকারের খবর প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের নামে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের মামলা Logo তারাকান্দায় ফখরুদ্দিন হত্যার জেরে ধরে বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট

শরীয়তপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন সরদার এ কে এম নাসির উদ্দিন

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ৭০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে।  রোববার এ নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব-১ জাহিদুল ইসলাম রনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে শরীয়তপুর জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সরদার এ কে এম নাসির উদ্দিন।

সরদার এ কে এম নাসির উদ্দিন শরীয়তপুর সদর উপজেলার বিনোদপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর পিতা মরহুম হোসেন আলী সরদার। তিনি তৎকালীন ফরিদপুর-১৪ ও শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে সরদার এ কে এম নাসির উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয়। ১৯৭৭ সালে তিনি বিনোদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন ফরিদপুর-১৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

১৯৮৪ সালে তিনি পুনরায় বিনোদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে ১৯৮৫ সালে শরীয়তপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সালের তৃতীয় ও ১৯৮৮ সালের চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে শরীয়তপুর-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একই সময়ে ১৯৮৮ সালে তিনি সংসদ সদস্য থাকার পাশাপাশি শরীয়তপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯১ সালে তিনি পুনরায় বিএনপিতে যোগ দেন এবং ওই বছরের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-১ আসনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন। পরে ২০০৫ সালে শরীয়তপুর পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন তিনি। ২০০৮ সালের পৌরসভা নির্বাচনে পরাজিত হলেও ২০১৫ সালে আবারও শরীয়তপুর পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে শরীয়তপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তিনি জয়ী হতে পারেননি। সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ওই আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। তবে দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় তার সমর্থকেরা সড়ক অবরোধ ও মশাল মিছিল কর্মসূচি পালন করে সারাদেশে আলোচনায় আসে। নতুন করে জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শরীয়তপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন সরদার এ কে এম নাসির উদ্দিন

আপডেট সময় :

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে।  রোববার এ নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব-১ জাহিদুল ইসলাম রনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে শরীয়তপুর জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সরদার এ কে এম নাসির উদ্দিন।

সরদার এ কে এম নাসির উদ্দিন শরীয়তপুর সদর উপজেলার বিনোদপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর পিতা মরহুম হোসেন আলী সরদার। তিনি তৎকালীন ফরিদপুর-১৪ ও শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে সরদার এ কে এম নাসির উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয়। ১৯৭৭ সালে তিনি বিনোদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন ফরিদপুর-১৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

১৯৮৪ সালে তিনি পুনরায় বিনোদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে ১৯৮৫ সালে শরীয়তপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সালের তৃতীয় ও ১৯৮৮ সালের চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে শরীয়তপুর-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একই সময়ে ১৯৮৮ সালে তিনি সংসদ সদস্য থাকার পাশাপাশি শরীয়তপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯১ সালে তিনি পুনরায় বিএনপিতে যোগ দেন এবং ওই বছরের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-১ আসনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন। পরে ২০০৫ সালে শরীয়তপুর পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন তিনি। ২০০৮ সালের পৌরসভা নির্বাচনে পরাজিত হলেও ২০১৫ সালে আবারও শরীয়তপুর পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে শরীয়তপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তিনি জয়ী হতে পারেননি। সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ওই আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। তবে দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় তার সমর্থকেরা সড়ক অবরোধ ও মশাল মিছিল কর্মসূচি পালন করে সারাদেশে আলোচনায় আসে। নতুন করে জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।