ঢাকা ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪

সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হলেন শামীম তালুকদার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৬:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মার্চ ২০২৪ ১১৯ বার পড়া হয়েছে

শামীম তালুকদার লাবু ছবি সংগ্রহ

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের উপনির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন, শামীম তালুকদার। তিনি সিরাজগঞ্জের প্রবীণ রাজনীতিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত মরহুম মোতাহার হোসেন তালুকদারের ছোট ছেলে এবং সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামরখন্দ) আসনের এমপি ড. জান্নাত আরা হেনরীর স্বামী।

তিনি ৬৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। শনিবার (৯ মার্চ) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিরাজগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম।

নির্বাচনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি মকবুল হোসেন মুকুলের সঙ্গে। তিনি পেয়েছেন ৫০৬ ভোট।

অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান, অ্যাডভোকেট মু. শওকত আলী সেলিম, কাজিপুর উপজেলা আ. লীগের সভাপতি রেফাজ উদ্দিন ও আব্দুর রহমান।

এ নির্বাচনে জেলার ৭টি পৌরসভা, ৯টি উপজেলা ও ৮৩ ইউনিয়নের মোট ১১৯৬ জন ভোটারের মধ্যে ১১৯১জন ভোটার ইভিএময়ের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আব্দুল লতিফ বিশ্বাস পদত্যাগ করলে আসনটি শূন্য হয়। সবশেষ ২০২২ সালের ১৭ অক্টোবর এ জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হলেন শামীম তালুকদার

আপডেট সময় : ০৬:৩৬:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মার্চ ২০২৪

 

সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের উপনির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন, শামীম তালুকদার। তিনি সিরাজগঞ্জের প্রবীণ রাজনীতিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত মরহুম মোতাহার হোসেন তালুকদারের ছোট ছেলে এবং সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামরখন্দ) আসনের এমপি ড. জান্নাত আরা হেনরীর স্বামী।

তিনি ৬৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। শনিবার (৯ মার্চ) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিরাজগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম।

নির্বাচনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি মকবুল হোসেন মুকুলের সঙ্গে। তিনি পেয়েছেন ৫০৬ ভোট।

অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান, অ্যাডভোকেট মু. শওকত আলী সেলিম, কাজিপুর উপজেলা আ. লীগের সভাপতি রেফাজ উদ্দিন ও আব্দুর রহমান।

এ নির্বাচনে জেলার ৭টি পৌরসভা, ৯টি উপজেলা ও ৮৩ ইউনিয়নের মোট ১১৯৬ জন ভোটারের মধ্যে ১১৯১জন ভোটার ইভিএময়ের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আব্দুল লতিফ বিশ্বাস পদত্যাগ করলে আসনটি শূন্য হয়। সবশেষ ২০২২ সালের ১৭ অক্টোবর এ জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।