নোয়াখালীতে আনসার ভিডিপি ব্যাংকে জালিয়াতি
অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ব্যবস্থাপক গ্রেপ্তার
- আপডেট সময় : ১৯ বার পড়া হয়েছে
নামে-বেনামে ঋণ বিতরণের কথা উল্লেখ করে ১০ কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাৎ করে আত্মগোপনে থাকা আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক এর সেনবাগ ও দত্তেরহাট শাখার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গত শনিবার চট্টগ্রামের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে র্যাব সদস্যরা তাকে দুদক নোয়াখালী কার্যালয়ের তদন্ত টিমের কাছে হস্তান্তর করেন।
দুদক জানায়, ব্যাংকটির সেনবাগ ও দত্তেরহাট শাখা থেকে আলমগীর হোসেন ভুয়া এনআইডি, ভুয়া মোবাইল নম্বর ও অস্থিত গ্রাহকের নামে ঋণ তুলে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেন। অধিকাংশ গ্রাহক বাস্তবে নেই, আর প্রকৃত গ্রাহকদের অগোচরে তাদের নামে ঋণ তোলা হয়েছে।
গত ২০ অক্টোবর দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিট অভিযান চালিয়ে রেকর্ডপত্র সংগ্রহ ও যাচাই করে অসংখ্য অনিয়ম ও জালিয়াতির প্রমাণ পায়। ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তেও একই ফলাফল ওঠে আসে।
এর ভিত্তিতে নোয়াখালী স্পেশাল সিনিয়র জজ আদালতে দুদক পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে। চলতি বছরের অক্টোবরেই এই মামলা দুটি দায়ের হয়, যার একটিতে প্রায় ৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
দুদক নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ফারুক আহমেদ বলেন, “ব্যাংকের দুটি শাখা থেকে ৯ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগে আলমগীরের বিরুদ্ধে দুটি মামলা রয়েছে। তাকে র্যাবের সহায়তায় গ্রেপ্তারের পর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।”
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর নোয়াখালী জেলার উপপরিচালক ও জেলা কমান্ড্যান্ট মো. সুজন মিয়া বলেন,
“আমাদের বিভিন্ন সদস্যের নামে ঋণ দেখিয়ে আলমগীর হোসেন অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। বিষয়টি দুদক ও ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তে উঠে এসেছে।”
গ্রেপ্তার আলমগীর হোসেনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। দুদকের তদন্ত চলছে, এবং নতুন তথ্য মিললে মামলার পরিধি আরও বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।



















