ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫

ডিসিদের প্রধান উপদেষ্টা 

কারো ধমক শুনবেন না

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:৪০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১০২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কাজের ক্ষেত্রে কারো রক্তচক্ষু বা ধমক আমলে না নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস মাঠ প্রশাসনকে আইন অনুযায়ী দেশের জন্য কাজ করতে বলেছেন। গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের শাপলা হলে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, কারও রক্তচক্ষুর কারণে, কারো ধমকের কারণে কোনো কাজ করার প্রয়োজন নাই। অন্তত এ (অন্তর্বর্তী সরকারের) সময় টুকুতে। আমি নিজের মতো করে যেটাই আইন, যেটা দেশের জন্য করা দরকার সেটা করবো। সে কাজেই আমি ব্যস্ত থাকবো যাতে আমি করতে পারি। সরকার মানেই হয়রানি এ ধারণা উল্টে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিনা কারণে মানুষকে হয়রানি করা হয়। হয়রানি করাটাই যেন আমাদের ধর্ম! সরকার মানেই মানুষকে হয়রানি এটাকে উল্টে দাও। সরকার ভিন্ন জিনিস, আপনার অধিকার আপনার দরজায় পৌঁছে দেওয়া আমাদের কাজ। এটাই যেন আমরা স্মরণ রাখি। দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আমরা যেহেতু এমন পরিস্থিতিতে এসেছি, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা মস্ত বড় ইস্যু হয়ে গেল। এটাতে আমরা কে কী পরিমাণে অগ্রসর হলাম, কী করণীয় এটা এক নম্বর বিবেচ্য বিষয়। আইন-শৃঙ্খলায় আমরা যেন বিফল না হই, কারণ এটাতে আমাদের সমস্ত অর্জন সফলভাবে অর্জিত হতে বা বিফলতায় পর্যবসিত হতে পারে। সেটাই নিয়ে এই সম্মেলনে আলোচনা হোক। ফিরে যাওয়ার পর যেন এটা বোঝার মধ্যে কোনো গলদ না থাকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ডিসিদের প্রধান উপদেষ্টা 

কারো ধমক শুনবেন না

আপডেট সময় : ১২:৪০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

কাজের ক্ষেত্রে কারো রক্তচক্ষু বা ধমক আমলে না নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস মাঠ প্রশাসনকে আইন অনুযায়ী দেশের জন্য কাজ করতে বলেছেন। গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের শাপলা হলে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, কারও রক্তচক্ষুর কারণে, কারো ধমকের কারণে কোনো কাজ করার প্রয়োজন নাই। অন্তত এ (অন্তর্বর্তী সরকারের) সময় টুকুতে। আমি নিজের মতো করে যেটাই আইন, যেটা দেশের জন্য করা দরকার সেটা করবো। সে কাজেই আমি ব্যস্ত থাকবো যাতে আমি করতে পারি। সরকার মানেই হয়রানি এ ধারণা উল্টে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিনা কারণে মানুষকে হয়রানি করা হয়। হয়রানি করাটাই যেন আমাদের ধর্ম! সরকার মানেই মানুষকে হয়রানি এটাকে উল্টে দাও। সরকার ভিন্ন জিনিস, আপনার অধিকার আপনার দরজায় পৌঁছে দেওয়া আমাদের কাজ। এটাই যেন আমরা স্মরণ রাখি। দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আমরা যেহেতু এমন পরিস্থিতিতে এসেছি, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা মস্ত বড় ইস্যু হয়ে গেল। এটাতে আমরা কে কী পরিমাণে অগ্রসর হলাম, কী করণীয় এটা এক নম্বর বিবেচ্য বিষয়। আইন-শৃঙ্খলায় আমরা যেন বিফল না হই, কারণ এটাতে আমাদের সমস্ত অর্জন সফলভাবে অর্জিত হতে বা বিফলতায় পর্যবসিত হতে পারে। সেটাই নিয়ে এই সম্মেলনে আলোচনা হোক। ফিরে যাওয়ার পর যেন এটা বোঝার মধ্যে কোনো গলদ না থাকে।