ঢাকা ১০:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

কিশোরগঞ্জের নরসুন্দা নদী দখলমুক্ত করতে এমপির নির্দেশ

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৪২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কিশোরগঞ্জ-১(কিশোরগঞ্জ-হোসেনপুর) আসনের এমপি মাজহারুল ইসলাম জেলা শহরের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত নরসুন্দা নদীকে দখলমুক্ত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। গত শনিবার(২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তিনি নদীর দখলকৃত বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন। শহরের পুরান থানা এলাকায় নরসুন্দা নদী দখল করে হুমায়ুন কবীর ও মকবুল মিয়া নামে দুই ব্যক্তি অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করার একটি চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়। পরে শনিবার এমপি মাজহারুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে অভিযুক্তদের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য দুইদিনের আল্টিমেটাম দেন। অন্যথায় প্রশাসনের মাধ্যমে তা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন। এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, নদী দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা গুরুতর অপরাধ। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে নদীর জমি ভরাট কিংবা স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ দেওয়া হবে না। দ্রুত সময়ের মধ্যে দখলকারীদের চিহ্নিত করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও অস্তিÍব রক্ষায় সবধরনের অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে। তিনি আরও বলেন, নদী রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। দ্রুত নদী খননের মাধ্যমে পানিপ্রবাহ সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। ভবিষ্যতে যাতে কেউ নদী দখল করতে না পারে সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কিশোরগঞ্জের নরসুন্দা নদী দখলমুক্ত করতে এমপির নির্দেশ

আপডেট সময় :

কিশোরগঞ্জ-১(কিশোরগঞ্জ-হোসেনপুর) আসনের এমপি মাজহারুল ইসলাম জেলা শহরের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত নরসুন্দা নদীকে দখলমুক্ত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। গত শনিবার(২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তিনি নদীর দখলকৃত বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন। শহরের পুরান থানা এলাকায় নরসুন্দা নদী দখল করে হুমায়ুন কবীর ও মকবুল মিয়া নামে দুই ব্যক্তি অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করার একটি চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়। পরে শনিবার এমপি মাজহারুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে অভিযুক্তদের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য দুইদিনের আল্টিমেটাম দেন। অন্যথায় প্রশাসনের মাধ্যমে তা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন। এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, নদী দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা গুরুতর অপরাধ। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে নদীর জমি ভরাট কিংবা স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ দেওয়া হবে না। দ্রুত সময়ের মধ্যে দখলকারীদের চিহ্নিত করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও অস্তিÍব রক্ষায় সবধরনের অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে। তিনি আরও বলেন, নদী রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। দ্রুত নদী খননের মাধ্যমে পানিপ্রবাহ সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। ভবিষ্যতে যাতে কেউ নদী দখল করতে না পারে সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে।