ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

গোবিন্দগঞ্জে দশম শ্রেনীর ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ, লজ্জায় আত্মহত্যা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ২১১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে দশম শ্রেনীর ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ, লজ্জায় আত্মহত্যা করেছে। ভুক্তভোগী পিতা আনিছুর রহমান বাদী হয়ে তিন জনকে আসামী করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শালমারা ইউনিয়নে আনিছুর রহমানের কন্যা, একই গ্রামের জুয়েল মিয়ার ছেলে জিহাদ মিয়া একই বিদ্যালয়ে ১০ম শ্রেনীতে পড়ত। এই সুবাদে নাবালিকা মেয়ের সঙ্গে প্রেম ভালোবাসা সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যেত, তাকে ফুসলাইয়া বিয়ের প্রলোভনে ফেলে শারীরিক সম্পর্ক দৌহিক মেলামেশা করত। তার মেয়ে তিন মাস অন্তঃসত্তা হইয়া পড়িলে বিষয়টি পরিবারবর্গে মধ্যে জানা জানি হলে পরে এলাকাবাসীর মধ্যে ঘটনা জানাজানি হয়। তারপর তার মেয়ে কে বিবাহ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করিলে তার মেয়ের কথায় রাজি না হইয়া আসামী জুয়েল মিয়া ও ডলি বেগমের কথামতে কুপরামর্শে তার মেয়ে গর্ভের সন্তান নষ্ট করিতে বলে, বিবাহ করিতে অসম্মতি জানায় এবং আত্মহত্যার প্ররোচনা দেয়। গত শুক্রবার ২টা সময় তার মেয়ে ঘরে ভিতর গিয়ে লজ্জায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।
এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম জানান, এজাহার পেয়েছি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গোবিন্দগঞ্জে দশম শ্রেনীর ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ, লজ্জায় আত্মহত্যা

আপডেট সময় :

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে দশম শ্রেনীর ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ, লজ্জায় আত্মহত্যা করেছে। ভুক্তভোগী পিতা আনিছুর রহমান বাদী হয়ে তিন জনকে আসামী করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শালমারা ইউনিয়নে আনিছুর রহমানের কন্যা, একই গ্রামের জুয়েল মিয়ার ছেলে জিহাদ মিয়া একই বিদ্যালয়ে ১০ম শ্রেনীতে পড়ত। এই সুবাদে নাবালিকা মেয়ের সঙ্গে প্রেম ভালোবাসা সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যেত, তাকে ফুসলাইয়া বিয়ের প্রলোভনে ফেলে শারীরিক সম্পর্ক দৌহিক মেলামেশা করত। তার মেয়ে তিন মাস অন্তঃসত্তা হইয়া পড়িলে বিষয়টি পরিবারবর্গে মধ্যে জানা জানি হলে পরে এলাকাবাসীর মধ্যে ঘটনা জানাজানি হয়। তারপর তার মেয়ে কে বিবাহ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করিলে তার মেয়ের কথায় রাজি না হইয়া আসামী জুয়েল মিয়া ও ডলি বেগমের কথামতে কুপরামর্শে তার মেয়ে গর্ভের সন্তান নষ্ট করিতে বলে, বিবাহ করিতে অসম্মতি জানায় এবং আত্মহত্যার প্ররোচনা দেয়। গত শুক্রবার ২টা সময় তার মেয়ে ঘরে ভিতর গিয়ে লজ্জায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।
এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম জানান, এজাহার পেয়েছি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।