ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬

গোবিন্দগঞ্জে মিথ্যা মামলার অভিযোগ, ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একের পর এক মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবার বলছে, আদালতে চলমান মামলা ও শালিশে হওয়া লিখিত চুক্তি অমান্য করে প্রতিপক্ষ পরিকল্পিতভাবে ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করছে।
ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ গ্রামের বাসিন্দা সোলাইমান গং গত ডিসেম্বর ২০২১ সালে জমি সংক্রান্ত বিরোধে দুলা গংয়ের বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতে ৬০৭ নম্বর মামলা দায়ের করেন। মামলা চলমান থাকা অবস্থায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে শালিশের মাধ্যমে ১.২৫ শতক জমি মূল্য বাবদ ৩ লাখ ২০ হাজার টাকায় বুঝিয়ে দিতে লিখিত চুক্তি হয়।
চুক্তি অনুযায়ী সোলাইমান গং সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করলেও বিবাদীপক্ষ জমি বুঝিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে জমিতে গেলে সোলাইমান গংকে মারধর করা হয় । এ ঘটনায় গত ১১ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে গোবিন্দগঞ্জ থানায় ৪৭২/২৫ নম্বর একটি মামলা দায়ের করা হয়।
পরবর্তীতে শান্তি রক্ষার উদ্দেশ্যে গাইবান্ধা আদালতে ৭ ধারায় মামলা করেন সোলাইমান গং। তবে ওই মামলা চলমান থাকা অবস্থায় বিবাদীপক্ষ আদালতে হাজিরা না দিয়ে ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে নিজেরাই নিজেদের দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করে।
এ ঘটনায় গত ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ফজলে রাব্বী শেখ বাদী হয়ে সোলাইমান গংয়ের বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ থানায় নতুন করে একটি এজাহার দায়ের করেন। মামলাটি ১২ ডিসেম্বর রজু হয়, মামলা নম্বর ১৩/২০২৫ । ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোমিনুল কোনো প্রকার তদন্ত ছাড়াই অর্থের বিনিময়ে মামলাটি রুজু করেছেন।
এছাড়া ৪৭২/২৫ নম্বর মামলায় ভুক্তভোগীর মাথায় পাঁচটি সেলাই থাকলেও মামলার প্রতিবেদনে ৩২৬ ধারার উল্লেখ না করে প্রতিবেদন দাখিল করে। অনৈতিক সুবিধা নিয়ে এস আই মমিনুল মাত্র ১৭ দিনের মধ্যে মামলার প্রতিবেদন দাখিল করে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, তারা ভাঙচুর ও মারধরের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না, অথচ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের নামে মামলা দেওয়া হয়েছে। এসব মামলা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও প্রতিশোধমূলক বলে দাবি করেন তারা।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের জোর দাবি জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গোবিন্দগঞ্জে মিথ্যা মামলার অভিযোগ, ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় :

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একের পর এক মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবার বলছে, আদালতে চলমান মামলা ও শালিশে হওয়া লিখিত চুক্তি অমান্য করে প্রতিপক্ষ পরিকল্পিতভাবে ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করছে।
ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ গ্রামের বাসিন্দা সোলাইমান গং গত ডিসেম্বর ২০২১ সালে জমি সংক্রান্ত বিরোধে দুলা গংয়ের বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতে ৬০৭ নম্বর মামলা দায়ের করেন। মামলা চলমান থাকা অবস্থায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে শালিশের মাধ্যমে ১.২৫ শতক জমি মূল্য বাবদ ৩ লাখ ২০ হাজার টাকায় বুঝিয়ে দিতে লিখিত চুক্তি হয়।
চুক্তি অনুযায়ী সোলাইমান গং সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করলেও বিবাদীপক্ষ জমি বুঝিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে জমিতে গেলে সোলাইমান গংকে মারধর করা হয় । এ ঘটনায় গত ১১ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে গোবিন্দগঞ্জ থানায় ৪৭২/২৫ নম্বর একটি মামলা দায়ের করা হয়।
পরবর্তীতে শান্তি রক্ষার উদ্দেশ্যে গাইবান্ধা আদালতে ৭ ধারায় মামলা করেন সোলাইমান গং। তবে ওই মামলা চলমান থাকা অবস্থায় বিবাদীপক্ষ আদালতে হাজিরা না দিয়ে ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে নিজেরাই নিজেদের দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করে।
এ ঘটনায় গত ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ফজলে রাব্বী শেখ বাদী হয়ে সোলাইমান গংয়ের বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ থানায় নতুন করে একটি এজাহার দায়ের করেন। মামলাটি ১২ ডিসেম্বর রজু হয়, মামলা নম্বর ১৩/২০২৫ । ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোমিনুল কোনো প্রকার তদন্ত ছাড়াই অর্থের বিনিময়ে মামলাটি রুজু করেছেন।
এছাড়া ৪৭২/২৫ নম্বর মামলায় ভুক্তভোগীর মাথায় পাঁচটি সেলাই থাকলেও মামলার প্রতিবেদনে ৩২৬ ধারার উল্লেখ না করে প্রতিবেদন দাখিল করে। অনৈতিক সুবিধা নিয়ে এস আই মমিনুল মাত্র ১৭ দিনের মধ্যে মামলার প্রতিবেদন দাখিল করে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, তারা ভাঙচুর ও মারধরের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না, অথচ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের নামে মামলা দেওয়া হয়েছে। এসব মামলা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও প্রতিশোধমূলক বলে দাবি করেন তারা।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের জোর দাবি জানানো হয়েছে।