ঢাকা ০৯:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

গোবিন্দগঞ্জে স্কুল শিক্ষিকার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৬৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধর গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার চক গোবিন্দ এলাকায় গতকাল শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি)/২০২৬ দুপুর আড়াইটার দিকে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা শামসুন্নাহার রুমা (৪৫) হাত‑পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।মৃত শিক্ষিকা চণ্ডিপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং ওই একই বাড়িতে একাই বসবাস করতেন।
স্থানীয়রা জানান, দুপুর গড়িয়ে গেলেও বাড়ি থেকে কোনো সাড়া‑শব্দ না পাওয়ায় তাদের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি হয়। পাশের বাড়ির এক প্রতিবেশী নারী দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলে রুমাকে মেঝেতে হাত‑পা ও মুখ বেঁধে নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো ছিল, যা তদন্তকারীদের মনে রহস্য জাগাচ্ছে।
গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোজাম্মেল হক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন,পুলিশ প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, সুরতহাল করা এবং ফরেনসিক অনুসন্ধান শুরু করেছে। মৃতের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড নাকি ডাকাতির চেষ্টা বা অন্য কোনো অনৈতিক প্ররোচনা– তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিলেও এ ঘটনাটি গোবিন্দগঞ্জ ও সমগ্র গাইবান্ধা জেলায় প্রবল শোক ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বরাবরের মতো নারীর বিরুদ্ধে সহিংস অপরাধের ঘটনা বহুসংখ্যক হওয়ার ফলে নিরাপত্তা নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে সতর্কতা ও সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধির দাবি সামনে এসেছে।স্থানীয়রা জানান, গত এক মাস আগে একই বাড়িতে চুরির একটি ঘটনা ঘটেছিল, যা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কোনো সম্প্রতিক প্রেক্ষাপট থাকতে পারে কি না, পুলিশ সেটিও যাচাই করছে। তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, মৃত্যুর কারণ ও ঘটনাস্থলের বিভিন্ন দিক উদ্ধার ও বিশ্লেষণের পরই রহস্যের পর্দা ধীরে ধীরে উঠে আসবে।
পরিবার ও গণমাধ্যমের দৃষ্টি এখন নিরাপদ ও দ্রুত অনুসন্ধান, দোষীদের শনাক্তকরণ এবং আইনানুগ শাস্তি নিশ্চিতকরণের ওপর কেন্দ্রীভূত যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের নৃশংস ঘটনা পুনরায় না ঘটে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গোবিন্দগঞ্জে স্কুল শিক্ষিকার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় :

গাইবান্ধর গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার চক গোবিন্দ এলাকায় গতকাল শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি)/২০২৬ দুপুর আড়াইটার দিকে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা শামসুন্নাহার রুমা (৪৫) হাত‑পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।মৃত শিক্ষিকা চণ্ডিপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং ওই একই বাড়িতে একাই বসবাস করতেন।
স্থানীয়রা জানান, দুপুর গড়িয়ে গেলেও বাড়ি থেকে কোনো সাড়া‑শব্দ না পাওয়ায় তাদের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি হয়। পাশের বাড়ির এক প্রতিবেশী নারী দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলে রুমাকে মেঝেতে হাত‑পা ও মুখ বেঁধে নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো ছিল, যা তদন্তকারীদের মনে রহস্য জাগাচ্ছে।
গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোজাম্মেল হক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন,পুলিশ প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, সুরতহাল করা এবং ফরেনসিক অনুসন্ধান শুরু করেছে। মৃতের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড নাকি ডাকাতির চেষ্টা বা অন্য কোনো অনৈতিক প্ররোচনা– তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিলেও এ ঘটনাটি গোবিন্দগঞ্জ ও সমগ্র গাইবান্ধা জেলায় প্রবল শোক ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বরাবরের মতো নারীর বিরুদ্ধে সহিংস অপরাধের ঘটনা বহুসংখ্যক হওয়ার ফলে নিরাপত্তা নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে সতর্কতা ও সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধির দাবি সামনে এসেছে।স্থানীয়রা জানান, গত এক মাস আগে একই বাড়িতে চুরির একটি ঘটনা ঘটেছিল, যা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কোনো সম্প্রতিক প্রেক্ষাপট থাকতে পারে কি না, পুলিশ সেটিও যাচাই করছে। তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, মৃত্যুর কারণ ও ঘটনাস্থলের বিভিন্ন দিক উদ্ধার ও বিশ্লেষণের পরই রহস্যের পর্দা ধীরে ধীরে উঠে আসবে।
পরিবার ও গণমাধ্যমের দৃষ্টি এখন নিরাপদ ও দ্রুত অনুসন্ধান, দোষীদের শনাক্তকরণ এবং আইনানুগ শাস্তি নিশ্চিতকরণের ওপর কেন্দ্রীভূত যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের নৃশংস ঘটনা পুনরায় না ঘটে।