ঢাকা ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গোলাপগঞ্জে কুশিয়ারায় ভয়াবহ ভূমিধস

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৩০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিলেটের গোলাপগঞ্জে আকস্মিক ভূমিধসে অন্তত ১৫ থেকে ২০টি পরিবারের বসতঘর কুশিয়ারা নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। গত মঙ্গলবার বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ফতেহপুর গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের ঝুঁকিতে থাকা নদীতীরবর্তী কয়েকটি বাড়ি হঠাৎ করেই ধসে নদীতে তলিয়ে যায়। এতে মুহূর্তেই নিঃস্ব হয়ে পড়েন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। অনেকেই ঘরের আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী উদ্ধার করার সুযোগ পাননি।
ঘটনার পর মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হলে এলাকাবাসী দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা ঝুঁকিতে থাকা আশপাশের বাড়িঘর থেকে মালামাল নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে সহায়তা করেন। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে ভাঙনরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা জরুরি। উল্লেখ্য, কুশিয়ারা নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে প্রায়ই ভাঙনের ঘটনা ঘটে, ফলে প্রতিবছর বহু পরিবার ক্ষতির মুখে পড়ে।
এ বিষয়ে গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা বিষয়টি এখনো জানতাম না। এখন অবগত হয়েছি। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গোলাপগঞ্জে কুশিয়ারায় ভয়াবহ ভূমিধস

আপডেট সময় :

সিলেটের গোলাপগঞ্জে আকস্মিক ভূমিধসে অন্তত ১৫ থেকে ২০টি পরিবারের বসতঘর কুশিয়ারা নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। গত মঙ্গলবার বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ফতেহপুর গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের ঝুঁকিতে থাকা নদীতীরবর্তী কয়েকটি বাড়ি হঠাৎ করেই ধসে নদীতে তলিয়ে যায়। এতে মুহূর্তেই নিঃস্ব হয়ে পড়েন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। অনেকেই ঘরের আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী উদ্ধার করার সুযোগ পাননি।
ঘটনার পর মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হলে এলাকাবাসী দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা ঝুঁকিতে থাকা আশপাশের বাড়িঘর থেকে মালামাল নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে সহায়তা করেন। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে ভাঙনরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা জরুরি। উল্লেখ্য, কুশিয়ারা নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে প্রায়ই ভাঙনের ঘটনা ঘটে, ফলে প্রতিবছর বহু পরিবার ক্ষতির মুখে পড়ে।
এ বিষয়ে গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা বিষয়টি এখনো জানতাম না। এখন অবগত হয়েছি। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।