ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শেরপুরে কেন্দ্রে কেন্দ্রে যাচ্ছে ব্যালটসহ ভোটের উপকরণ Logo সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর প্রস্তুতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানে আনসার-ভিডিপি Logo নির্বাচনী মাঠে তৎপর আনসার বাহিনীর ১,১৯১টি স্ট্রাইকিং টিম Logo কাঁঠালিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধে, আহত-৭ Logo শাল্লায় জালিয়াতি করে জলমহাল দখল চেষ্টার অভিযোগ Logo বাগেরহাটে নির্বাচন থেকে সরে দাড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী Logo মাগুরায় দুই আসনে ৭ দলের ১১ প্রার্থী Logo ২য় পদ্মা সেতু ও নদী শাসন ইসু প্রভাব ফেলবে গোয়ালন্দের ভোটের হিসেবে Logo ‘এবার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কোনো সুযোগ নেই’ Logo পেঁয়াজের সাদা ফুলে নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন গোয়ালন্দের চাষিরা

ট্রেন টিকিটের রেয়াতিমূল্য বাতিল হচ্ছে, গুণতে হবে পুরো টাকা

আমিনুল হক ভূইয়া
  • আপডেট সময় : ৪০৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

পূর্বাঞ্চল রেলে গড়ে ১২০ থেকে ২১৬ টাকা এবং পশ্চিমাঞ্চলের টিকিটে ১২০ থেকে ৩০০ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হবে। লোকসান কমাতেই টিকিটের মূল্যছাড় বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাতে রেলের কোষাগারে আসবে ৩০০ কোটি টাকা

ট্রেনের টিকিটে রেয়াতিমূল্যের সুবিধা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলভবন। ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে ভ্রমণকারী যাত্রী টিকিটে যে রেয়াত তথা ছাড় দেওয়া হতো তা আর দেওয়া হবে না। ফলে ১০০ কিলোমিটার বা তার বেশি দূরত্বে যারা ভ্রমণ করবেন, তারা আর রেয়াতি সুবিধা পাবেন না।

ট্রেন টিকিটের রেয়াত তুলে নেওয়া হলে সাধারণ যাত্রীর ওপর স্বাভাবিকভাবেই চাপ পড়বে। এনিয়ে যাত্রীদের ২০ শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তি টাকা গুণতে হবে।

এ প্রসঙ্গে রেলওয়ে কর্মকর্তারা বলছেন, রেলের ভাড়া বাড়েনি। যাত্রীরা প্রতি টিকিটে যে রেয়াত সুবিধা ভোগ করে আসছিলেন, রেলওয়ে সেটি তুলে নিচ্ছে। সে ক্ষেত্রে ভাড়া বাড়ছে তা বলা যাবে না।

রেলওয়ে সূত্রের খবর, রেলওয়ে রেয়াতিমূল্য বাতিল হলে, ১০০ কিলোমিটারের পর ২৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত ভাড়া বাড়বে ২০ শতাংশ। ২৫১ থেকে ৪০০ কিলোমিটারে বাড়বে ২৫ শতাংশ এবং ৪০০ কিলোমিটারের ওপরে ভ্রমণ করলে ৩০ শতাংশ বেশি ভাড়া গুণতে হবে।

এ অবস্থায় পূর্বাঞ্চল রেলে গড়ে ১২০ থেকে ২১৬ টাকা এবং পশ্চিমাঞ্চলের টিকিটে ১২০ থেকে ৩০০ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হবে। লোকসান কমাতেই টিকিটের মূল্যছাড় বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাতে রেলের কোষাগারে আসবে ৩০০ কোটি টাকা।

অথচ ট্রেন পরিচালনায় স্বচ্ছতার পাশাপাশি দুর্নীতি থামনো গেলে টিকিটে রেয়াত প্রথা তুলে দিতে হতো। এ অবস্থায় সাদারণ মনুষের ওপর চাপ বাড়বে।

জানতে চাইলে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার তালুকদার গণমুক্তিকে বলেন, রেলের ভাড়া বাড়েনি। টিকিটে যে রেয়াত তথা মূল্যছাড়ের সুবিধা এতো রেলওয়ে দিয়ে আসছিলো, তা তুলে নেওয়া হচ্ছে।

তেল দাম বাড়ানো সত্ত্বেও রেলের ভাড়া হয়নি। সর্বশেষ ২০১৬ সালের ভাড়া বেড়েছিলো রেলে। এবারে রেয়াত বাতিল করা হচ্ছে, তাতে তো যাত্রীদের চাপ পরার কথা নয়।

ট্রেনের টিকিটের রেয়াত বাতিলের সিদ্ধান্ত যৌক্তিক মনে করছেন না নৌ সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশিষ কুম দে। তাঁর মতে ট্রেন পরিচালনার ক্ষেত্রে নানামুখী দুর্নীতির লাগাম টানা সম্ভব হলে টিকিটে রেয়াতি প্রথা বাতিল করতে হতো না।

কারণ ১০০ কিলোমিটার বা তার অতিরিক্ত মাইল পথ যারা ভ্রমণ করবেন, তাদেরতো বাড়তি ভাড়া গুণতেই হবে। সেক্ষেত্রে সাধারণ যাত্রীর ওপর বাড়তি চাপ পড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ট্রেন টিকিটের রেয়াতিমূল্য বাতিল হচ্ছে, গুণতে হবে পুরো টাকা

আপডেট সময় :

 

পূর্বাঞ্চল রেলে গড়ে ১২০ থেকে ২১৬ টাকা এবং পশ্চিমাঞ্চলের টিকিটে ১২০ থেকে ৩০০ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হবে। লোকসান কমাতেই টিকিটের মূল্যছাড় বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাতে রেলের কোষাগারে আসবে ৩০০ কোটি টাকা

ট্রেনের টিকিটে রেয়াতিমূল্যের সুবিধা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলভবন। ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে ভ্রমণকারী যাত্রী টিকিটে যে রেয়াত তথা ছাড় দেওয়া হতো তা আর দেওয়া হবে না। ফলে ১০০ কিলোমিটার বা তার বেশি দূরত্বে যারা ভ্রমণ করবেন, তারা আর রেয়াতি সুবিধা পাবেন না।

ট্রেন টিকিটের রেয়াত তুলে নেওয়া হলে সাধারণ যাত্রীর ওপর স্বাভাবিকভাবেই চাপ পড়বে। এনিয়ে যাত্রীদের ২০ শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তি টাকা গুণতে হবে।

এ প্রসঙ্গে রেলওয়ে কর্মকর্তারা বলছেন, রেলের ভাড়া বাড়েনি। যাত্রীরা প্রতি টিকিটে যে রেয়াত সুবিধা ভোগ করে আসছিলেন, রেলওয়ে সেটি তুলে নিচ্ছে। সে ক্ষেত্রে ভাড়া বাড়ছে তা বলা যাবে না।

রেলওয়ে সূত্রের খবর, রেলওয়ে রেয়াতিমূল্য বাতিল হলে, ১০০ কিলোমিটারের পর ২৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত ভাড়া বাড়বে ২০ শতাংশ। ২৫১ থেকে ৪০০ কিলোমিটারে বাড়বে ২৫ শতাংশ এবং ৪০০ কিলোমিটারের ওপরে ভ্রমণ করলে ৩০ শতাংশ বেশি ভাড়া গুণতে হবে।

এ অবস্থায় পূর্বাঞ্চল রেলে গড়ে ১২০ থেকে ২১৬ টাকা এবং পশ্চিমাঞ্চলের টিকিটে ১২০ থেকে ৩০০ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হবে। লোকসান কমাতেই টিকিটের মূল্যছাড় বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাতে রেলের কোষাগারে আসবে ৩০০ কোটি টাকা।

অথচ ট্রেন পরিচালনায় স্বচ্ছতার পাশাপাশি দুর্নীতি থামনো গেলে টিকিটে রেয়াত প্রথা তুলে দিতে হতো। এ অবস্থায় সাদারণ মনুষের ওপর চাপ বাড়বে।

জানতে চাইলে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার তালুকদার গণমুক্তিকে বলেন, রেলের ভাড়া বাড়েনি। টিকিটে যে রেয়াত তথা মূল্যছাড়ের সুবিধা এতো রেলওয়ে দিয়ে আসছিলো, তা তুলে নেওয়া হচ্ছে।

তেল দাম বাড়ানো সত্ত্বেও রেলের ভাড়া হয়নি। সর্বশেষ ২০১৬ সালের ভাড়া বেড়েছিলো রেলে। এবারে রেয়াত বাতিল করা হচ্ছে, তাতে তো যাত্রীদের চাপ পরার কথা নয়।

ট্রেনের টিকিটের রেয়াত বাতিলের সিদ্ধান্ত যৌক্তিক মনে করছেন না নৌ সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশিষ কুম দে। তাঁর মতে ট্রেন পরিচালনার ক্ষেত্রে নানামুখী দুর্নীতির লাগাম টানা সম্ভব হলে টিকিটে রেয়াতি প্রথা বাতিল করতে হতো না।

কারণ ১০০ কিলোমিটার বা তার অতিরিক্ত মাইল পথ যারা ভ্রমণ করবেন, তাদেরতো বাড়তি ভাড়া গুণতেই হবে। সেক্ষেত্রে সাধারণ যাত্রীর ওপর বাড়তি চাপ পড়বে।