তারাকান্দায় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে ক্রেতাশূন্য বাজার
- আপডেট সময় : ২৪ বার পড়া হয়েছে
ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় ১০ ইউনিয়নের মধ্যে সর্ব বৃহত্তম একটি বাজার। রমজানে প্রথম দিকে বাজারে চতুর্দিকে ছিল মানুষের ঘুম ঘুম আওয়াজ কলহল ছিল।
কিন্তু রমজানের বেশ কিছু দিন ধরে দেখা যাচ্ছে বাজারে ক্রেতাশূন্যতা। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে বাজারে দেখা দিয়েছে ক্রেতা সংকট।
জানা গেছে, গতকাল বুধবার তারাকান্দা বিশাল একটি হাটবাজার সেখানে দেখা যাচ্ছে ক্রেতাশূন্যতা।
ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান, মোঃ হাসান,আব্দুল রশিদ, নজরুল ইসলাম, আব্দুল কাদের, রহিম, করিম, জিয়াউল হক নোমান, আমিরুল ইসলামদের কাছে জিজ্ঞেস করে জানা যায় ঊর্ধ্ব গতিতে দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাওয়ার কারণে তাদের আমদানি করতে হয় অধিক অর্থ দিয়ে।ফলে বিক্রয় ও করতে হয় অধিক টাকার বিনিময়ে।
এদিকে দেখা দিয়েছে ক্রেতা সংকট ব্যবসাহীদের মুখের বারসো মতে কাঁচামাল দৈনিক বিক্রিয় না হলে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাতা থাকে।
ক্রেতা শূন্যতার কারণে ব্যবসায়ীদের মাঝে দেখা দিয়েছে হাহাকার।
অন্যদিকে ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায় নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়েছে অধিক। যা আমাদের কেনার সামর্থ্যের বাহিরে।
যেমন একবীরা ভালো পান কিনতে গেলে ১৮০- ২০০ টাকা লাগে, ১ কেজি পেঁয়াজ কিনতে গেলে
৬০ -৭০ টাকা লাগে, আলুর দাম ৬০ থেকে ৭০ টাকা, বেগুনের দাম ৮০ টাকা, সজনের দাম ২০০ টাকা কেজি, পাংকাস মাছ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি, অন্য অন্য মাছের দাম তো তুলনাই নেই।
কে যে ডাল কিনতে গেলে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা লাগে, চিনির দাম ১২০ থেকে ১৩০ টাকা পর্যন্ত। প্রতি লিটার তেলের দাম ২০০ থেকে ২২০ টাকা।
এক কেজি ডিমের দাম ৮০ টাকা, এক হালি লেবুর দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা।
এক কেজি গাজরের দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা। এক কেজি মটরশুটির দাম ২০০ টাকা।
নিম্ন আয়ের মানুষগুলো এত ঊর্ধ্বগতি দ্রব্যমূল্যের কারণে অনাহারে ভুগছে বলে জানা যায়।
এ কারণে সাধারণ জনগণের আনাগুলা কমে গেছে হাট বাজারে ।
















