ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ঝিনাইদহে সংরক্ষিত নারী আসনে তহুরা  খাতুনকে ঘিরে তৃণমূলের প্রত্যাশা Logo নওগাঁর ঠাকুরমান্দার ২শ বছরের পূরনো রাজখাড়া দেবত্তোর ষ্টেটের শ্রী শ্রী জয় কালি মাতা মন্দির ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের পরিদর্শন Logo সদর মডেল থানা ও রামু থানায় ১৪ ছিনতাইকারী গ্রেফতার Logo এপেক্স বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন নুরুল আমিন চৌধুরী Logo জনভোগান্তি কমাতে প্রশাসনের জোর তৎপরতা, সচেতনতার আহ্বান Logo ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐকমত্যের ডাক দিলেন তানিয়া রব Logo মানিকগঞ্জে পেটে লাথি মেরে ভ্রূণ হত্যার অভিযোগ Logo তারাকান্দায় বসতবাড়ি সংলগ্ন মাটি খনন করায় বসতবাড়ি ধসে যাওয়ার শঙ্কা Logo বলাৎকারের খবর প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের নামে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের মামলা Logo তারাকান্দায় ফখরুদ্দিন হত্যার জেরে ধরে বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট

নওগাঁয় কৃষক রক্ষায় পর্যাপ্ত হিমাগার স্থাপন করা পরামর্শ বাসদের

নওগাঁ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নওগাঁয় সমাজতান্ত্রিক ক্ষেত মজুর ও কৃষক ফ্রন্টের প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার বিকেলে নওগাঁ শহরের চকদেব কলেজপাড়ায় বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) অফিসে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিনিধি সভায় মঙ্গল কিসকুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক ক্ষেত মজুর ও কৃষক ফ্রন্টের সহ সভাপতি কমরেড ওয়াজেদ পারভেজ, জয়নাল আবেদীন মুকুল, সাধারন সম্পাদক কমরেড আব্দুল কুদ্দুস।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, রবিউল টুডু, স্বপন মন্ডল, জোৎস্না পাহান, ফারুক হোসেন, নীলিমা কর্মকার, অমল মহন্ত, ভদলু লাকড়াসহ প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, সার, বীজ ও কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণের দাম বেশী, বিক্রি করতে গেলে দাম কম। আলু চাষিরা আলুর দাম না পেয়ে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। অপর দিকে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে লুটপাট প্রক্রিয়া চালু রেখেছে। কৃষকদের ন্যায্য দাবী আদায়ে কমিটি করে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
সমাজতান্ত্রিক ক্ষেত মজুর ও কৃষক ফ্রন্টের সহ সভাপতি কমরেড ওয়াজেদ পারভেজ বলেন- কৃষি উপকরণের দাম বেশি হওয়ার কারণে শস্য উৎপাদন করতে গিয়ে কৃষকদের খরচ বেশি পড়ছে। বিশেষ করে যেকোন শস্য উৎপাদনের ভর মৌসুমে সারের প্রয়োজন হয়। এসময় চাহিদা থাকায় সংকট দেখা দেয়। ডিলার পর্যায়ে সার থাকে না। কিন্তু খুচরা পর্যায়ে কৃষকদের বেশি দামে সার কিনতে হয়। বেশি দামে সার কিনে আবাদ করতে গিয়ে উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। আবার সেই ফসল যখন বাজারে বিক্রি করতে যায় কৃষক দাম পাইনা।
সরকারি হিমাগার না থাকা এবং সরকারি ভাবে ক্রয়ের ব্যবস্থা না থাকায় মধ্যস্বত্তভোগীরা কৃষকদের কাছ থেকে কম দামে কিনে পরবর্তীতে তারা বেশি দামে বিক্রি করে।
তিনি বলেন- সরকার ধানের চেয়ে চাল বেশি ক্রয় করে। গত মৌসুমে সরকার যেদামে ধান ক্রয় করেছে, খোলা বাজারে কৃষক অন্তত ৪০০ টাকা কম দামে বিক্রি করেছে। সরকার চাল বেশি কেনার কারণে কৃষকরা ব্যবসায়িদের কাছে কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হয়।
এখন আলুর মৌসুম চলছে। কৃষকদের উৎপাদন খরচই উঠছে না। কৃষকদের সংরক্ষণের ব্যবস্থা নাই এবং বাজারজাতও ঠিক না। এতে মাঝারি কৃষক প্রান্তিকে পরিণত হয়। আর প্রান্তিক পর্যায়ে বছরে প্রায় ১১ লাখ কৃষক ভূমিহীনে পরিনত হয়। ফলে সরকারের পলিসির কারণে মধ্যস্বত্তভোগীরা লাভবান হচ্ছে। এ থেকে উত্তোরণ পেতে হলে কৃষকদের ভর্তুকির মাধ্যমে সার, বীজ ও কীটনাশক সরবারহ করতে হবে। এছাড়াও পর্যাপ্ত পরিমানে হিমাগার স্থাপন করতে হবে, যেখানে কৃষকরা স্বল্প খরচে শস্য মজুত করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নওগাঁয় কৃষক রক্ষায় পর্যাপ্ত হিমাগার স্থাপন করা পরামর্শ বাসদের

আপডেট সময় :

নওগাঁয় সমাজতান্ত্রিক ক্ষেত মজুর ও কৃষক ফ্রন্টের প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার বিকেলে নওগাঁ শহরের চকদেব কলেজপাড়ায় বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) অফিসে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিনিধি সভায় মঙ্গল কিসকুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক ক্ষেত মজুর ও কৃষক ফ্রন্টের সহ সভাপতি কমরেড ওয়াজেদ পারভেজ, জয়নাল আবেদীন মুকুল, সাধারন সম্পাদক কমরেড আব্দুল কুদ্দুস।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, রবিউল টুডু, স্বপন মন্ডল, জোৎস্না পাহান, ফারুক হোসেন, নীলিমা কর্মকার, অমল মহন্ত, ভদলু লাকড়াসহ প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, সার, বীজ ও কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণের দাম বেশী, বিক্রি করতে গেলে দাম কম। আলু চাষিরা আলুর দাম না পেয়ে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। অপর দিকে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে লুটপাট প্রক্রিয়া চালু রেখেছে। কৃষকদের ন্যায্য দাবী আদায়ে কমিটি করে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
সমাজতান্ত্রিক ক্ষেত মজুর ও কৃষক ফ্রন্টের সহ সভাপতি কমরেড ওয়াজেদ পারভেজ বলেন- কৃষি উপকরণের দাম বেশি হওয়ার কারণে শস্য উৎপাদন করতে গিয়ে কৃষকদের খরচ বেশি পড়ছে। বিশেষ করে যেকোন শস্য উৎপাদনের ভর মৌসুমে সারের প্রয়োজন হয়। এসময় চাহিদা থাকায় সংকট দেখা দেয়। ডিলার পর্যায়ে সার থাকে না। কিন্তু খুচরা পর্যায়ে কৃষকদের বেশি দামে সার কিনতে হয়। বেশি দামে সার কিনে আবাদ করতে গিয়ে উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। আবার সেই ফসল যখন বাজারে বিক্রি করতে যায় কৃষক দাম পাইনা।
সরকারি হিমাগার না থাকা এবং সরকারি ভাবে ক্রয়ের ব্যবস্থা না থাকায় মধ্যস্বত্তভোগীরা কৃষকদের কাছ থেকে কম দামে কিনে পরবর্তীতে তারা বেশি দামে বিক্রি করে।
তিনি বলেন- সরকার ধানের চেয়ে চাল বেশি ক্রয় করে। গত মৌসুমে সরকার যেদামে ধান ক্রয় করেছে, খোলা বাজারে কৃষক অন্তত ৪০০ টাকা কম দামে বিক্রি করেছে। সরকার চাল বেশি কেনার কারণে কৃষকরা ব্যবসায়িদের কাছে কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হয়।
এখন আলুর মৌসুম চলছে। কৃষকদের উৎপাদন খরচই উঠছে না। কৃষকদের সংরক্ষণের ব্যবস্থা নাই এবং বাজারজাতও ঠিক না। এতে মাঝারি কৃষক প্রান্তিকে পরিণত হয়। আর প্রান্তিক পর্যায়ে বছরে প্রায় ১১ লাখ কৃষক ভূমিহীনে পরিনত হয়। ফলে সরকারের পলিসির কারণে মধ্যস্বত্তভোগীরা লাভবান হচ্ছে। এ থেকে উত্তোরণ পেতে হলে কৃষকদের ভর্তুকির মাধ্যমে সার, বীজ ও কীটনাশক সরবারহ করতে হবে। এছাড়াও পর্যাপ্ত পরিমানে হিমাগার স্থাপন করতে হবে, যেখানে কৃষকরা স্বল্প খরচে শস্য মজুত করতে পারে।