নড়িয়ায় খাল খনন উদ্বোধন করেন এমপি কিরণ
- আপডেট সময় : ৫২ বার পড়া হয়েছে
নড়িয়া উপজেলার মোক্তারেরচর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের পোড়াগাছা এলাকায় হাকি আকনের পুকুর সংলগ্ন স্থান থেকে উত্তর দিকে ঈশ্বরকাঠী ব্রিজের নিচ দিয়ে পদ্মা খালের অভিমুখী খাল খনন ও উন্নয়ন কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে উদ্বোধন করেন শরীয়তপুর-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) শরীয়তপুর জেলার সভাপতি আলহাজ্ব সফিকুর রহমান কিরণ। তিনি শরীয়তপুর ২ আসনের সংসদ সদস্য হওয়ার পর এই প্রথম খাল খননের কাজ দিয়ে, এই আসনের উন্নয়নের যাত্রা শুরু করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, এলজিইডি শরীয়তপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রাফেউল ইসলাম, নড়িয়া উপজেলা বিএনপির , সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহম্মেদ রয়েল মাঝি, শরীয়তপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি শাকিল ঢালী,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক উজ্জ্বল শরিফ, সদস্য সচিব বিএম আজিজুল হাকিমসহ বিএনপি’র অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এসময় এমপি শফিকুর রহমান কিরণ বলেন, খাল উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়িত হলে এলাকার জলাবদ্ধতা দূর হবে এবং কৃষি ও নৌযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। স্থানীয়রা এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন।
নড়িয়া উপজেলার মোক্তারেরচর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের পোড়াগাছা এলাকায় হাকি আকনের পুকুর সংলগ্ন স্থান থেকে উত্তর দিকে ঈশ্বরকাঠী ব্রিজের নিচ দিয়ে পদ্মা খালের অভিমুখী খাল খনন ও উন্নয়ন কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে উদ্বোধন করেন শরীয়তপুর-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) শরীয়তপুর জেলার সভাপতি আলহাজ্ব সফিকুর রহমান কিরণ। তিনি শরীয়তপুর ২ আসনের সংসদ সদস্য হওয়ার পর এই প্রথম খাল খননের কাজ দিয়ে, এই আসনের উন্নয়নের যাত্রা শুরু করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, এলজিইডি শরীয়তপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রাফেউল ইসলাম, নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুন্সি ছামছুল আলম দাদন, সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহম্মেদ রয়েল মাঝি, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক উজ্জ্বল শরিফ, সদস্য সচিব বিএম আজিজুল হাকিমসহ বিএনপি’র অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এসময় এমপি শফিকুর রহমান কিরণ বলেন, খাল উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়িত হলে এলাকার জলাবদ্ধতা দূর হবে এবং কৃষি ও নৌযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। স্থানীয়রা এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন।



















