নবীনগরে ১০ জন গুলিবিদ্ধের ঘটনায় অবশেষে মামলা, চারদিনেও নেই গ্রেপ্তার
- আপডেট সময় : ৫০ বার পড়া হয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার চরলাপাং গ্রামে বালু সন্ত্রাসীদের গুলিতে ১০ জন গ্রামবাসী আহত হওয়ার ঘটনায় অবশেষে মামলা দায়ের হয়েছে। তবে ঘটনার চারদিন পেরিয়ে গেলেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যেই গ্রামে আবারও সশস্ত্র মহড়ার অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল বুধবার চরলাপাং গ্রামের বাসিন্দা নাজির মিয়া (৬০) নবীনগর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় ৩১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে নাছিরাবাদ বালু মহালের ইজারাদার সাহেবনগর (নাছিরাবাদ) গ্রামের শাখাওয়াত হোসেন পায়েল (৪২)কে। তবে এ মামলায় একই গ্রামের রিপন মিয়া (৪২) কে ২ নম্বর ও মাসুম মিয়া (৪৫) কে ৩ নম্বর আসামি করা হলেও বাকি ২৮ জন আসামির বাড়ি পাশ্ববর্তী নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাছিরাবাদ বালু মহালের ইজারাদারের সশস্ত্র লোকজন ইজারার শর্ত ভঙ্গ করে নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের নদীতীরবর্তী চরলাপাং এলাকায় ড্রেজার দিয়ে জোরপূর্বক মাটি কাটতে যায়।
এ সময় গ্রামবাসী বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা গুলি চালায়। এতে অন্তত ১০ জন গ্রামবাসী গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনার পর এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার দুই দিন পর মঙ্গলবার স্থানীয় বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য এম এ মান্নান নবীনগরের ইউএনও মাহমুদুল হাসান এবং ওসি রফিকুল ইসলামসহ দলীয় নেতাদের নিয়ে চরলাপাং গ্রাম পরিদর্শন করেন।
সেখানে এক সন্ত্রাসবিরোধী জনসভায় তিনি বালু সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
তবে জনসভা শেষে কয়েক ঘণ্টা না যেতেই মঙ্গলবার রাতেই চরলাপাং গ্রামে আবারও সশস্ত্র মহড়া দেয় বালু সন্ত্রাসীরা। এ সময় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে পুলিশের অভিযান চলছে। ইতোমধ্যে ৩১ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে এবং দ্রুতই আসামিদের গ্রেপ্তার করা হবে।
তিনি আরও জানান, যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় পুলিশ তৎপর রয়েছে।


















