ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ৭ আসামির রিমান্ড মঞ্জুর

নরসিংদী প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৬৫ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নরসিংদীতে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি নূর মোহাম্মদ নূরাসহ গ্রেপ্তার ৭ আসামির ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গত রোববার ১ মার্চ সকালে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (২য়) মো. মেহেদী হাসানের আদালত এই আদেশ দেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাধবদী থানার ওসি (তদন্ত) মো. ওমর কাইয়ুম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত শুক্রবার ও শনিবার দুদিনে ৭ আসামির ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের প্রেক্ষিতে বেলা সাড়ে ১১টায় নরসিংদী জজ কোর্টের ২য় জুডিশিয়াল আদালতে তোলা হয় গ্রেপ্তারকৃত ৭ আসামিকে। বাদী পক্ষে স্বপ্রণোদিত হয়ে আইনজীবী আদালতে দাঁড়ালেও আসামি পক্ষের কোনো আইনজীবী দাঁড়াননি।
এর আগে, ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় শুক্রবার দিনগত রাতে গাজীপুরের মাওনা চৌরাস্তা থেকে নূরা এবং একই সময়ে ময়মনসিংহের গৌরিপুর থেকে হযরত আলীকে গ্রেপ্তার করে নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। নিহত কিশোরীর মা ফাহিমা বেগমের দায়ের করা মামলায় এ নিয়ে ৯ আসামির মধ্যে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার রাতে বাবার কাছ থেকে নূরার নেতৃত্বে একটি চক্র কিশোরী আমেনাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে মাধবদী থানার কোতালিরচর দড়িকান্দি এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না পেচানো মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাধবদী থানার ওসি (তদন্ত) মো. ওমর কাইয়ুম বলেন, ‘মামলার এজাহারের প্রেক্ষিতে ধর্ষণে সরাসরি জড়িত ৪জন এবং মীমাংসার নামে বিচার কার্যে সহায়তাকারী সাবেক মেম্বারসহ ৩জনসহ ৭ আসামিকে গ্রেপ্তারের পর ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। আদালত ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। পলাতক বাকী দুই আসামিকেও দ্রæতই গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।’
নরসিংদী জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আব্দুল মান্নান ভুইয়া বলেন, ‘আইনজীবী সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ মামলায় কোনো আইনজীবী আসামি পক্ষকে আইনি সহায়তা দেবে না, রাষ্ট্রপক্ষকে সার্বিক সহায়তা করবে। পুলিশ আন্তরিক হয়ে মামলাটির দ্রুত চার্জশিট দিলে ৬ মাসের মধ্যে মামলাটি শেষ করতে পারব বলে আমরা আশাবাদী। এ মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড নিশ্চিত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ৭ আসামির রিমান্ড মঞ্জুর

আপডেট সময় :

নরসিংদীতে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি নূর মোহাম্মদ নূরাসহ গ্রেপ্তার ৭ আসামির ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গত রোববার ১ মার্চ সকালে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (২য়) মো. মেহেদী হাসানের আদালত এই আদেশ দেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাধবদী থানার ওসি (তদন্ত) মো. ওমর কাইয়ুম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত শুক্রবার ও শনিবার দুদিনে ৭ আসামির ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের প্রেক্ষিতে বেলা সাড়ে ১১টায় নরসিংদী জজ কোর্টের ২য় জুডিশিয়াল আদালতে তোলা হয় গ্রেপ্তারকৃত ৭ আসামিকে। বাদী পক্ষে স্বপ্রণোদিত হয়ে আইনজীবী আদালতে দাঁড়ালেও আসামি পক্ষের কোনো আইনজীবী দাঁড়াননি।
এর আগে, ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় শুক্রবার দিনগত রাতে গাজীপুরের মাওনা চৌরাস্তা থেকে নূরা এবং একই সময়ে ময়মনসিংহের গৌরিপুর থেকে হযরত আলীকে গ্রেপ্তার করে নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। নিহত কিশোরীর মা ফাহিমা বেগমের দায়ের করা মামলায় এ নিয়ে ৯ আসামির মধ্যে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার রাতে বাবার কাছ থেকে নূরার নেতৃত্বে একটি চক্র কিশোরী আমেনাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে মাধবদী থানার কোতালিরচর দড়িকান্দি এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না পেচানো মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাধবদী থানার ওসি (তদন্ত) মো. ওমর কাইয়ুম বলেন, ‘মামলার এজাহারের প্রেক্ষিতে ধর্ষণে সরাসরি জড়িত ৪জন এবং মীমাংসার নামে বিচার কার্যে সহায়তাকারী সাবেক মেম্বারসহ ৩জনসহ ৭ আসামিকে গ্রেপ্তারের পর ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। আদালত ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। পলাতক বাকী দুই আসামিকেও দ্রæতই গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।’
নরসিংদী জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আব্দুল মান্নান ভুইয়া বলেন, ‘আইনজীবী সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ মামলায় কোনো আইনজীবী আসামি পক্ষকে আইনি সহায়তা দেবে না, রাষ্ট্রপক্ষকে সার্বিক সহায়তা করবে। পুলিশ আন্তরিক হয়ে মামলাটির দ্রুত চার্জশিট দিলে ৬ মাসের মধ্যে মামলাটি শেষ করতে পারব বলে আমরা আশাবাদী। এ মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড নিশ্চিত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’