ঢাকা ১২:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬

নোয়াখালীতে শিশুহত্যার দায়ে ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

গাজী রুবেল, নোয়াখালী ব্যুরোপ্রধান
  • আপডেট সময় : ৯৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর সেনবাগে চকলেটের লোভ দেখিয়ে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ৬ বছরের শিশু মিজানুর রহমান আশরাফুলকে হত্যার দায়ে দু’জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদ দেওয়া হয়েছে।
গত সোমবার (২৪ নভেম্বর) বিকেলে নোয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ড. মুহাম্মদ মোরশেদ ইমতিয়াজ এ রায় ঘোষণা করেন। জেলা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন জানান, ২০২১ সালের ২ এপ্রিল পারিবারিক কলহের জেরে শিশুটির মা পান্না আক্তারের পূর্বের স্বামী আলাউদ্দিন (৪০) চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আশরাফুলকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়। পরে সহযোগী আবদুল্লাহ হাসান আল মামুনকে (৩৪) সঙ্গে নিয়ে পাশের আবদুল হাকিমের ধানক্ষেতে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মৃতদেহ পুতে রাখে।
তিন দিন পর ধানক্ষেতে অর্ধগলিত লাশের সন্ধান পেয়ে শিশুটির বাবা আবুল কাশেম গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন। এরপর তিনি ৬ এপ্রিল সেনবাগ থানায় চারজনকে সন্দেহভাজন করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্তে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে এবং আলাউদ্দিন ও মামুনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
দীর্ঘ শুনানির পর আদালত হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে দুই আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।
সরকারপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মীর হোসেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নোয়াখালীতে শিশুহত্যার দায়ে ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় :

নোয়াখালীর সেনবাগে চকলেটের লোভ দেখিয়ে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ৬ বছরের শিশু মিজানুর রহমান আশরাফুলকে হত্যার দায়ে দু’জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদ দেওয়া হয়েছে।
গত সোমবার (২৪ নভেম্বর) বিকেলে নোয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ড. মুহাম্মদ মোরশেদ ইমতিয়াজ এ রায় ঘোষণা করেন। জেলা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন জানান, ২০২১ সালের ২ এপ্রিল পারিবারিক কলহের জেরে শিশুটির মা পান্না আক্তারের পূর্বের স্বামী আলাউদ্দিন (৪০) চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আশরাফুলকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়। পরে সহযোগী আবদুল্লাহ হাসান আল মামুনকে (৩৪) সঙ্গে নিয়ে পাশের আবদুল হাকিমের ধানক্ষেতে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মৃতদেহ পুতে রাখে।
তিন দিন পর ধানক্ষেতে অর্ধগলিত লাশের সন্ধান পেয়ে শিশুটির বাবা আবুল কাশেম গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন। এরপর তিনি ৬ এপ্রিল সেনবাগ থানায় চারজনকে সন্দেহভাজন করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্তে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে এবং আলাউদ্দিন ও মামুনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
দীর্ঘ শুনানির পর আদালত হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে দুই আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।
সরকারপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মীর হোসেন।