ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

ফরিদপুরে জামায়াতের গণসমাবেশ

ফরিদপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ ‌ জামায়াতে ‌ ইসলামীর উদ্যোগে ‌ গণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ‌ ফরিদপুরের ‌ অম্বিকা ময়দানে ‌ উক্ত জনসমাবেশে জেলা ‌ জামায়াত ইসলামীর আমির মাওলানা মোহাম্মদ ‌ বদরুদ্দীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ‌ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‌ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ‌‌ কেন্দ্রীয় নায়েবে ‌আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম, বক্তব্য রাখেন ‌ কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ‌ ও অঞ্চল সহকারি ‌ আবু হারিস মোল্লা, ফরিদপুর অঞ্চল টিম সদস্য ‌ শামসুল ইসলাম আল বরাটি, জামায়াত ইসলাম মনোনীত ‌ ফরিদপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য ‌ পদপ্রার্থী ‌ কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য ‌ অধ্যাপক আবদুত তাওয়াব ফরিদপুর ১ আসনের ‌ জামায়াত ইসলাম মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীডাক্তার ‌মোঃ ইলিয়াস মোল্লা ফরিদপুর ২ আসনের ‌ সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ‌, ‌ মাওলানা সোহরাব ‌হোসেন ‌, ফরিদপুর ৪ আসনের ‌ সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ‌ মওলানা মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন ‌, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ‌ ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি ‌ আমজাদ হোসেন ‌, সাধারণ সম্পাদক। মুফতি আবু নাসির ‌মুফতি মোস্তফা কামাল ‌ সভাপতি ‌ বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন, মাওলানা মোঃ মিজানুর রহমান আমির খেলাফত আন্দোলন ‌, আবু হারেস মোল্লা ‌ নায়েবে আমির বাংলাদেশ ‌ জামায়াতে ইসলামী,‌ হাসান জামিল ‌ শহীদ ‌ আব্দুল কাদের মোল্লার পুত্র, আলী আহমেদ মাবরুর ‌ শহীদ ‌ আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের পুত্র ‌, ইসলামী ছাত্রশিবির সভাপতি ‌ আকমল হোসেন, ফরিদপুর শহর শাখা, হাফেজ মোঃ ওবায়দুল্লাহ ‌‌ সভাপতি ‌ ইসলামে ছাত্রশিবির ফরিদপুর জেলা শাখা।
অনুষ্ঠান ‌ পরিচালনা করেন ‌ ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ ‌ নায়েবে আমির ফরিদপুর জেলা শাখা।
সভায় বক্তারা ‌ বিগত দিনের ‌ ফ্যাসিবাদী সরকারের ‌ বিভিন্ন কর্মকান্ডের সমালোচনা করে বলেন ‌।
বিগত সরকার ‌ আমাদের অসংখ্য নেতা কর্মীদের উপর ‌ জুলুম ‌নির্যাতন করেছে। ‌ ফরিদপুরের দুজন ‌‌‌ শীর্ষস্থানীয় ‌‌ নেতা কে ‌ ফাঁসি দিয়েছেন ‌। অসংখ্য নেতাকে ‌ মিথ্যা মামলায় ‌ কারাগারে পাঠিয়েছিলেন। তারা ভেবেছিলেন জামাতের নেতা কমিটির ফাঁসি দিয়ে ইসলামের ‌ কন্ঠ রোধ করা যাবে। আসলে ‌ ‌তারা বোকার স্বর্গে বাস করছে ‌।
বাংলাদেশে ইসলামিক ঝান্ডা ‌উঠবে ‌। ইসলামিক সমাজ কায়েম হবে ‌। আমরা মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন চাই ‌।
আমরা চাঁদাবাজ মুক্ত বাংলাদেশ দেখতে চাই ‌। আমরা আল্লাহর ‌ আইন ‌ প্রতিষ্ঠা করব।‌
আমার দেশকে‌ কোন অশুভ শক্তির হাতে ‌ তুলে দেবো না, কোন আধিপত্য শক্তির হাতে মাথা নত করবো না।
আমরা ইসলামিক দল গুলি নিয়ে ‌আন্দোলন করছি। ভোট কেন্দ্রে ‌সমস্ত ভোটার উপস্থিতি মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দাবি করছি ‌।‌‌ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আমরা স্বাক্ষর করেছি। নির্বাচনের পূর্বে গণভোটের আয়োজন করতে হবে।
একদিন দুই ভোট আয়োজন করা ঠিক হবে না ‌।‌ আমরা ২৪ এর পূর্বের অবস্থায় ফিরে যেতে চাই না ‌।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে ‌।‌ জামাতের নেতা কর্মীরা ‌ দেশ ছেড়ে পালায় না।
আমাদের নেতারা দেশকে ভালবাসেন ‌।‌ তাই কোন রক্তচক্ষুকে ‌ আমরা ভয় পাই না। আমরা চাই ‌ দেশের ১৮ কোটি মানুষকে ‌ সুখে শান্তিতে ‌‌ বসবাস করতে। ‌ ‌অন্যদিকে একটি চক্র ‌ দেশের বিরুদ্ধে একের পর ষড়যন্ত্র করছে।
আমাদের মানুষের আইন পরিবর্তন করা দরকার ‌ একমাত্র ইসলামী আইন ছাড়া ‌ ‌শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
তবে দেশে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার হবে ‌। ‌ দেশ দুর্নীতি মুক্ত ‌রাষ্ট্র গঠন করা যাবে। আমরা ক্ষমতায় যেতে পারলে দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠন করব। দেশের মানুষ ভালোভাবে বাঁচতে পারবে ‌। ‌ বিগত ‌সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় ‌‌ আমাদের নেতা কর্মীদের হত্যা করা হয়েছে। আমরা দায়িত্ব পেলে দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠন ‌ করতে পারব। দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠন করতে পারলে দেশে কোন অভাব থাকবে না।
বিগত বছরগুলো ‌ দেশের কোটি কোটি টাকা পাচার ‌ হয়েছে এসব টাকা পাচার হতে না পারলে দেশ সিঙ্গাপুরের মতো উন্নত দেশ হতো ‌।দেশে উন্নত হতো ‌ বিদেশ থেকে লোক এদের চাকরি করতে আসতো।
আমরা দায়িত্ব পেলে ‌ নারীরা নিরাপদ থাকতে পারবেন। বিগত সরকার ক্ষমতা থাকাকালে হিন্দুদের উপর ‌ অত্যাচার হতো। এ বছর দুর্গাপূজার কোন হামলা হয় নাই ‌ মন্দির ভাঙ্গা হয় নাই।।
জামাতের ইসলাম ক্ষমতা আসলে ‌ অমুসলিমরা ও‌ সবাই নিরাপদ থাকতে পারবে। এ বাংলাদেশ ‌ সকল মানুষের কাছে ‌ বাসযোগ্য করার জন্য ‌ জামাত ইসলাম ‌ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
এবারের নির্বাচন সন্ত্রাসমুক্ত ‌ বাংলা গড়ার ‌নির্বাচন ‌ নির্বাচন ‌ ‌‌। আমাদেরও জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে ‌।
এটাকে ধরে রাখতে হবে ‌। আর তাই ‌ জাতি ধর্ম নির্বিশেষে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ‌ভোট দেওয়ার জন্য ‌ সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে পরবর্তী পর ‌ ফরিদপুরের চারটি আসনের ‌ জামাত ইসলাম মনোনীত প্রার্থীদের ‌ পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। এর পূর্বে বিভিন্ন স্থান থেকে একাধিক মিছিল সমাবেশ স্থলে এসে উপস্থিত হন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ফরিদপুরে জামায়াতের গণসমাবেশ

আপডেট সময় :

বাংলাদেশ ‌ জামায়াতে ‌ ইসলামীর উদ্যোগে ‌ গণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ‌ ফরিদপুরের ‌ অম্বিকা ময়দানে ‌ উক্ত জনসমাবেশে জেলা ‌ জামায়াত ইসলামীর আমির মাওলানা মোহাম্মদ ‌ বদরুদ্দীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ‌ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‌ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ‌‌ কেন্দ্রীয় নায়েবে ‌আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম, বক্তব্য রাখেন ‌ কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ‌ ও অঞ্চল সহকারি ‌ আবু হারিস মোল্লা, ফরিদপুর অঞ্চল টিম সদস্য ‌ শামসুল ইসলাম আল বরাটি, জামায়াত ইসলাম মনোনীত ‌ ফরিদপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য ‌ পদপ্রার্থী ‌ কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য ‌ অধ্যাপক আবদুত তাওয়াব ফরিদপুর ১ আসনের ‌ জামায়াত ইসলাম মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীডাক্তার ‌মোঃ ইলিয়াস মোল্লা ফরিদপুর ২ আসনের ‌ সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ‌, ‌ মাওলানা সোহরাব ‌হোসেন ‌, ফরিদপুর ৪ আসনের ‌ সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ‌ মওলানা মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন ‌, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ‌ ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি ‌ আমজাদ হোসেন ‌, সাধারণ সম্পাদক। মুফতি আবু নাসির ‌মুফতি মোস্তফা কামাল ‌ সভাপতি ‌ বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন, মাওলানা মোঃ মিজানুর রহমান আমির খেলাফত আন্দোলন ‌, আবু হারেস মোল্লা ‌ নায়েবে আমির বাংলাদেশ ‌ জামায়াতে ইসলামী,‌ হাসান জামিল ‌ শহীদ ‌ আব্দুল কাদের মোল্লার পুত্র, আলী আহমেদ মাবরুর ‌ শহীদ ‌ আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের পুত্র ‌, ইসলামী ছাত্রশিবির সভাপতি ‌ আকমল হোসেন, ফরিদপুর শহর শাখা, হাফেজ মোঃ ওবায়দুল্লাহ ‌‌ সভাপতি ‌ ইসলামে ছাত্রশিবির ফরিদপুর জেলা শাখা।
অনুষ্ঠান ‌ পরিচালনা করেন ‌ ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ ‌ নায়েবে আমির ফরিদপুর জেলা শাখা।
সভায় বক্তারা ‌ বিগত দিনের ‌ ফ্যাসিবাদী সরকারের ‌ বিভিন্ন কর্মকান্ডের সমালোচনা করে বলেন ‌।
বিগত সরকার ‌ আমাদের অসংখ্য নেতা কর্মীদের উপর ‌ জুলুম ‌নির্যাতন করেছে। ‌ ফরিদপুরের দুজন ‌‌‌ শীর্ষস্থানীয় ‌‌ নেতা কে ‌ ফাঁসি দিয়েছেন ‌। অসংখ্য নেতাকে ‌ মিথ্যা মামলায় ‌ কারাগারে পাঠিয়েছিলেন। তারা ভেবেছিলেন জামাতের নেতা কমিটির ফাঁসি দিয়ে ইসলামের ‌ কন্ঠ রোধ করা যাবে। আসলে ‌ ‌তারা বোকার স্বর্গে বাস করছে ‌।
বাংলাদেশে ইসলামিক ঝান্ডা ‌উঠবে ‌। ইসলামিক সমাজ কায়েম হবে ‌। আমরা মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন চাই ‌।
আমরা চাঁদাবাজ মুক্ত বাংলাদেশ দেখতে চাই ‌। আমরা আল্লাহর ‌ আইন ‌ প্রতিষ্ঠা করব।‌
আমার দেশকে‌ কোন অশুভ শক্তির হাতে ‌ তুলে দেবো না, কোন আধিপত্য শক্তির হাতে মাথা নত করবো না।
আমরা ইসলামিক দল গুলি নিয়ে ‌আন্দোলন করছি। ভোট কেন্দ্রে ‌সমস্ত ভোটার উপস্থিতি মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দাবি করছি ‌।‌‌ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আমরা স্বাক্ষর করেছি। নির্বাচনের পূর্বে গণভোটের আয়োজন করতে হবে।
একদিন দুই ভোট আয়োজন করা ঠিক হবে না ‌।‌ আমরা ২৪ এর পূর্বের অবস্থায় ফিরে যেতে চাই না ‌।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে ‌।‌ জামাতের নেতা কর্মীরা ‌ দেশ ছেড়ে পালায় না।
আমাদের নেতারা দেশকে ভালবাসেন ‌।‌ তাই কোন রক্তচক্ষুকে ‌ আমরা ভয় পাই না। আমরা চাই ‌ দেশের ১৮ কোটি মানুষকে ‌ সুখে শান্তিতে ‌‌ বসবাস করতে। ‌ ‌অন্যদিকে একটি চক্র ‌ দেশের বিরুদ্ধে একের পর ষড়যন্ত্র করছে।
আমাদের মানুষের আইন পরিবর্তন করা দরকার ‌ একমাত্র ইসলামী আইন ছাড়া ‌ ‌শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
তবে দেশে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার হবে ‌। ‌ দেশ দুর্নীতি মুক্ত ‌রাষ্ট্র গঠন করা যাবে। আমরা ক্ষমতায় যেতে পারলে দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠন করব। দেশের মানুষ ভালোভাবে বাঁচতে পারবে ‌। ‌ বিগত ‌সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় ‌‌ আমাদের নেতা কর্মীদের হত্যা করা হয়েছে। আমরা দায়িত্ব পেলে দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠন ‌ করতে পারব। দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠন করতে পারলে দেশে কোন অভাব থাকবে না।
বিগত বছরগুলো ‌ দেশের কোটি কোটি টাকা পাচার ‌ হয়েছে এসব টাকা পাচার হতে না পারলে দেশ সিঙ্গাপুরের মতো উন্নত দেশ হতো ‌।দেশে উন্নত হতো ‌ বিদেশ থেকে লোক এদের চাকরি করতে আসতো।
আমরা দায়িত্ব পেলে ‌ নারীরা নিরাপদ থাকতে পারবেন। বিগত সরকার ক্ষমতা থাকাকালে হিন্দুদের উপর ‌ অত্যাচার হতো। এ বছর দুর্গাপূজার কোন হামলা হয় নাই ‌ মন্দির ভাঙ্গা হয় নাই।।
জামাতের ইসলাম ক্ষমতা আসলে ‌ অমুসলিমরা ও‌ সবাই নিরাপদ থাকতে পারবে। এ বাংলাদেশ ‌ সকল মানুষের কাছে ‌ বাসযোগ্য করার জন্য ‌ জামাত ইসলাম ‌ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
এবারের নির্বাচন সন্ত্রাসমুক্ত ‌ বাংলা গড়ার ‌নির্বাচন ‌ নির্বাচন ‌ ‌‌। আমাদেরও জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে ‌।
এটাকে ধরে রাখতে হবে ‌। আর তাই ‌ জাতি ধর্ম নির্বিশেষে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ‌ভোট দেওয়ার জন্য ‌ সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে পরবর্তী পর ‌ ফরিদপুরের চারটি আসনের ‌ জামাত ইসলাম মনোনীত প্রার্থীদের ‌ পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। এর পূর্বে বিভিন্ন স্থান থেকে একাধিক মিছিল সমাবেশ স্থলে এসে উপস্থিত হন।