বাড়চ্ছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের টোল

- আপডেট সময় : ১২:৪০:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৩৫১ বার পড়া হয়েছে
গেল বছর সেপ্টেম্বর মাসে বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত আংশিক উদ্বোধন করা হয় ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের। কিন্তু ৬ ম সের মাথায় উড়ালপথে টোল বাড়ানোর কথা ভাবছে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। সূত্রের খবর, এরই মধ্যে সরকারের কাছে একটি প্রস্তাবনাও দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
উদ্বোধনের পর থেকে যান চলাচল ও টোল আদায় বাড়লেও তাতে সন্তুষ্ট নয় বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ফার্স্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে (এফডিইই) কোম্পানি লিমিটেড। বর্তমানে দিনে গড়ে ৪০ থেকে ৪২ হাজার যানবাহন চলাচল রে থাকে। তবে ৫০ হাজারের অধিক যানবাহন চলাচল না হওয়া পর্যন্ত আয় সন্তোষজনক হবে না। এ কারণে টোল বাড়ানোর বিষয়টি চিন্তা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এক্সপ্রেসওয়েতে বর্তমান টে লের হার, ব্যক্তিগত গাড়ি, ট্যাক্সি, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি), মাইক্রোবাস (১৬ সিটের কম) ও হালকা ট্রাকের (৩ টনের কম) ক্ষেত্রে টোল ৮০ টাকা। সব ধরনের বাসের (১৬ সিট বা তার বেশি) টোল ১৬০ টাকা। মাঝারি ট্রাকের (৬ চাকা পর্যন্ত) টোল ৩২০ টাকা। ৬ চাকার বেশি ট্রাকের জন্য টোল ৪০০ টাকা।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ও এফডিইইর তথ্য অনুযায়ী, এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথম ২১ দিনে গড়ে ৪২ হাজারের বেশি যানবাহন চলাচল করেছে। তাতে প্রতিদিন গড়ে টোল আদায় হয়েছে ৩০ লাখ টাকা। এক্সপ্রেসওয়ে চালুর মাস (সেপ্টেম্বর) দিনে গড়ে প্রায় ৩০ হাজার যানবাহন চলাচল করেছে। সে সময় গড়ে টোল আদায় হয়েছে ২৪ লাখ টাকা।
সেতু কর্তৃপক্ষ তথ্য বলছে, এক্সপ্রেসওয়ে চালুর প্রথম মাসে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা আয় হয়েছে।
মূল এক্সপ্রেসওয়ের দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। প্রকল্পের মূল নির্মাণকাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। এই এক্সপ্রেসওয়ের পথ হলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দক্ষিণে কাওলা, কুড়িল, বনানী, মহাখালী, তেজগাঁও, মগবাজার, কমলাপুর, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী।
গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর কাওলা থেকে তেজগাঁও পর্যন্ত অংশ (সাড়ে ১১ কিলোমিটার) উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরদিন ৩ সেপ্টেম্বর থেকে এই অংশে যানচলাচল শুরু হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, নির্মাণকাজের অর্থ জোগাড় ও উড়ালসড়ক চালুর পর তা পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করবে। ২৫ বছর পর সরকারের কাছে উড়াল সড়কটি হস্তান্তর করবে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। এর আগে তারা টোল আদায় করে বিনিয়োগ করা অর্থ সুদসহ তুলে নেবে।
উড়ালসড়ক দিয়ে দিনে সর্বোচ্চ প্রায় ৮০ হাজার সর্বনিম্ন সাড়ে ১৩ হাজার যানবাহন চলাচল করবে বলে ধারণা। ৮০ হাজারের বেশি যানবাহন চলাচল করলে বাড়তি যে টোল আদায় হবে, এর ২৫ শতাংশ বাংলাদেশ পাবে।
বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান বলছে, শুরুতে সর্বনিম্ন টোল ১৫০ টাকা ধরা করা হয়েছিল। কিন্তু সরকার আপত্তির কারণে তা ৮০ টাকা করেছেন। টোল বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।
কিন্তু সরকার আপত্তির কারণে তা ৮০ টাকা করেছেন। টোল বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।