ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

বান্দরবানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কাঠ জব্দ

বাসুদেব বিশ্বাস, বান্দরবান
  • আপডেট সময় : ৭৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বান্দরবান সদর এলাকায় সাম্প্রতিক এক বিশেষ সেনা অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কাঠ জব্দ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত অবৈধ কাঠ ব্যবসার ওপর সেনাবাহিনীর এই অভিযান এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলে। অভিযানের ফলে সংশ্লিষ্ট চক্রের মূল হোতাদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের তথ্যমতে,দীর্ঘদিন ধরেই একদল প্রভাবশালী চক্র বান্দরবানের বিভিন্ন বনাঞ্চল থেকে পরিকল্পিতভাবে কাঠ কাটার পর বিভিন্ন গোপন রুট দিয়ে পাচার করে আসছিল। এসব কর্মকান্ডের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বন বিভাগের উল্লেখযোগ্য তৎপরতা চোখে পড়েনি। বন বিভাগের উদাসীনতা ও নিষ্ক্রিয়তার কারণে অবৈধ কাঠ ব্যবসা দিন দিন আরও বিস্তৃত হচ্ছিল বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হলে এই ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম আরো কমে আসবে।
এদিকে সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও, পর্যাপ্ত প্রশাসনিক পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে আবারও একই ধরনের চক্র সক্রিয় হয়ে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় নাগরিকদের মত বন বিভাগ, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগই পারে অবৈধ কাঠ ব্যবসার মতো অপরাধ বন্ধ করতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বান্দরবানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কাঠ জব্দ

আপডেট সময় :

বান্দরবান সদর এলাকায় সাম্প্রতিক এক বিশেষ সেনা অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কাঠ জব্দ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত অবৈধ কাঠ ব্যবসার ওপর সেনাবাহিনীর এই অভিযান এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলে। অভিযানের ফলে সংশ্লিষ্ট চক্রের মূল হোতাদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের তথ্যমতে,দীর্ঘদিন ধরেই একদল প্রভাবশালী চক্র বান্দরবানের বিভিন্ন বনাঞ্চল থেকে পরিকল্পিতভাবে কাঠ কাটার পর বিভিন্ন গোপন রুট দিয়ে পাচার করে আসছিল। এসব কর্মকান্ডের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বন বিভাগের উল্লেখযোগ্য তৎপরতা চোখে পড়েনি। বন বিভাগের উদাসীনতা ও নিষ্ক্রিয়তার কারণে অবৈধ কাঠ ব্যবসা দিন দিন আরও বিস্তৃত হচ্ছিল বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হলে এই ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম আরো কমে আসবে।
এদিকে সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও, পর্যাপ্ত প্রশাসনিক পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে আবারও একই ধরনের চক্র সক্রিয় হয়ে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় নাগরিকদের মত বন বিভাগ, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগই পারে অবৈধ কাঠ ব্যবসার মতো অপরাধ বন্ধ করতে।