ঢাকা ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

বিসিএস ভাইভা বোর্ডে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর নাম বলায় আজও চাকরি বঞ্চিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ৫৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

৩৪তম বিসিএস এর প্রিলিমিনারী লিখিত পাশের পর চাকরি লাভের সর্বশেষ ধাপ ভাইভা বোর্ডে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর নাম বলায় বিসিএস ক্যাডার প্রত্যাশী বগুড়ার মো. এমদাদুল হক এমদাদ চাকরি বঞ্চিত হয়েছেন।
চুড়ান্তভাবে উর্ত্তীণ হয়ে প্রায় ৮-৯ বছর কেটে গেলেও অদ্যাবধি চাকরিতে যোগদান করতে পারেননি তিনি। ফলে বৃদ্ধ পিতা-মাতা ও পরিবার পরিজনদের নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন বিসিএস উর্ত্তীণ এ প্রার্থী। বাক-রুদ্ধ হয়ে পড়েছে পরিবারের বৃদ্ধ বাবা-মা সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।
জানা যায় ২০১৩ সালে ৩৪তম বিসিএস পরীক্ষার সার্কুলার হয়েছিল । প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে প্রিলিমিনারী , লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষে ২০১৫ সালের ২৯ আগষ্ট প্রকাশিত হয়েছিল ৩৪তম বিসিএস’র চুড়ান্ত ফলাফল। ফলাফলে তাঁর রোল
এসেছিল নন-ক্যাডার হিসেবে।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায় উক্ত প্রার্থীকে ভাইভায় প্রথমে নিজের পরিচয় জিজ্ঞাসা করে প্রথম পছন্দের ক্যাডার সর্ম্পকে জানতে চাওয়া হয়েছিল। পরে বিভিন্ন বিষয়সহ প্রথম পছন্দ প্রশাসন ক্যাডারের কাজ ও দায়িত্ব সর্ম্পকে জানতে চেয়েছিলেন বোর্ডের চেয়ারম্যান সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। এভাবে প্রায় ১০-১২ মিনিট চলছিল ভাইভা। পরে একজন জিজ্ঞাসা করেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক কে জবাবে মো. এমদাদুল হক বলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ।
এতে তাঁরা ক্ষিপ্ত হয়ে নানা বকাবকি ও অসৌজন্য মূলক আচরণ করেন। ভাইভা বোর্ড হতে একজন বলেন আপনাকে নম্বর দেওয়া যাবে না । তদুপরি তাঁকে ভাইভা বোর্ড থেকে বের হয়ে আসতে বলেন। তাদের ক্রোধের কারনে ভাইভা বোর্ডের প্রায় সকল প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিলে ও তার ভাগ্যে জোটেনি চাকরি।
বিসিএস উর্ত্তীণ প্রার্থী মো.এমদাদুল হক বলেন বিসিএস এর মত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রিলিমিনারী , লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হয়ে আশায় বুক বেধেছিলাম দেশসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে। সেই সাথে প্রত্যাশিত চাকরিতে যোদানের মাধ্যমে হাসি ফোটাতে চেয়েছিলাম পিতা-মাতা তথা পরিবারের সদস্যদের মুখে। কিন্তু আমার সে আশা আজও পুরণ হয়নি। তবে বর্তমান সরকারের কাছে আমার আবেদন পুনরায় আমার ভাইভা নিয়ে আমাকে আমার প্রাপ্য অধিকার ফিরে দেওয়া হউক।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বিসিএস ভাইভা বোর্ডে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর নাম বলায় আজও চাকরি বঞ্চিত

আপডেট সময় :

৩৪তম বিসিএস এর প্রিলিমিনারী লিখিত পাশের পর চাকরি লাভের সর্বশেষ ধাপ ভাইভা বোর্ডে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর নাম বলায় বিসিএস ক্যাডার প্রত্যাশী বগুড়ার মো. এমদাদুল হক এমদাদ চাকরি বঞ্চিত হয়েছেন।
চুড়ান্তভাবে উর্ত্তীণ হয়ে প্রায় ৮-৯ বছর কেটে গেলেও অদ্যাবধি চাকরিতে যোগদান করতে পারেননি তিনি। ফলে বৃদ্ধ পিতা-মাতা ও পরিবার পরিজনদের নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন বিসিএস উর্ত্তীণ এ প্রার্থী। বাক-রুদ্ধ হয়ে পড়েছে পরিবারের বৃদ্ধ বাবা-মা সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।
জানা যায় ২০১৩ সালে ৩৪তম বিসিএস পরীক্ষার সার্কুলার হয়েছিল । প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে প্রিলিমিনারী , লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষে ২০১৫ সালের ২৯ আগষ্ট প্রকাশিত হয়েছিল ৩৪তম বিসিএস’র চুড়ান্ত ফলাফল। ফলাফলে তাঁর রোল
এসেছিল নন-ক্যাডার হিসেবে।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায় উক্ত প্রার্থীকে ভাইভায় প্রথমে নিজের পরিচয় জিজ্ঞাসা করে প্রথম পছন্দের ক্যাডার সর্ম্পকে জানতে চাওয়া হয়েছিল। পরে বিভিন্ন বিষয়সহ প্রথম পছন্দ প্রশাসন ক্যাডারের কাজ ও দায়িত্ব সর্ম্পকে জানতে চেয়েছিলেন বোর্ডের চেয়ারম্যান সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। এভাবে প্রায় ১০-১২ মিনিট চলছিল ভাইভা। পরে একজন জিজ্ঞাসা করেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক কে জবাবে মো. এমদাদুল হক বলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ।
এতে তাঁরা ক্ষিপ্ত হয়ে নানা বকাবকি ও অসৌজন্য মূলক আচরণ করেন। ভাইভা বোর্ড হতে একজন বলেন আপনাকে নম্বর দেওয়া যাবে না । তদুপরি তাঁকে ভাইভা বোর্ড থেকে বের হয়ে আসতে বলেন। তাদের ক্রোধের কারনে ভাইভা বোর্ডের প্রায় সকল প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিলে ও তার ভাগ্যে জোটেনি চাকরি।
বিসিএস উর্ত্তীণ প্রার্থী মো.এমদাদুল হক বলেন বিসিএস এর মত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রিলিমিনারী , লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হয়ে আশায় বুক বেধেছিলাম দেশসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে। সেই সাথে প্রত্যাশিত চাকরিতে যোদানের মাধ্যমে হাসি ফোটাতে চেয়েছিলাম পিতা-মাতা তথা পরিবারের সদস্যদের মুখে। কিন্তু আমার সে আশা আজও পুরণ হয়নি। তবে বর্তমান সরকারের কাছে আমার আবেদন পুনরায় আমার ভাইভা নিয়ে আমাকে আমার প্রাপ্য অধিকার ফিরে দেওয়া হউক।