ঢাকা ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

বুড়ি তিস্তা খননের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মশাল মিছিল

ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১৭৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় বুড়ি তিস্তা ব্যারাজের উজানে মূল স্রোতধারা খননের প্রস্তুতি নিয়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। নদী খননের জন্য প্রয়োজনীয় খননযন্ত্র ও সরঞ্জাম কয়েকদিন আগে বুড়ি তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় আনা হলে কুড়িডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে ডিমলা, ডোমার ও জলঢাকা এই তিন উপজেলার বুড়ি তিস্তা এলাকার পাঁচটি মৌজার প্রায় ৭৫০টি পরিবারে বসবাসরত তিন হাজারেরও বেশি মানুষ। নদী খননের সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পর নীলফামারী জেলার ডিমলা সদর ইউনিয়নের বুড়ি তিস্তা ব্যারেজ এলাকার উজান কুটির ডাঙ্গায় ওই তিন উপজেলার পাঁচ গ্রামের প্রায় তিন হাজার মানুষ মশাল মিছিল বের করে প্রতিবাদ জানায়। মিছিলে কিশোর, নারী ও বৃদ্ধসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।
মশাল মিছিল শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডে বুড়ি তিস্তা ব্যারেজ এলাকার প্রায় এক হাজার ২ শত ১৭ একর জমি ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নামে অধিগ্রহণ করেছে বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ । খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলে অন্তত ৭৫০টি পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়বে এবং হাজারো মানুষ সর্বস্বান্ত হয়ে পথে বসতে বাধ্য হবে।
এ সময় বক্তব্য দেন মো. আলিম ও জাহিদুল ইসলাম জাদু। তারা বলেন, “বুড়ি তিস্তা খনন হলে আমাদের বসতভিটা, ফসলি জমি ও জীবিকা সব হারাতে হবে। পরিবার-পরিজন বাঁচানোর তাগিদেই বাধ্য হয়ে আমরা মাঠে নেমেছি। এই মশাল মিছিলের মাধ্যমে আমরা সরকারের সর্বোচ্চ মহলকে জানিয়ে দিতে চাআমরা কোনোভাবেই বুড়ি তিস্তা নদী খনন চাই না। অবিলম্বে এই প্রকল্প বাতিল করে আমাদের জীবন ও বসতভূমি রক্ষা করা হোক।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বুড়ি তিস্তা খননের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মশাল মিছিল

আপডেট সময় :

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় বুড়ি তিস্তা ব্যারাজের উজানে মূল স্রোতধারা খননের প্রস্তুতি নিয়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। নদী খননের জন্য প্রয়োজনীয় খননযন্ত্র ও সরঞ্জাম কয়েকদিন আগে বুড়ি তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় আনা হলে কুড়িডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে ডিমলা, ডোমার ও জলঢাকা এই তিন উপজেলার বুড়ি তিস্তা এলাকার পাঁচটি মৌজার প্রায় ৭৫০টি পরিবারে বসবাসরত তিন হাজারেরও বেশি মানুষ। নদী খননের সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পর নীলফামারী জেলার ডিমলা সদর ইউনিয়নের বুড়ি তিস্তা ব্যারেজ এলাকার উজান কুটির ডাঙ্গায় ওই তিন উপজেলার পাঁচ গ্রামের প্রায় তিন হাজার মানুষ মশাল মিছিল বের করে প্রতিবাদ জানায়। মিছিলে কিশোর, নারী ও বৃদ্ধসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।
মশাল মিছিল শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডে বুড়ি তিস্তা ব্যারেজ এলাকার প্রায় এক হাজার ২ শত ১৭ একর জমি ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নামে অধিগ্রহণ করেছে বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ । খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলে অন্তত ৭৫০টি পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়বে এবং হাজারো মানুষ সর্বস্বান্ত হয়ে পথে বসতে বাধ্য হবে।
এ সময় বক্তব্য দেন মো. আলিম ও জাহিদুল ইসলাম জাদু। তারা বলেন, “বুড়ি তিস্তা খনন হলে আমাদের বসতভিটা, ফসলি জমি ও জীবিকা সব হারাতে হবে। পরিবার-পরিজন বাঁচানোর তাগিদেই বাধ্য হয়ে আমরা মাঠে নেমেছি। এই মশাল মিছিলের মাধ্যমে আমরা সরকারের সর্বোচ্চ মহলকে জানিয়ে দিতে চাআমরা কোনোভাবেই বুড়ি তিস্তা নদী খনন চাই না। অবিলম্বে এই প্রকল্প বাতিল করে আমাদের জীবন ও বসতভূমি রক্ষা করা হোক।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।