ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫

ভূমি ব্যবস্থাপনাকে স্মার্ট ও আধুনিকায়নে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : ভূমিমন্ত্রী

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১০:৪৯:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৪৯৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেছেন, ভূমি ব্যবস্থাপনাকে স্মার্ট ও আধুনিকায়নে উদ্যোগ নিয়েছে হাসিনা সরকার। মন্ত্রী বলেন, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, শিল্প ও খনিজ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, দারিদ্র্য বিমোচন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলাসহ উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভূমি প্রয়োজন।

তিনি বলেন, জনবান্ধব ভূমি সংস্কারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার টেকসই, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব ভূমি সংস্কারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার্স (আইডিইবি) ভবনের ভূমিমন্ত্রীর সংবর্ধনা ও বাংলাদেশ ম্যানেজমেন্ট সার্ভেয়ার’স এসোসিয়েশনের (বিএমএসএ) অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ।

বিএমএসএ’র কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ শামিউল ইসলাম শামিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দাবিনামা তুলে ধরেন বিএমএসএ’র সাধারণ সম্পাদক মো. মিরাজ হোসেন।

অনুষ্ঠানে ভূমি মন্ত্রণালয়ে কর্মরত সার্ভেয়ার পদের বেতন ১১তম গ্রেডে দাবি জানানো হয়। সার্ভেয়ার পদটি কারিগরি হওয়ায় সরকারের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সার্ভেয়ার ও সমমানের পদের পদবী পরিবর্তন করে উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সার্ভে) করারও দাবি ওঠে তোলা হয়।

সার্ভেয়ার ও সমমান পদে কর্মরতদেরকে কানুনগো, উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার, সহকারী জরিপ অফিসার বা উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে দ্রুত জেষ্ঠ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতি এবং সার্ভেয়ার পদকে কারিগরী পদ হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানায় সংগঠন।

এনিয়ে মন্ত্রী এসব দাবি বাস্তবায়নের বিষয়ে বলেন, কেউ ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না। পর্যায়ক্রমে সকল দাবি বাস্তবায়ন হবে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা নেওয়া হবে।

দুনীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স নীতির নির্দেশনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে অতীতে যে কথাগুলো ছিলো, সে কথাগুলো থেকে আমাদের মুক্ত হতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নে সার্ভেয়ারসহ সকলের সহযোগিতা চাই।

মন্ত্রী বলেন, দেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে। ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত মোকাবেলা করে প্রধানমন্ত্রী দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন। উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আপনাদেরকে স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ভুমি ব্যবস্থাপনায় এখানো দুর্নীতি চলছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এসব বন্ধ করতে হবে। কোন দালাল যেনো ভূমি অফিসে না ঢুকে সেজন্য সাধারণ মানুষকে সহযোগিতা করার জন্য সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ভূমি ব্যবস্থাপনাকে স্মার্ট ও আধুনিকায়নে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : ভূমিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:৪৯:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

 

ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেছেন, ভূমি ব্যবস্থাপনাকে স্মার্ট ও আধুনিকায়নে উদ্যোগ নিয়েছে হাসিনা সরকার। মন্ত্রী বলেন, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, শিল্প ও খনিজ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, দারিদ্র্য বিমোচন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলাসহ উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভূমি প্রয়োজন।

তিনি বলেন, জনবান্ধব ভূমি সংস্কারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার টেকসই, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব ভূমি সংস্কারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার্স (আইডিইবি) ভবনের ভূমিমন্ত্রীর সংবর্ধনা ও বাংলাদেশ ম্যানেজমেন্ট সার্ভেয়ার’স এসোসিয়েশনের (বিএমএসএ) অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ।

বিএমএসএ’র কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ শামিউল ইসলাম শামিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দাবিনামা তুলে ধরেন বিএমএসএ’র সাধারণ সম্পাদক মো. মিরাজ হোসেন।

অনুষ্ঠানে ভূমি মন্ত্রণালয়ে কর্মরত সার্ভেয়ার পদের বেতন ১১তম গ্রেডে দাবি জানানো হয়। সার্ভেয়ার পদটি কারিগরি হওয়ায় সরকারের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সার্ভেয়ার ও সমমানের পদের পদবী পরিবর্তন করে উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সার্ভে) করারও দাবি ওঠে তোলা হয়।

সার্ভেয়ার ও সমমান পদে কর্মরতদেরকে কানুনগো, উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার, সহকারী জরিপ অফিসার বা উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে দ্রুত জেষ্ঠ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতি এবং সার্ভেয়ার পদকে কারিগরী পদ হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানায় সংগঠন।

এনিয়ে মন্ত্রী এসব দাবি বাস্তবায়নের বিষয়ে বলেন, কেউ ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না। পর্যায়ক্রমে সকল দাবি বাস্তবায়ন হবে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা নেওয়া হবে।

দুনীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স নীতির নির্দেশনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে অতীতে যে কথাগুলো ছিলো, সে কথাগুলো থেকে আমাদের মুক্ত হতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নে সার্ভেয়ারসহ সকলের সহযোগিতা চাই।

মন্ত্রী বলেন, দেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে। ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত মোকাবেলা করে প্রধানমন্ত্রী দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন। উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আপনাদেরকে স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ভুমি ব্যবস্থাপনায় এখানো দুর্নীতি চলছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এসব বন্ধ করতে হবে। কোন দালাল যেনো ভূমি অফিসে না ঢুকে সেজন্য সাধারণ মানুষকে সহযোগিতা করার জন্য সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানান।