ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মানিকগঞ্জে আলিশান ভবন-দুর্নীতি ধামাচাপার আশংকা

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার পয়লা ইউনিয়নের বড়বিলা সেনপাড়া গ্রামের শ্রীধর সাহার পুত্র নেপাল সাহা ভূমি অফিসের নায়েবের চাকরি করে নিজ গ্রামে আলিশান ভবন সহ নামে বেনামে সম্পদের পাহাড় ও ঘুষ দুর্নীতির সংবাদ জাতীয় দৈনিক গণমুক্তি সহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ হওয়ার পর এখন পর্যন্ত দুর্নীতির তদন্ত না হওয়ায়,দুর্নীতির তদন্ত ধামাচাপার আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগী এবং সচেতন মহল। সংবাদের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল, গ্রামের বেশ কিছু লোকজন বলেন নেপাল সাহা তার দুই সন্তান, স্ত্রী নিয়ে দুচালা টিনের ঘরে বসবাস করতেন। কিন্তু ভূমি অফিসের নায়েবের চাকরিতে ঘুষ দুর্নীতি করে রাতারাতি কোটি কোটি টাকার আলিশান ভবন সহ কিভাবে সম্পদের পাহাড় করেছেন, তাহা আমাদের বোধগম্য নয়। তবে সঠিক তদন্ত করলে, বিশেষ করে তার দেওয়া খারিজের প্রস্তাবের তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে, গ্রামের সহজ সরল সাধারণ খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের কষ্টের পরিশ্রমের রক্ত ভেজা টাকা আর টাকা। সঠিক তদন্ত হলেই বেরিয়ে আসবে খারিজের প্রস্তাব পাঠাতে গিয়ে, কত শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন? চক মিরপুর ইউনিয়নের বানিয়া ঘোনা গ্রামের নতু শেখের তিন পুত্র একলাস মাতাব্বর, মানিক,মোতালেব ২৮ শতাংশ জমির তোর খারিজের প্রস্তাব দিতে, ১০০০০/দশ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন, সেই সাথে আরো ২০০ শতাংশ জমির খারিজের প্রস্তাবের বিষয়ে কথা বললে, নেপাল সাহা বলেন, এক লক্ষ টাকা জোগাড় করেন গা, যার ফলে এখন পর্যন্ত দুইশত( ২০০) শতাংশ জমি খারিজ করতে পারেননি। এর মধ্যে চরমাস্তল গ্রামের হতদরিদ্র ৯০ বছরের বৃদ্ধা মো: আনিস এর ৫ শতাংশ জমির খারিজের প্রস্তাব দিতে গিয়ে বছরের পর বছর ঘুরতে ঘুরতে অবশেষে নায়েব নেপাল ১০ হাজার টাকা ঘুষ হাতিয়ে নিয়ে প্রস্তাব পাঠান। মো: আনিস বাড়তি টাকা ফেরত চান এবং নায়েব নেপালের বিচার চান। নেপাল সাহা দৌলতপুর উপজেলার চক মিরপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস এবং খলশী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত থাকা অবস্থায় এলপিআরে গিয়েছেন বলে জানা যায়। এ বিষয়ে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা নেপাল সাহা বলেন চাকরি করে স্ত্রী ও দুই সন্তানের ভরণ পোষণের পাশাপাশি সঞ্চয়ের টাকা দিয়ে কোটি কোটি টাকার অট্টালিকা বিলাস বহল ভবন তৈরি করেছেন। দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউ এন ও এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বলেছেন, এসিল্যান্ডকে দিয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেব,কিন্তু এখন পর্যন্ত তদন্ত কমিটি গঠন হয়নি।দৌলতপুর উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি এসিল্যান্ড ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কে তদন্তর বিষয়ে কথা বললে, বিষয়টি এড়িয়ে যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মানিকগঞ্জে আলিশান ভবন-দুর্নীতি ধামাচাপার আশংকা

আপডেট সময় :

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার পয়লা ইউনিয়নের বড়বিলা সেনপাড়া গ্রামের শ্রীধর সাহার পুত্র নেপাল সাহা ভূমি অফিসের নায়েবের চাকরি করে নিজ গ্রামে আলিশান ভবন সহ নামে বেনামে সম্পদের পাহাড় ও ঘুষ দুর্নীতির সংবাদ জাতীয় দৈনিক গণমুক্তি সহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ হওয়ার পর এখন পর্যন্ত দুর্নীতির তদন্ত না হওয়ায়,দুর্নীতির তদন্ত ধামাচাপার আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগী এবং সচেতন মহল। সংবাদের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল, গ্রামের বেশ কিছু লোকজন বলেন নেপাল সাহা তার দুই সন্তান, স্ত্রী নিয়ে দুচালা টিনের ঘরে বসবাস করতেন। কিন্তু ভূমি অফিসের নায়েবের চাকরিতে ঘুষ দুর্নীতি করে রাতারাতি কোটি কোটি টাকার আলিশান ভবন সহ কিভাবে সম্পদের পাহাড় করেছেন, তাহা আমাদের বোধগম্য নয়। তবে সঠিক তদন্ত করলে, বিশেষ করে তার দেওয়া খারিজের প্রস্তাবের তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে, গ্রামের সহজ সরল সাধারণ খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের কষ্টের পরিশ্রমের রক্ত ভেজা টাকা আর টাকা। সঠিক তদন্ত হলেই বেরিয়ে আসবে খারিজের প্রস্তাব পাঠাতে গিয়ে, কত শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন? চক মিরপুর ইউনিয়নের বানিয়া ঘোনা গ্রামের নতু শেখের তিন পুত্র একলাস মাতাব্বর, মানিক,মোতালেব ২৮ শতাংশ জমির তোর খারিজের প্রস্তাব দিতে, ১০০০০/দশ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন, সেই সাথে আরো ২০০ শতাংশ জমির খারিজের প্রস্তাবের বিষয়ে কথা বললে, নেপাল সাহা বলেন, এক লক্ষ টাকা জোগাড় করেন গা, যার ফলে এখন পর্যন্ত দুইশত( ২০০) শতাংশ জমি খারিজ করতে পারেননি। এর মধ্যে চরমাস্তল গ্রামের হতদরিদ্র ৯০ বছরের বৃদ্ধা মো: আনিস এর ৫ শতাংশ জমির খারিজের প্রস্তাব দিতে গিয়ে বছরের পর বছর ঘুরতে ঘুরতে অবশেষে নায়েব নেপাল ১০ হাজার টাকা ঘুষ হাতিয়ে নিয়ে প্রস্তাব পাঠান। মো: আনিস বাড়তি টাকা ফেরত চান এবং নায়েব নেপালের বিচার চান। নেপাল সাহা দৌলতপুর উপজেলার চক মিরপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস এবং খলশী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত থাকা অবস্থায় এলপিআরে গিয়েছেন বলে জানা যায়। এ বিষয়ে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা নেপাল সাহা বলেন চাকরি করে স্ত্রী ও দুই সন্তানের ভরণ পোষণের পাশাপাশি সঞ্চয়ের টাকা দিয়ে কোটি কোটি টাকার অট্টালিকা বিলাস বহল ভবন তৈরি করেছেন। দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউ এন ও এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বলেছেন, এসিল্যান্ডকে দিয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেব,কিন্তু এখন পর্যন্ত তদন্ত কমিটি গঠন হয়নি।দৌলতপুর উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি এসিল্যান্ড ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কে তদন্তর বিষয়ে কথা বললে, বিষয়টি এড়িয়ে যান।