মুন্সীগঞ্জে বিএনপি নেতার কর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, আহত ৮জন
- আপডেট সময় : ১৪৫ বার পড়া হয়েছে
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায় বিএনপির ৮জন নেতাকর্মীর ওপর সন্ত্রাসী তরিকুল বাহিনী কর্তৃক হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে দেওলভোগ দয়হাটা বায়তুল আমান জামে মসজিদের ভেতরে এ হামলার ঘটনায় কমপক্ষে ৮ জন আহত হন। তবে গুরুতর আহত হয়েছে আব্দুর রহিম(৪৮), আক্তার হোসেন(৪৫), মমিনুল ইসলাম ফাহিম(২২)।
এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার মাগরিবের নামাজের পর একটি জানাজায় অংশ নিতে বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু ও মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক সদস্য আলহাজ্ব মোমিন আলী দয়হাটা এলাকায় যান। জানাজা নামাজের পূর্বে শেষে মসজিদে মাগরিবের নামাজ আদায়ের সময় সন্ত্রাসী তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ২০-৩০ জনের একটি দল তার পথরোধ করে। পরে মীর সরফত আলী সপু ও মমীন আলী মোটরসাইকেলে করে মসজিদে পৌঁছালে সেখানেও তার কর্মীদের ওপর সংঘবদ্ধ হামলা চালানো হয়। হামলায় আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
মীর সরফত আলী সপু বলেন, আমি নামাজরত ছিলাম, হঠাৎই খবর পাই বিএনপির কর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। কর্মীরা দৌড়ে মসজিদে ঢুকলেও সন্ত্রাসীরা মসজিদের ভেতরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে অতর্কিত হামলা চালায়। প্রশাসনের সঙ্গে কথা হয়েছে-আমি দাবি জানাই, আজ রাতের মধ্যেই যেন সব সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়।
শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল হুদা খান বলেন, ঘটনায় জড়িত একজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলছে। জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির মনোনয়নকে কেন্দ্র করে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এ হামলার ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
উল্লেখ্য, গত ১০জানুয়ারি ২০২৫ইং তারিখ শ্রীনগর থানায় গ্রেফতার হলে বিএনপি নেতা হাফিজের নেতৃত্বে তাকে থানা থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে শনিবার ১১ই জানুয়ারি ছাত্র জনতা ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ব্লক করে আন্দোলন করলে। সেই দিন দুপুরে শ্রীনগর থানার এসআই আবদুর রাজ্জাক বাদী হয়ে যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের ৩১ জনের নাম উল্লেখসহ ২০১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।












