ঢাকা ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

রায়পুরে ভাবিকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ

রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৫৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের পূর্ব কেরোয়া ইউপির মাঝি বাড়িতে জমির দলিল নিয়ে বিরোধের জের ধরে ফাতেমা বেগম (৪৫) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে দেবরসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী জেলা জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী ফাতেমা বেগম জানান, গত ২২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার নাগাদ ফাতেমা বেগম (৪৫) নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে হঠাৎ তার দেবর চৌধুরী আলম, শাহাবুদ্দিন ও জাহানারা বেগম তার বসত ঘরে ডুকে জায়গা- জমির দলিলপত্র দিতে বললে আমি নাকোজ করলে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তারা আমাকে এলোপাতাড়ি কিল, গুষি মারধর ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং একপর্যায়ে চৌধুরী আলম বটি দিয়ে কোপ দিতে উদ্যত হন। আমার ছোট মেয়ে বাধা দিলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে চুলের মুঠি ধরে মারধর ও শ্লীলতাহানি করেন। প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে তারা হুমকি দিয়ে চলে যান।”
ভুক্তভোগীর ছোট মেয়ে নিশি অভিযোগ করে বলেন, “আমার চাচারা তিনজন মিলে মাকে বেদম মারধর করেন। আমি বাধা দিলে আমাকেও গালিগালাজ করা হয়। আমরা এর বিচার চাই।”
স্থানীয় কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা ফাতেমা বেগমকে মারধরের দৃশ্য দেখেছেন।
তবে প্রধান অভিযুক্ত চৌধুরী আলম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “ভাবির মেয়ের জামাই ইনসুরেন্সের টাকা নিয়ে সঠিকভাবে হিসাব না দেওয়ায় কথা কাটাকাটি হয়েছে। ধাক্কাধাক্কি হয়েছে, কিন্তু মারধরের অভিযোগ সঠিক নয়। দলিল চাওয়ার বিষয়টিও ভিত্তিহীন।”
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী আইনগত প্রতিকার চেয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার তদন্ত ও পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রায়পুরে ভাবিকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ

আপডেট সময় :

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের পূর্ব কেরোয়া ইউপির মাঝি বাড়িতে জমির দলিল নিয়ে বিরোধের জের ধরে ফাতেমা বেগম (৪৫) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে দেবরসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী জেলা জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী ফাতেমা বেগম জানান, গত ২২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার নাগাদ ফাতেমা বেগম (৪৫) নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে হঠাৎ তার দেবর চৌধুরী আলম, শাহাবুদ্দিন ও জাহানারা বেগম তার বসত ঘরে ডুকে জায়গা- জমির দলিলপত্র দিতে বললে আমি নাকোজ করলে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তারা আমাকে এলোপাতাড়ি কিল, গুষি মারধর ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং একপর্যায়ে চৌধুরী আলম বটি দিয়ে কোপ দিতে উদ্যত হন। আমার ছোট মেয়ে বাধা দিলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে চুলের মুঠি ধরে মারধর ও শ্লীলতাহানি করেন। প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে তারা হুমকি দিয়ে চলে যান।”
ভুক্তভোগীর ছোট মেয়ে নিশি অভিযোগ করে বলেন, “আমার চাচারা তিনজন মিলে মাকে বেদম মারধর করেন। আমি বাধা দিলে আমাকেও গালিগালাজ করা হয়। আমরা এর বিচার চাই।”
স্থানীয় কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা ফাতেমা বেগমকে মারধরের দৃশ্য দেখেছেন।
তবে প্রধান অভিযুক্ত চৌধুরী আলম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “ভাবির মেয়ের জামাই ইনসুরেন্সের টাকা নিয়ে সঠিকভাবে হিসাব না দেওয়ায় কথা কাটাকাটি হয়েছে। ধাক্কাধাক্কি হয়েছে, কিন্তু মারধরের অভিযোগ সঠিক নয়। দলিল চাওয়ার বিষয়টিও ভিত্তিহীন।”
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী আইনগত প্রতিকার চেয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার তদন্ত ও পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।