ঢাকা ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

শিক্ষকে পিটিয়ে হাত ভেঙ্গে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা

নড়িয়া (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৪৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শরীয়তপুরের নড়িয়ার ভোজেশ্বরের ১৩০ বছরের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠ, বিঝারী উপসী তারা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বিটিএ) এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আমীন রতনের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে।
গত মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১ টার দিকে চিহ্নিত ও অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা তার উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে বেদরক পিটিয়ে তার ডান হাত ভেঙ্গে দিয়েছে। বর্তমানে শিক্ষক নুরুল আমীন রতন শরীয়তপুরে একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এঘটনায় বিচার দাবি করেছেন বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষার্থীসহ তার পরিবার।
মঙ্গলবার সকাল থেকে, বিঝারী উপসী তারা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি সম্প্রসারিত ভবনের ৩য় তলার ছাদ ঢালই চলছিল, তাই তিনি বিদ্যালয়ে এসেছিলেন। রোজা রাখা অবস্থায় দুপুরে তিনি বিদ্যালয় থেকে জোহরের নামাজ আদায়ের জন্য রিক্সা যোগে ভোজেশ্বর বাজার জামে মসজিদে যাওয়ার পথে, উপসী গ্রামের তিন দোকান এলাকায় পৌছালে, উৎপেতে থাকা কয়েকজন জন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ১০ /১২ জন অজ্ঞত সন্ত্রাসীরা তাকে রিক্সা থেকে টেনে হেচরে নামিয়ে তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তাকে লাঠি সোঠা দিয়ে বেদরক পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে রাস্তায় ফেলে রেখে যায়। আহত শিক্ষককে স্থানীয়রা ও তার আত্নীয় স্বজনরা উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নেয়। অর্থোপেডিক চিকিৎসক না থাকায় পরে শরীয়তপুর জেলা শহরের খান ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকে এনে ভর্তি করে তার পরিবার।
ক্লিনিকের দায়িত্বরত অর্থোপেডিক সার্জন ডাক্তার মফিজুর রহমান স্বপন চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি জানান, শিক্ষক নুরুল আমীন রতনের ডান হাতের হাড় ভেঙ্গে গেছে। তার সারা শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে । ক্লিনিক থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
শিক্ষক নুরুল আমীন রতন জানান, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত করার জন্য নড়িয়া উপজেলা যুবদল নেতার নাম প্রস্তাব না করাকে কেন্দ্র করে তাকে ঐ যুবদল নেতার নির্দেশে তার উপর হামলা হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা।
তার স্ত্রী জমসেদা এই সন্ত্রাসী হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেন।
এখনো নড়িয়া থানায় কোন মামলা দায়ের হয়নি। অভিযোগ পেলে মামলা নিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে জানান নড়িয়া থানার ওসি মোঃ বাহার মিয়া। এদিকে এঘটনার পর থেকে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ ও এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শিক্ষকে পিটিয়ে হাত ভেঙ্গে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা

আপডেট সময় :

শরীয়তপুরের নড়িয়ার ভোজেশ্বরের ১৩০ বছরের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠ, বিঝারী উপসী তারা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বিটিএ) এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আমীন রতনের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে।
গত মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১ টার দিকে চিহ্নিত ও অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা তার উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে বেদরক পিটিয়ে তার ডান হাত ভেঙ্গে দিয়েছে। বর্তমানে শিক্ষক নুরুল আমীন রতন শরীয়তপুরে একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এঘটনায় বিচার দাবি করেছেন বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষার্থীসহ তার পরিবার।
মঙ্গলবার সকাল থেকে, বিঝারী উপসী তারা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি সম্প্রসারিত ভবনের ৩য় তলার ছাদ ঢালই চলছিল, তাই তিনি বিদ্যালয়ে এসেছিলেন। রোজা রাখা অবস্থায় দুপুরে তিনি বিদ্যালয় থেকে জোহরের নামাজ আদায়ের জন্য রিক্সা যোগে ভোজেশ্বর বাজার জামে মসজিদে যাওয়ার পথে, উপসী গ্রামের তিন দোকান এলাকায় পৌছালে, উৎপেতে থাকা কয়েকজন জন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ১০ /১২ জন অজ্ঞত সন্ত্রাসীরা তাকে রিক্সা থেকে টেনে হেচরে নামিয়ে তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তাকে লাঠি সোঠা দিয়ে বেদরক পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে রাস্তায় ফেলে রেখে যায়। আহত শিক্ষককে স্থানীয়রা ও তার আত্নীয় স্বজনরা উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নেয়। অর্থোপেডিক চিকিৎসক না থাকায় পরে শরীয়তপুর জেলা শহরের খান ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকে এনে ভর্তি করে তার পরিবার।
ক্লিনিকের দায়িত্বরত অর্থোপেডিক সার্জন ডাক্তার মফিজুর রহমান স্বপন চিকিৎসা প্রদান করেন। তিনি জানান, শিক্ষক নুরুল আমীন রতনের ডান হাতের হাড় ভেঙ্গে গেছে। তার সারা শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে । ক্লিনিক থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
শিক্ষক নুরুল আমীন রতন জানান, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত করার জন্য নড়িয়া উপজেলা যুবদল নেতার নাম প্রস্তাব না করাকে কেন্দ্র করে তাকে ঐ যুবদল নেতার নির্দেশে তার উপর হামলা হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা।
তার স্ত্রী জমসেদা এই সন্ত্রাসী হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেন।
এখনো নড়িয়া থানায় কোন মামলা দায়ের হয়নি। অভিযোগ পেলে মামলা নিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে জানান নড়িয়া থানার ওসি মোঃ বাহার মিয়া। এদিকে এঘটনার পর থেকে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ ও এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।