শেরপুরে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি এমপি সিরাজের
- আপডেট সময় : ৪৬ বার পড়া হয়েছে
বগুড়ার শেরপুর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার বেলা পৌনে তিনটার দিকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সভা শুরু হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শেরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এম আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ আহম্মেদ।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-০৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য গোলাম মোঃ সিরাজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী সদস্য কে এম মাহবুবুর রহমান হারেজ, সাবেক বগুড়া জেলা বিএনপির উপদেষ্টা জানে আলম খোকা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি শহিদুল ইসলাম বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক ভিপি রফিকুল ইসলাম মিন্টু, পৌর বিএনপির সভাপতি শ্রী স্বাধীন কুমার কুন্ডু, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহম্মেদ জুয়েল। এছাড়াও উপজেলা বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা সভায় অংশ নেন।
সভায় শুরুতে ইউএনও এম আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ আহম্মেদ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের কাছ থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মতামত ও অভিযোগ শোনেন। এ সময় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে সড়ক ও বাজার এলাকায় চাঁদাবাজি, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অতিরিক্ত ফি আদায়সহ কিশোরগ্যাং ও মাদকের বিভিন্ন অনিয়মের বিষয় তুলে ধরা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য গোলাম মোঃ সিরাজ চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান। তিনি বলেন, “কোনোভাবেই চাঁদাবাজি বরদাশত করা হবে না। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল সম্পাদনের মোট খরচ সাত হাজার পাঁচশত টাকার বেশি নেওয়া যাবে না। এর অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন।
সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও এম আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ আহম্মেদ বলেন, হাইওয়ে সড়কের উলিপুর মসজিদের সামনে অবৈধভাবে চাঁদা তোলা বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি ভবানীপুর বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের বিষয়ে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
সভায় সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বক্তারা বলেন, জনভোগান্তি কমাতে এবং স্বচ্ছ প্রশাসন নিশ্চিত করতে নিয়মিত নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।
সভা শেষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।


















