ঢাকা ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

শ্লীলতাহানি, ভাংচুর ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৭৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিদেশে অবস্থানরত স্বামীর সাথে লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে বসতবাড়ীতে অনধিকার প্রবেশ, শ্লীলতাহানি, মারধর, ভাংচুর ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোবব‍ার মডেল প্রেসক্লাব চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর হল রুমে মোসা: মর্জিনা খাতুন (৩৮) নামে এক নারী এই সংবাদ সম্মেলন করেন।
মোসা: মর্জিনা খাতুন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার পোলাডাঙ্গা গ্রামের মোঃ তহুরুলের স্ত্রী। এক লিখিত বক্তব্যে মোসা: মর্জিনা খাতুন বলেন, গত ৫-৬ মাস আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৪ নং ওয়ার্ডের ধাপাপাড়া গ্রামের মৃত গোলাম কিবরিয়া ছেলে মোঃ শরিফ আলী আমার বাবার বাড়িতে এসে বলেন, তোমার স্বামী তহুরুলের কাছে ২০ লক্ষ টাকা পাবো, তুমি বাড়ি বিক্রায় করে হোক, জমি বিক্রির করে হোক যেমন করে পারো আমার টাকা পরিশোধ করো। তখন আমি তাকে জানায়, আমার স্বামী আমাদের কোন খোঁজ খবর রাখে না এবং খরচ পাতিও দেই না, আমি বাবার বাড়িতে খেয়ে না খেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি। আপনারা তহুরুলের সাথে ঝামেলা তহুরুলের সাথেই মারেন। আমি এ ব্যাপারে কোন কিছুই করতে পারবোনা, তখন সে আমাকে নানা রাকম হুমকি ধামকি দিয়ে চলে যায়, এরপরও শরিফ বিভিন্ন সময় আমাকে আমার বাবার বাড়িসহ বিভিন্ন জায়গান টাকার দাবী করে অপমান অপদস্ত করেন। গত ২ জানুয়ারী ২০২৬ আমার বাবার বাড়িতে এসে একটি ৫০০ টাজার বান্ডিল আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলে কতো টাকা আছে গুন, আমি টাকা গুনতে থাকলে শরিফ কৌশলে ভিডিও ধারন করে এবং আবারও ২০ লক্ষ টাকা দাবি করে বলে এই যে ভিডিও দেখ তুমি টাকা নিচ্ছো তোমাকেই টাকা দিতে হবে। এরপর গত ১৫ জানুয়ারী ২০২৬ তারিখে কোটে আমার নামে মামলা করেন, আমি আদালতে হাজির হয়ে ৫ ফেব্রুয়ারী জামিন নেই।শরিফ আলী মামলা করেও ক্ষান্ত হননি গত ১৮ ফেব্রুয়ারী বিকেল অনুমানিক ৩ ঘটিকার সময় আমার বাবার বসতবাড়ীতে অনধিকার প্রবেশ করে, আমার শ্লীলতাহানি করে, মারধর ও আসবাবপত্র ভাংচুর করে আলমারি থেকে জোরপূর্বক ৭০ হাজার টাকা ও ৪ ভরি সোনা নিয়ে চলে যায়। আমি আহত আবস্থায় ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকলে পরবর্তীতে আমার বড় বোন ও ভাগ্নী আমাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিংসা নেই।
আমি আপনাদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি আমার বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলার প্রত্যাহার করা হোক এবং আমাকে শ্লীলতাহানি, মারধর, ভাংচুর ও মিথ্যা মামলার করার তিব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগী বড় বোন হাফিজা খাতুন সহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। অভিযুক্ত শরিফের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শ্লীলতাহানি, ভাংচুর ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় :

বিদেশে অবস্থানরত স্বামীর সাথে লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে বসতবাড়ীতে অনধিকার প্রবেশ, শ্লীলতাহানি, মারধর, ভাংচুর ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোবব‍ার মডেল প্রেসক্লাব চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর হল রুমে মোসা: মর্জিনা খাতুন (৩৮) নামে এক নারী এই সংবাদ সম্মেলন করেন।
মোসা: মর্জিনা খাতুন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার পোলাডাঙ্গা গ্রামের মোঃ তহুরুলের স্ত্রী। এক লিখিত বক্তব্যে মোসা: মর্জিনা খাতুন বলেন, গত ৫-৬ মাস আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৪ নং ওয়ার্ডের ধাপাপাড়া গ্রামের মৃত গোলাম কিবরিয়া ছেলে মোঃ শরিফ আলী আমার বাবার বাড়িতে এসে বলেন, তোমার স্বামী তহুরুলের কাছে ২০ লক্ষ টাকা পাবো, তুমি বাড়ি বিক্রায় করে হোক, জমি বিক্রির করে হোক যেমন করে পারো আমার টাকা পরিশোধ করো। তখন আমি তাকে জানায়, আমার স্বামী আমাদের কোন খোঁজ খবর রাখে না এবং খরচ পাতিও দেই না, আমি বাবার বাড়িতে খেয়ে না খেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি। আপনারা তহুরুলের সাথে ঝামেলা তহুরুলের সাথেই মারেন। আমি এ ব্যাপারে কোন কিছুই করতে পারবোনা, তখন সে আমাকে নানা রাকম হুমকি ধামকি দিয়ে চলে যায়, এরপরও শরিফ বিভিন্ন সময় আমাকে আমার বাবার বাড়িসহ বিভিন্ন জায়গান টাকার দাবী করে অপমান অপদস্ত করেন। গত ২ জানুয়ারী ২০২৬ আমার বাবার বাড়িতে এসে একটি ৫০০ টাজার বান্ডিল আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলে কতো টাকা আছে গুন, আমি টাকা গুনতে থাকলে শরিফ কৌশলে ভিডিও ধারন করে এবং আবারও ২০ লক্ষ টাকা দাবি করে বলে এই যে ভিডিও দেখ তুমি টাকা নিচ্ছো তোমাকেই টাকা দিতে হবে। এরপর গত ১৫ জানুয়ারী ২০২৬ তারিখে কোটে আমার নামে মামলা করেন, আমি আদালতে হাজির হয়ে ৫ ফেব্রুয়ারী জামিন নেই।শরিফ আলী মামলা করেও ক্ষান্ত হননি গত ১৮ ফেব্রুয়ারী বিকেল অনুমানিক ৩ ঘটিকার সময় আমার বাবার বসতবাড়ীতে অনধিকার প্রবেশ করে, আমার শ্লীলতাহানি করে, মারধর ও আসবাবপত্র ভাংচুর করে আলমারি থেকে জোরপূর্বক ৭০ হাজার টাকা ও ৪ ভরি সোনা নিয়ে চলে যায়। আমি আহত আবস্থায় ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকলে পরবর্তীতে আমার বড় বোন ও ভাগ্নী আমাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিংসা নেই।
আমি আপনাদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি আমার বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলার প্রত্যাহার করা হোক এবং আমাকে শ্লীলতাহানি, মারধর, ভাংচুর ও মিথ্যা মামলার করার তিব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগী বড় বোন হাফিজা খাতুন সহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। অভিযুক্ত শরিফের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।