ঢাকা ০১:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

স্বাধীনতার পর দাগনভূঞা থেকে এমপি নির্বাচিত

শাখাওয়াত হোসেন টিপু, দাগনভূঞা (ফেনী)
  • আপডেট সময় : ৭৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর দাগনভূঞা উপজেলা থেকে এই প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু। স্বাধীনতার পর দাগনভূঞা উপজেলাকে সেনবাগের সঙ্গে সংযুক্ত করলে সেনবাগ উপজেলা থেকে এমপি নির্বাচিত হয়। এরপর ফেনী-২ আসনের সদর উপজেলার সঙ্গে সংযুক্ত করলে সদর থেকেই এমপি নির্বাচিত হয়। এরপর ২০০৮ সালে দাগনভূঞা উপজেলাকে ফেনী-৩ আসন সোনাগাজীর সঙ্গে সংযুক্ত করলে সোনাগাজী উপজেলা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আসছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ (দাগনভূঞা ও সোনাগাজী) আসনে আটজন প্রার্থী নির্বাচন করেন। তাদের সবার বাড়ি দাগনভূঞা উপজেলায়। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে এ আসন থেকে ধানের শীষ প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু ১ লাখ ৫৭ হাজার ৪২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম জামায়াত প্রার্থী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক ১ লাখ ৮ হাজার ১৬০ ভোট পান।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) দাগনভূঞা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবু তাহের আজাদ বলেন, দাগনভূঞা থেকে দীর্ঘদিন সংসদ সদস্য না থাকায় এ উপজেলা বিভিন্ন উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। দাগনভূঞার কৃতীসন্তান আবদুল আউয়াল মিন্টু একজন সজ্জন মানুষ। আমরা আশা করি তিনি দাগনভূঞা উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন।

এদিকে বিজয় লাভের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘আমি পরাজিত প্রার্থী মানিকসহ সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই।’ তিনি ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘আমি আপনাদের এ ভালোবাসায় অভিভূত। আমি আমার কাজ দিয়ে এবং এলাকার উন্নয়ন করে আপনাদের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চাই।’

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

স্বাধীনতার পর দাগনভূঞা থেকে এমপি নির্বাচিত

আপডেট সময় :

স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর দাগনভূঞা উপজেলা থেকে এই প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু। স্বাধীনতার পর দাগনভূঞা উপজেলাকে সেনবাগের সঙ্গে সংযুক্ত করলে সেনবাগ উপজেলা থেকে এমপি নির্বাচিত হয়। এরপর ফেনী-২ আসনের সদর উপজেলার সঙ্গে সংযুক্ত করলে সদর থেকেই এমপি নির্বাচিত হয়। এরপর ২০০৮ সালে দাগনভূঞা উপজেলাকে ফেনী-৩ আসন সোনাগাজীর সঙ্গে সংযুক্ত করলে সোনাগাজী উপজেলা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আসছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ (দাগনভূঞা ও সোনাগাজী) আসনে আটজন প্রার্থী নির্বাচন করেন। তাদের সবার বাড়ি দাগনভূঞা উপজেলায়। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে এ আসন থেকে ধানের শীষ প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু ১ লাখ ৫৭ হাজার ৪২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম জামায়াত প্রার্থী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক ১ লাখ ৮ হাজার ১৬০ ভোট পান।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) দাগনভূঞা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবু তাহের আজাদ বলেন, দাগনভূঞা থেকে দীর্ঘদিন সংসদ সদস্য না থাকায় এ উপজেলা বিভিন্ন উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। দাগনভূঞার কৃতীসন্তান আবদুল আউয়াল মিন্টু একজন সজ্জন মানুষ। আমরা আশা করি তিনি দাগনভূঞা উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন।

এদিকে বিজয় লাভের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘আমি পরাজিত প্রার্থী মানিকসহ সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই।’ তিনি ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘আমি আপনাদের এ ভালোবাসায় অভিভূত। আমি আমার কাজ দিয়ে এবং এলাকার উন্নয়ন করে আপনাদের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চাই।’