ঢাকা ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ঝিনাইদহে সংরক্ষিত নারী আসনে তহুরা  খাতুনকে ঘিরে তৃণমূলের প্রত্যাশা Logo নওগাঁর ঠাকুরমান্দার ২শ বছরের পূরনো রাজখাড়া দেবত্তোর ষ্টেটের শ্রী শ্রী জয় কালি মাতা মন্দির ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের পরিদর্শন Logo সদর মডেল থানা ও রামু থানায় ১৪ ছিনতাইকারী গ্রেফতার Logo এপেক্স বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন নুরুল আমিন চৌধুরী Logo জনভোগান্তি কমাতে প্রশাসনের জোর তৎপরতা, সচেতনতার আহ্বান Logo ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐকমত্যের ডাক দিলেন তানিয়া রব Logo মানিকগঞ্জে পেটে লাথি মেরে ভ্রূণ হত্যার অভিযোগ Logo তারাকান্দায় বসতবাড়ি সংলগ্ন মাটি খনন করায় বসতবাড়ি ধসে যাওয়ার শঙ্কা Logo বলাৎকারের খবর প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের নামে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের মামলা Logo তারাকান্দায় ফখরুদ্দিন হত্যার জেরে ধরে বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট

৯০০ কোটি টাকার মুছাপুর রেগুলেটর প্রকল্প দেখতে আসছেন দুই মন্ত্রী

ইমাম হোসেন খাঁন, কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী)
  • আপডেট সময় : ৪৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়াবহ নদীভাঙন রোধে ছোট ফেনী নদীর ওপর ৯০০ কোটি টাকার ‘মুছাপুর রেগুলেটর’ নির্মাণ প্রকল্প দেখতে সোনাগাজী আসছেন সরকারের দুই মন্ত্রী ও স্থানীয় এমপি। এরা হলেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় দুই মন্ত্রী মুছাপুর রেগুলেটর এলাকা দেখতে যাবেন। সেখানে নদীভাঙনে ভুক্তভোগী জনগণ মন্ত্রীদের মাধ্যমে সরকারের কাছে তাদের দাবি তুলে ধরবেন।
২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট প্রবল বর্ষণ ও উজানের ঢলে মুছাপুরের ২৩ ভেন্ট রেগুলেটরটি ভেঙে যায়। এতে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ, ফেনীর সোনাগাজী, দাগনভূঁইয়া উপজেলায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দেয়। ওই স্থানে আরেকটি রেগুলেটর নির্মাণে সরকার ৮৯৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এখন একনেকে পাস হলেই প্রকল্পটির কাজ দ্রুত চালু হবে।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রস্তাবিত মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোটফেনী এবং বামনী নদী অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পটি মোট ৮৯৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে চলতি মাস থেকে ২০৩০ সালের জুন মেয়াদে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপনের নিমিত্তে প্রস্তুত করা হয়েছে।
এর আগে, ২০০৫ সালে কোম্পানীগঞ্জের উপকূলে অব্যাহত নদীভাঙন ঠেকাতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব অর্থায়নে ‘নতুন ডাকাতিয়া ও পুরাতন ডাকাতিয়া-ছোট ফেনী নদীর পানি নিষ্কাশন প্রকল্পের’ আওতায় ১৯ কোটি ৪৪ লাখ ৭৪ হাজার টাকা ব্যয়ে ২৩ ভেন্টের মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণ শুরু হয়। ওই বছরের ৮ মার্চ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তুর স্থাপন করেন। রেগুলেটরের নির্মাণ কাজ শেষে ২৩টি ভেন্টে ২৩টি রেডিয়াল গেট ও ফ্ল্যাপ গেট স্থাপন করা হয়। এ রেগুলেটরের পানি নিষ্কাশন ক্ষমতা ৭৫৬.১৫ ঘনমিটার/সেকেন্ড এবং এর পানিধারণ ক্ষমতা সমতল (+) ৪.০০ মিটার (পিডব্লিউডি)।
নোয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম রিফাত জামিল বলেন, মন্ত্রীদ্বয় নদীভাঙন রোধে গৃহীত নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর রেগুলেটর ছাড়াও বামনী ক্লোজার ও উড়িরচর ক্রসড্যাম নির্মাণ এলাকা পরিদর্শন করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

৯০০ কোটি টাকার মুছাপুর রেগুলেটর প্রকল্প দেখতে আসছেন দুই মন্ত্রী

আপডেট সময় :

ভয়াবহ নদীভাঙন রোধে ছোট ফেনী নদীর ওপর ৯০০ কোটি টাকার ‘মুছাপুর রেগুলেটর’ নির্মাণ প্রকল্প দেখতে সোনাগাজী আসছেন সরকারের দুই মন্ত্রী ও স্থানীয় এমপি। এরা হলেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় দুই মন্ত্রী মুছাপুর রেগুলেটর এলাকা দেখতে যাবেন। সেখানে নদীভাঙনে ভুক্তভোগী জনগণ মন্ত্রীদের মাধ্যমে সরকারের কাছে তাদের দাবি তুলে ধরবেন।
২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট প্রবল বর্ষণ ও উজানের ঢলে মুছাপুরের ২৩ ভেন্ট রেগুলেটরটি ভেঙে যায়। এতে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ, ফেনীর সোনাগাজী, দাগনভূঁইয়া উপজেলায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দেয়। ওই স্থানে আরেকটি রেগুলেটর নির্মাণে সরকার ৮৯৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এখন একনেকে পাস হলেই প্রকল্পটির কাজ দ্রুত চালু হবে।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রস্তাবিত মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোটফেনী এবং বামনী নদী অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পটি মোট ৮৯৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে চলতি মাস থেকে ২০৩০ সালের জুন মেয়াদে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপনের নিমিত্তে প্রস্তুত করা হয়েছে।
এর আগে, ২০০৫ সালে কোম্পানীগঞ্জের উপকূলে অব্যাহত নদীভাঙন ঠেকাতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব অর্থায়নে ‘নতুন ডাকাতিয়া ও পুরাতন ডাকাতিয়া-ছোট ফেনী নদীর পানি নিষ্কাশন প্রকল্পের’ আওতায় ১৯ কোটি ৪৪ লাখ ৭৪ হাজার টাকা ব্যয়ে ২৩ ভেন্টের মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণ শুরু হয়। ওই বছরের ৮ মার্চ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তুর স্থাপন করেন। রেগুলেটরের নির্মাণ কাজ শেষে ২৩টি ভেন্টে ২৩টি রেডিয়াল গেট ও ফ্ল্যাপ গেট স্থাপন করা হয়। এ রেগুলেটরের পানি নিষ্কাশন ক্ষমতা ৭৫৬.১৫ ঘনমিটার/সেকেন্ড এবং এর পানিধারণ ক্ষমতা সমতল (+) ৪.০০ মিটার (পিডব্লিউডি)।
নোয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম রিফাত জামিল বলেন, মন্ত্রীদ্বয় নদীভাঙন রোধে গৃহীত নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর রেগুলেটর ছাড়াও বামনী ক্লোজার ও উড়িরচর ক্রসড্যাম নির্মাণ এলাকা পরিদর্শন করবেন।