জয়পুরহাটে এলজিইডির সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ১৬৭ বার পড়া হয়েছে
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার এলজিইডির সড়ক প্রশস্তকরণ ও দৃঢ়ীকরণ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি এ প্রকল্পের কাজে নিম্নমানের উপকরণ, সঠিকভাবে সেতু নির্মাণ না করে তিন ফসলি জমির মাটি খননযন্ত্র দিয়ে কেটে রাস্তার সাইড ফিলিং করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার জিন্দারপুর ইউনিয়নের মোলামগাড়ী হাট থেকে ধাপের হাট পর্যন্ত ২ কিলোমিটার রাস্তায় এই কাজ চলছে। জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এলজিইডির আরডিআইআরডব্লিউএসপি প্রকল্পের আওতায় ৩ কোটি ৪৫ লাখ ৭০ হাজার ৯৫১ টাকায় এ কাজ বাস্তবায়ন করছে চুয়াডাঙ্গার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জাকাউল্লাহ অ্যান্ড ব্রাদার্স লিমিটেড। কাজটি শুরু হয়েছে চলতি বছরের ১ এপ্রিল। শেষ হওয়ার কথা ১১ নভেম্বর, ২০২৫ ইং।
স্থানীয়দের সঙ্গে প্রকল্প এলাকায় কথা বলে জানা গেছে, পুরোনো রাস্তার কার্পেটিং ও ব্রেডের খোয়া তুলে শুধু পাথর সমতল করে রোলার দিয়ে চেপে দেওয়া হচ্ছে। তার ওপর খোয়া ছিটিয়ে পিচ ঢালার প্রস্তুতি চলছে। গ্রামবাসীর অভিযোগ, এভাবে কাজ করলে রাস্তাদীর্ঘস্থায়ী হবে না। অভিযোগ রয়েছে, রাস্তায় ব্যবহারের জন্য নিম্নমানের খোয়া এনে রাখা হয়েছে। সড়কের নানাহার গ্রামের বসনাহার মাঠের পশ্চিম পাশে ‘ভাই ভাই নার্সারি’-সংলগ্ন উত্তর পাশে একটি, এর প্রায় ১০০ মিটার দূরত্বে দ্বিতীয়টি এবং আরও ৮০ মিটার দূরত্বে দক্ষিণ পাশ্বে তৃতীয়টিসহ মোট তিনটি কালভার্ট রয়েছে। পুরোনো বড় কালভার্টটি তুলে নতুনভাবে নির্মাণ করা হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তির জমির মুখে সেতু পড়ায় প্রকৌশলী ও ঠিকাদার যোগসাজশে কালভার্ট অন্যত্রয় সরানোর চেষ্টা করছেন। এতে জলাবদ্ধতায় ফসলহানি হচ্ছে বলে কৃষকেরা অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মাহবুব আলম বলেন, ‘এলজিইডির ডিজাইন ও শিডিউল অনুযায়ী কাজ হচ্ছে।
কালাই উপজেলা প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষকেরা যে কালভার্ট বন্ধের কথা বলছেন, সেটি এলজিইডি বা ঠিকাদার করেননি। কে বন্ধ করেছেন জানি না। জমির মাটি কাটার ব্যাপারে যাঁরা বাধা দেননি, তাঁদের জমি থেকে মাটি নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রকল্পের কাজ নিয়ম মেনে করা হচ্ছে। এলজিইডির পক্ষ থেকে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।’













