ঢাকা ১১:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

বিশ্বম্ভরপুরে আওয়ামী পন্থী হযরত আলী গংদের অত্যাচার অতিষ্ঠ এলাকাবাসী রেহায় পাইনি আমেনা খাতুনও

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৩২১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ২নং পলাশ ইউনিয়নের নতুন গোলগাঁও গ্রামের বাসিন্দা আওয়ামী লীগের উগ্রবাদী কর্মি হযরত আলীর গংদের নিয়ে অসহায় আমেনার বাড়ি বেদখল করতে গেলে আমেনা খাতুন বাধা দিলে হযরত আলী গংরা দা-লাঠিসোটা দিয়ে আমেনার উপর হামলা করে এতে দা এর কুঁপে আমেনার মাথা কেটে গুরুতর আহত হয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে বিশ্বম্ভরপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এলাকা সূত্রে জানা যায়, হযরত আলী আওয়ামী লীগের দাপট দেখিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ আমেনা খাতুনের বাড়ি বেদখল করার চেষ্টা করে আসছিলো, কিন্তু হযরত আলী গংরা বারবার ব্যর্থ হলেও ক্যান্ত হননি, বর্তমানে আওয়ামী লীগ দেশে না থাকলেও হযরত আলী গংদের দাপট রয়েই গেছে, হযরত আলী গংরা গত ১৭/৭/২৫ ইং তারিখে সকালে আবারও আমেনা খাতুনের বাড়ি বেদখল করতে গেলে আমেনা খাতুন বাধা দিলেই এরকম ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে আমেনার ছেলে হক মিয়া জানান, হযরত আলীর গংরা আওয়ামী লীগের সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় আমাদের বাড়ি বেদখল করার চেষ্টা করে আসছিলো শেষ পর্যন্ত গত ১৭ তারিখে সকালে আমাদের বাড়ি বেদখল করতে আসলে আমার মা বাধা দিলে আমার মায়ের উপর হামলা চালায়, আম্মা গুরুতর আহত হলে আশপাশের লোকজন মাকে উদ্ধার করে বিশ্বম্ভরপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করান, আম্মু তাদের বিরুদ্ধে বিশ্বম্ভরপুর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন।
এ বিষয়ে হযরত আলী মারামারির বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমরা কারও উপর হামলা করিনি এবং কারও বাড়ি বেদখল করতে যায়নি, তাছাড়া তারা যে বলেছেন আমি আওয়ামী লীগ করতাম, তা সম্পুর্ণ মিথ্যা, কেননা আমি ইসলামি আন্দোলনের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ সম্পৃক্ত আছি, আমি কখনও আওয়ামী লীগ করতাম না।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বিশ্বম্ভরপুরে আওয়ামী পন্থী হযরত আলী গংদের অত্যাচার অতিষ্ঠ এলাকাবাসী রেহায় পাইনি আমেনা খাতুনও

আপডেট সময় :

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ২নং পলাশ ইউনিয়নের নতুন গোলগাঁও গ্রামের বাসিন্দা আওয়ামী লীগের উগ্রবাদী কর্মি হযরত আলীর গংদের নিয়ে অসহায় আমেনার বাড়ি বেদখল করতে গেলে আমেনা খাতুন বাধা দিলে হযরত আলী গংরা দা-লাঠিসোটা দিয়ে আমেনার উপর হামলা করে এতে দা এর কুঁপে আমেনার মাথা কেটে গুরুতর আহত হয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে বিশ্বম্ভরপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এলাকা সূত্রে জানা যায়, হযরত আলী আওয়ামী লীগের দাপট দেখিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ আমেনা খাতুনের বাড়ি বেদখল করার চেষ্টা করে আসছিলো, কিন্তু হযরত আলী গংরা বারবার ব্যর্থ হলেও ক্যান্ত হননি, বর্তমানে আওয়ামী লীগ দেশে না থাকলেও হযরত আলী গংদের দাপট রয়েই গেছে, হযরত আলী গংরা গত ১৭/৭/২৫ ইং তারিখে সকালে আবারও আমেনা খাতুনের বাড়ি বেদখল করতে গেলে আমেনা খাতুন বাধা দিলেই এরকম ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে আমেনার ছেলে হক মিয়া জানান, হযরত আলীর গংরা আওয়ামী লীগের সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় আমাদের বাড়ি বেদখল করার চেষ্টা করে আসছিলো শেষ পর্যন্ত গত ১৭ তারিখে সকালে আমাদের বাড়ি বেদখল করতে আসলে আমার মা বাধা দিলে আমার মায়ের উপর হামলা চালায়, আম্মা গুরুতর আহত হলে আশপাশের লোকজন মাকে উদ্ধার করে বিশ্বম্ভরপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করান, আম্মু তাদের বিরুদ্ধে বিশ্বম্ভরপুর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন।
এ বিষয়ে হযরত আলী মারামারির বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমরা কারও উপর হামলা করিনি এবং কারও বাড়ি বেদখল করতে যায়নি, তাছাড়া তারা যে বলেছেন আমি আওয়ামী লীগ করতাম, তা সম্পুর্ণ মিথ্যা, কেননা আমি ইসলামি আন্দোলনের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ সম্পৃক্ত আছি, আমি কখনও আওয়ামী লীগ করতাম না।