ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বাগমারায় এলজিইডির কাজে নিম্নমানের অভিযোগ, তথ্য দিতে অনীহা প্রকৌশলীর Logo কক্সবাজারে মায়ের সঙ্গে কারাগারে ছয় বছরের শিশু Logo নেছারাবাদে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযান Logo গোপালগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান, মাদকসহ আটক ১ Logo ঘাটাইলে প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দূর্নীতির অভিযোগ Logo সুন্দরবন থেকে দেড় বছরে ৬১ দস্যুকে অস্ত্রসহ আটক করেছে কোস্টগার্ড Logo মনোনয়ন কিনতে গিয়ে লাঞ্ছিত প্রার্থীরা Logo পলিক্রস পেঁয়াজে কৃষকের নতুন স্বপ্ন, বদলাচ্ছে আয়ের হিসাব Logo ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দোষীদের গ্রেপ্তার দাবি Logo লাইসেন্স নেই, অধিক মূল্যে জ্বালানি বিক্রি করায় জরিমানা

মৌলভীবাজার গোরারাই গ্রামে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট

চিনু রঞ্জন তালুকদার, মৌলভীবাজার
  • আপডেট সময় : ১৭১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১নং খলিলপুর ইউনিয়নের গোরারাই গ্রামের আকামত আলীর বাড়িতে (শাহ বাহার আলী ভিলা) চুরি ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী জুবায়ের আহমেদ মৌলভীবাজার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শিপু কুমার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ সুত্রে প্রকাশ- গত ২৬ জুলাই রাত ১:৩০ মিনিটের দিকে বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়লে প্রায় আধা ঘন্টা সময় ধরে দরজা জানালায় আঘাত করতে থাকে এবং গেইট খুলে না দেওয়ায় বাড়ির কেচিগেইটের তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে সংঘবদ্ধ ভাবে হামলা করে। এবং কিল-ঘুষি মেরে আহত করে ঘরের মধ্যে হাঁত-পা বেধে রাখে। ঘটনাস্থলে থাকা মাহমুদা বেগম ও খুশবা বেগম জানান- সংঘবদ্ধভাবে ঘরে প্রবেশ করে আমার বোনের ছেলে জুবায়েরকে বেধে ফেলে এবং আমাদের উপর অত্যাচার করা শুরু করে। একপর্যায়ে আমাদের কাছে আলমিরার চাবি চাইলে আমরা দিতে নারাজ হওয়ায় তাদের ব্যবহার আরো খারাপ হয় এবং অত্যাচারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। আমাদের টানা-হেঁচড়া করে আলমিরা ভেঙে নগদ ২ লক্ষ টাকাসহ ৩ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যায় এবং ঘটনা যাতে বাহিরে না ছড়িয়ে পড়ে সেই মর্মে আমাদের প্রাণের হুমকি দিয়ে যায়। মামলার বাদী জুবায়ের আহমেদ জানান, গুড়ারাই গ্রামের কাওছার আলী (৪০) ও বাসুদেবশ্রী গ্রামের আজিজুল ইসলাম (৪৮)গং- অজ্ঞাতনামা ৩/৪জন-কে আসামী করে মৌলভীবাজার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে- ১নং খলিলপুর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান আবু মিয়া চৌধুরী জানান- মুঠোফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাওছার আলী সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন- গত ২৬ জুলাই রাতে পুলিশের উপস্থিতিতে আসামী ধরতে বাড়ীতে গিয়েছি। ওরা মামলার আসামী, বাড়ীতে ছিলো না। এই বাড়িটি আমাদের পূর্ব পুরুষের। শেরপুর পুলিশ ফঁাঁড়ির ইনচার্জ শিপু কুমার জানান- ঘটনা সত্য। থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত চলছে। তবে, তাদের-মামা-ভাংগনা-এর মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলমান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মৌলভীবাজার গোরারাই গ্রামে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট

আপডেট সময় :

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১নং খলিলপুর ইউনিয়নের গোরারাই গ্রামের আকামত আলীর বাড়িতে (শাহ বাহার আলী ভিলা) চুরি ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী জুবায়ের আহমেদ মৌলভীবাজার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শিপু কুমার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ সুত্রে প্রকাশ- গত ২৬ জুলাই রাত ১:৩০ মিনিটের দিকে বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়লে প্রায় আধা ঘন্টা সময় ধরে দরজা জানালায় আঘাত করতে থাকে এবং গেইট খুলে না দেওয়ায় বাড়ির কেচিগেইটের তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে সংঘবদ্ধ ভাবে হামলা করে। এবং কিল-ঘুষি মেরে আহত করে ঘরের মধ্যে হাঁত-পা বেধে রাখে। ঘটনাস্থলে থাকা মাহমুদা বেগম ও খুশবা বেগম জানান- সংঘবদ্ধভাবে ঘরে প্রবেশ করে আমার বোনের ছেলে জুবায়েরকে বেধে ফেলে এবং আমাদের উপর অত্যাচার করা শুরু করে। একপর্যায়ে আমাদের কাছে আলমিরার চাবি চাইলে আমরা দিতে নারাজ হওয়ায় তাদের ব্যবহার আরো খারাপ হয় এবং অত্যাচারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। আমাদের টানা-হেঁচড়া করে আলমিরা ভেঙে নগদ ২ লক্ষ টাকাসহ ৩ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যায় এবং ঘটনা যাতে বাহিরে না ছড়িয়ে পড়ে সেই মর্মে আমাদের প্রাণের হুমকি দিয়ে যায়। মামলার বাদী জুবায়ের আহমেদ জানান, গুড়ারাই গ্রামের কাওছার আলী (৪০) ও বাসুদেবশ্রী গ্রামের আজিজুল ইসলাম (৪৮)গং- অজ্ঞাতনামা ৩/৪জন-কে আসামী করে মৌলভীবাজার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে- ১নং খলিলপুর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান আবু মিয়া চৌধুরী জানান- মুঠোফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাওছার আলী সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন- গত ২৬ জুলাই রাতে পুলিশের উপস্থিতিতে আসামী ধরতে বাড়ীতে গিয়েছি। ওরা মামলার আসামী, বাড়ীতে ছিলো না। এই বাড়িটি আমাদের পূর্ব পুরুষের। শেরপুর পুলিশ ফঁাঁড়ির ইনচার্জ শিপু কুমার জানান- ঘটনা সত্য। থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত চলছে। তবে, তাদের-মামা-ভাংগনা-এর মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলমান।