কক্সবাজারে প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের দুইশ একর বনভূমি দখল
চড়া দামে প্লট বিক্রির মহোৎসব
- আপডেট সময় : ১০২ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগ জুড়ে চলছে বনজ সম্পদ হরিরলুটের মহোৎসব। খোদ বন বিভাগীয় কর্মকর্তার পরোক্ষ যোগসাজশে সরকারি বনজ সম্পদ লুটতরাজ চলছে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে। রক্ষক ভক্ষক হলে কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের আওতাধীন ধোয়াপালং রেঞ্জে ২’শ একর বনভূমি অবৈধ দখলে নিয়ে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট প্লট আকারে বিক্রি করলে ও রহস্য জনক কারণে নিরব বন প্রশাসনের কর্তৃপক্ষ।কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের অনিয়ম,দুর্নীতি নিয়ে দৈনিক গণমুক্তি সহ দেশের প্রথম শ্রেনীর কয়েকটি বাংলা ও ইংরেজি পত্রিকায় তথ্য বহুল কয়েকটি সংবাদ প্রকাশিত হলে ও বিভাগীয় কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসন একেবারে নির্বিকার রয়েছে। বরং কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের আওতাধীন রেঞ্জ ও বিট গুলোর দায়িত্বে নিয়োজিত রেঞ্জ অফিসার ও ফরেস্টাররা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এবার কক্সবাজার দক্ষিন বন বিভাগের ধোয়া পালং রেঞ্জে প্রায় ২’শ একর বনভূমি অবৈধ দখলে নিয়েছে ভূমিদস্যু সিন্ডিকেট। বনবিভাগের জায়গায় তারা গড়ে তুলেছে অবৈধ স্থাপনা, উত্তোলন করছে মাটি ও বালু।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, এ বিশাল জায়গা দখল করতে এক প্রভাবশালী সিন্ডিকেট আগেই বনাঞ্চলের গাছ উজাড় করে নিয়েছে। জবর দখলকৃত বনভূমি প্লট আকারে বিক্রি করছে বর্তমানে। বনের জায়গা দখল ও প্লট আকারে বিক্রিকারী সিন্ডিকেটের সঙ্গে স্থানীয় বনবিটের কতিপয় বনকর্মীর গোপন আঁতাত রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রামুর ধোয়া পালং কমিউনিটি ক্লিনিক ও আবদুল আজিজ মেম্বারের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়া রাস্তার ২ কিলোমিটার পশ্চিমে বনের জায়গা দখল ও প্লট বাণিজ্য চলছে। পশ্চিম ঘোনার পাড়ার সাইরেরক্লেলা মাঠ, জুমের ছরা, বসু হেডম্যানের নালা, নতুন রাস্তার মুখ এলাকায় বনের জায়গা বিভিন্ন নামে ভাগবাটোয়ারা ও বিক্রির মহোৎসব চলছে। অথচ উক্ত বাগানের (সামাজিক বনায়ন) গাছ ১ম পর্যায়ে বনবিভাগ ২০১৫-১৬ সালে নিলামে বিক্রি করে প্রায় ৩ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করেছিল। ২০১৬-১৭ ২য় আবর্তের বাগান সৃজন করা হলেও সামাজিক বনায়নের কয়েকজন উপকারভোগী সহ দখল ও প্লট আকারে বিক্রি বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েছে। এতে আরও শক্তি সঞ্চার করে সিন্ডিকেট সদস্যরা।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য একাধিক বার মুটো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে ও ফোন রিসিভ না করায় কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগীয় কর্মকর্তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।


















