হাফেজকে সংবর্ধনা দিয়ে হেলিকপ্টারে করে বাড়ীতে
- আপডেট সময় : ৭০ বার পড়া হয়েছে
মহান আল্লাহর বানী মানব জাতির জীবন বিধান পবিত্র কোরআনকে সম্মান জানিয়ে কোরআনে হাফেজ মোঃ জুনায়েদ চৌকিদারকে সংবর্ধনা দিয়ে হেলিকপ্টারে নিজ গৃহে নিলেন বাবা মা সহ পরিবারের সদস্যরা। হাফেজ মোঃ জুনায়েদ চৌকিদারকে ও তাকে পরিবহনে আসা হেলিকপ্টার দেখতে ভির জমায় স্থানীয় হাজারো মানুষ।
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নের নরকলিকাতা গ্রামের মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশন নুরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র মোঃ জুনায়েদ চৌকিদার। মাদ্রাসা ও মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশন এর আয়োজনে গত শুক্রবার দুপুর একটায় মজিদ জরিনা জামে মসজিদ জুম্মা নামাজের খুৎবার আগে ক্রেস্ট প্রদান করে এবং ফুলের মালা পড়িয়ে সংবর্ধনা প্রদান করেন, হুফ্ফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশন শরীয়তপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মোঃ আব্দুস সাত্তার ও মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ফরিদ আল হোসাইন, মাদ্রাসার মোহতামিম হাফেজ মাওলানা হোসাইন আহম্মেদ। এসময় কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার প্রাপ্ত জন ছাত্রকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানানো হয়।
পরে পবিত্র কোরআন এর প্রতি সম্মান জানিয়ে বক্তারা বলেন মহান আল্লাহর বানী পবিত্র কোরআন হচ্ছে বিশ্ব মানব জাতির জীবন বিধান। পবিত্র কোর আন ও বিশ্ব নবীর সুন্নাহকে জীবনে আঁকড়িয়ে ধরে রাখলে কেউ বিপদ গামী হবে না। তার স্তান মহান আল্লাহর দয়ায় জান্নাতে। বিশ্ব মানবের মাঝে সেই ব্যক্তি সর্বোত্তম যিনি কোরআন শিখে এবং কোরআন শিখায়। জান্নাতে কোরআনে হাফেজের বাড়ী হবে ৬ হাজার ৬শত৬৬ তালা।
এসময় হাফেজ জুনায়েদের বাবা হাজী মোঃ বাবুল হোসেন চৌকার, দাদা সুলতান চৌকিদার, নানা চান্দু চৌকিদারসহ মাদ্রাসার শিক্ষক ও স্থানীয় মুছল্লীগণ উপস্থিত ছিলেন।
পরে বাদ জুম্মা মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশন স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে জুনায়েদের মা হেলিকপ্টার নিয়ে এসে নামেন। পরে মাদ্রাসার শিক্ষক ছাত্ররা জুনাযেদকে বিদায় জানানো শেষে তার মা বাবা দাদা নানা জুনায়েদ কে হেলিকপ্টারটি উড্ডয়ন করে নড়িয়া উপজেলার বিহারী লাল সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামেন। এবং যথাযোগ্য মর্যাদা দিয়ে নিজ বাড়ীতে নেয়া হয় ।
জুনায়েদকে ঘিরে আজ সকাল থেকেই মাদ্রাসা ও এলাকায় উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করে।
হাফেজ জুনায়েদ দেশবাসীর কাছে দোয়া চান। তিনি যাতে বড় আলেম হতে পারে।
জুনায়েদের বাবা হাজী মোঃ বাবুল চৌকিদার বলেন, আমার সন্তান আল্লাহর বড় নিয়ামত। ামি নামাজ কালাম পড়ি। তাই আমার ছেলেকে কোর আনের হাফেজ বানাতে মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশন নুরানী হাফেজিয়া মাদ্রায় ভর্তি করি দেড় বছর আগে। মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমার ছেলে কোরআনে হাফেজ হয়েছে। আমি খুবই খুশি হয়েছি। তাই তাকে ভালবেসে পবিত্র কোরআনকে মর্যাদা দিয়ে হেলিকপ্টারে নিচ্ছি।
মাদ্রাসার মহেতামিম হাফেজ মাওলানা হোসাইন আহম্মেদ বলেন, আমাদের মাদ্রাসা থেকে এবছর ১২ জন হাফেজ হয়েছে। জুনায়েদ হাফেজ এবছর হাফেজ হয়েছে। তাকে তার বাবা মা দাদা নানা হেলিকপ্টার যোগে মাদ্রাসা থেকে বাড়ী নিলেন। এই বিষয়টি খুবই ভালো লেগেছে।কারন কোরআনের সম্মানেই তারা তাদের হাফেজ সন্তানকে সম্মান জানিয়েছে। এটা আমাদের জন্যও গর্ভের। জুনায়েদ সুমিষ্ট কন্ঠে কোরআন তেলোয়াত করে। আমি ওর জন্য সবসময় দোয়া করি মহান আল্লাহ যেন তাকে বড় মাপের আলেম হিসেবে কবুল করেন।


















