ঢাকা ১২:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬

গাইবান্ধার মোল্লারচরে ভূমিদস্যুরা জবরদখলে বেপরোয়া

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৮৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধা সদর উপজেলার মোল্লারচর ইউনিয়নের সিধাই মৌজায় ভূমিদস্যু বাহিনীর সদস্যরা নিরীহ মানুষের জমি জবরদখল করে ভূট্রার প্রজেক্টে কোটি টাকা বাণিজ্য করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের জোরজবরদস্তি দখলের অত্যাচারে চরাঞ্চলের জনগোষ্ঠীর মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়ছে। ভূমিদস্যু বাহিনীর সদস্যদের গ্রেফতারের দাবি করছে চরের নিরীহ কৃষকরা।
গত ১৩ নভেম্বর ওই সিধাই মৌজার বিআরএস রেকর্ডভূক্ত খতিয়ান নং ৬ ও ২৪ যার দাগনং ৭ ও ২ একটি ৭ একর ৬৬ শতক এবং অপরটি ৭০ শতক জমির মাশকলাই ক্ষেত নষ্ট করে আবুল বাহিনীর ভূমিদস্যুরা জবরদখল করতে গিয়ে তাতে জমির মালিক বাধানিষেধ করায় তাকে মারপিটে আহত করেছে বলে অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে। ঘটনায় জড়িত আবুল হোসেন,ছানোয়ার হোসেন ও শফিকুল ইসলামসহ ১২-১৪ জন সংঘবদ্ধ ভূমিদস্যু বাহিনীর সদস্য জবরদখলের অভিযোগে উল্লেখ করে থানায় একটি অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য মো: আফছার আলী দেওয়ানী।
অভিযোগ সূত্র বলছে, প্রতি বছর এই ভূট্রা মৌসুম শুরু হলেই মোল্লারচর ইউনিয়নের বারেক উদ্দিন সরকারের পুত্র মো: আবুল হোসেন ওরফে হাজী আবুল তার ভূমিদস্যু বাহিনীর সন্ত্রাসীদের নিয়ে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিগুলো জবরদখলসহ চাঁদাবাজিতে নেমে পড়ে। এই আবুল বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে চরাঞ্চলের নিরীহ কৃষকরা।
ভুক্তভোগী আফছার আলী দেওয়ানী বলেন, চরাঞ্চলের নিরীহ সাধারণ মানুষের জমি জবরদখল করে আসছে এই আবুল মাস্তান নামের ভূমিদস্যু নেতা। তার বিরুদ্ধে কয়েকটি থানায় ডাকাতিসহ ভূমিদস্যুতার মামলা এখন বিচারাধীন রয়েছে। প্রতি বছর আচমকাই চরে হাজির হয়ে জবরদখলের তান্ডব শুরু করে এবং জবরদখলকৃত জমি ভূট্রার প্রজেক্টে দিয়ে কোটি টাকা নিয়ে বছরের ৬ মাস আত্মগোপনে চলে যায়। আবার যখন মৌসুম শুরু হয় তখনি তার বাহিনী নিয়ে পছন্দ মতো ব্যক্তি জমি জবরদখলের বেআইনি কার্যকলাপ করে থাকে। এই ভূমিদস্যু বাহিনীর হাত থেকে নিরীহ মানুষের বেঁচে থাকার জন্য এখনি প্রশাসনকে পদক্ষেপ নিতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গাইবান্ধার মোল্লারচরে ভূমিদস্যুরা জবরদখলে বেপরোয়া

আপডেট সময় :

গাইবান্ধা সদর উপজেলার মোল্লারচর ইউনিয়নের সিধাই মৌজায় ভূমিদস্যু বাহিনীর সদস্যরা নিরীহ মানুষের জমি জবরদখল করে ভূট্রার প্রজেক্টে কোটি টাকা বাণিজ্য করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের জোরজবরদস্তি দখলের অত্যাচারে চরাঞ্চলের জনগোষ্ঠীর মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়ছে। ভূমিদস্যু বাহিনীর সদস্যদের গ্রেফতারের দাবি করছে চরের নিরীহ কৃষকরা।
গত ১৩ নভেম্বর ওই সিধাই মৌজার বিআরএস রেকর্ডভূক্ত খতিয়ান নং ৬ ও ২৪ যার দাগনং ৭ ও ২ একটি ৭ একর ৬৬ শতক এবং অপরটি ৭০ শতক জমির মাশকলাই ক্ষেত নষ্ট করে আবুল বাহিনীর ভূমিদস্যুরা জবরদখল করতে গিয়ে তাতে জমির মালিক বাধানিষেধ করায় তাকে মারপিটে আহত করেছে বলে অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে। ঘটনায় জড়িত আবুল হোসেন,ছানোয়ার হোসেন ও শফিকুল ইসলামসহ ১২-১৪ জন সংঘবদ্ধ ভূমিদস্যু বাহিনীর সদস্য জবরদখলের অভিযোগে উল্লেখ করে থানায় একটি অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য মো: আফছার আলী দেওয়ানী।
অভিযোগ সূত্র বলছে, প্রতি বছর এই ভূট্রা মৌসুম শুরু হলেই মোল্লারচর ইউনিয়নের বারেক উদ্দিন সরকারের পুত্র মো: আবুল হোসেন ওরফে হাজী আবুল তার ভূমিদস্যু বাহিনীর সন্ত্রাসীদের নিয়ে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিগুলো জবরদখলসহ চাঁদাবাজিতে নেমে পড়ে। এই আবুল বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে চরাঞ্চলের নিরীহ কৃষকরা।
ভুক্তভোগী আফছার আলী দেওয়ানী বলেন, চরাঞ্চলের নিরীহ সাধারণ মানুষের জমি জবরদখল করে আসছে এই আবুল মাস্তান নামের ভূমিদস্যু নেতা। তার বিরুদ্ধে কয়েকটি থানায় ডাকাতিসহ ভূমিদস্যুতার মামলা এখন বিচারাধীন রয়েছে। প্রতি বছর আচমকাই চরে হাজির হয়ে জবরদখলের তান্ডব শুরু করে এবং জবরদখলকৃত জমি ভূট্রার প্রজেক্টে দিয়ে কোটি টাকা নিয়ে বছরের ৬ মাস আত্মগোপনে চলে যায়। আবার যখন মৌসুম শুরু হয় তখনি তার বাহিনী নিয়ে পছন্দ মতো ব্যক্তি জমি জবরদখলের বেআইনি কার্যকলাপ করে থাকে। এই ভূমিদস্যু বাহিনীর হাত থেকে নিরীহ মানুষের বেঁচে থাকার জন্য এখনি প্রশাসনকে পদক্ষেপ নিতে হবে।