ঢাকা ১২:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬

সুনামগঞ্জ-৫ আসনে গণঅধিকার পরিষদের উঠান বৈঠক

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১৬০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক–দোয়ারাবাজার) আসনে শুরু হয়েছে ব্যাপক রাজনৈতিক তৎপরতা। সেই ধারাবাহিকতায় গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আলী আসগর গত শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় জনতার অংশগ্রহণে এক উঠান বৈঠক আয়োজন করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ বৈঠকটি তাঁর নির্বাচনী প্রচারণাকে নতুন গতি দিয়েছে।
সভায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, বিশাল জনসমাগম বৈঠকস্থলে দুপুর থেকেই জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন বয়সের নারী–পুরুষ, যুবক ও প্রবীণ ভোটাররা। অনেকেই মাঠ ও বাড়ির আঙিনা ভরিয়ে তুলেন। স্থানীয়দের প্রত্যাশা—এবার এমন একজন প্রতিনিধিকে নির্বাচন করতে চান, যিনি বাস্তবায়ন করবেন দীর্ঘদিনের উন্নয়ন বঞ্চনার অবসান।
“দীর্ঘ অবহেলা—এবার পরিবর্তন চাই”: মাওলানা আলী আসগর উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মাওলানা আলী আসগর বলেন, “ছাতক–দোয়ারাবাজার এলাকার মানুষ বছরের পর বছর ধরে অবহেলার শিকার। আধুনিক সড়ক নেই, স্বাস্থ্যসেবায় সংকট, শিক্ষায় পিছিয়ে পড়ছে সন্তানরা। আমি নির্বাচিত হলে জীবন-মান উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করব।”
তিনি আরও বলেন, “গণঅধিকার পরিষদ ক্ষমতার রাজনীতি নয়, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি—স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসনের ভিত্তিতে একটি সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন সুনামগঞ্জ গড়ে তুলব।”
ভোটারদের সমস্যার খাতা: সড়ক, স্বাস্থ্য, বন্যা ও ভাতার অনিয়ম বৈঠকে বক্তব্য দিতে উঠে আসেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা।
গ্রামীণ সড়কের ভয়াবহ বেহাল দশা, ইউনিয়ন পর্যায়ে চিকিৎসকের সংকট, বিদ্যালয়ের ভবনের জীর্ণতা, বন্যাকালে দ্রুত ত্রাণসহায়তার অভাব, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে অনিয়ম—এসব ইস্যু ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
একজন নারী ভোটার বলেন, “আমরা সুবিধাভোগীর তালিকা পাই না। যারা পাওয়া উচিত, তারা পায় না- এটা বন্ধ হওয়া দরকার।”
এক কৃষক যোগ করেন, “প্রতি বছর বন্যায় আমাদের ফসল ভেসে যায়। এই এলাকায় স্থায়ী বাঁধ খুব জরুরি।”
এ সব শোনার পর মাওলানা আলী আসগর আশ্বাস দেন—এসব সমস্যাকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানে উদ্যোগ নেবেন।
ডাক প্রতীকে সমর্থন চান প্রার্থী বৈঠক শেষে মাওলানা আলী আসগর এলাকাবাসীর সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে ডাক প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।তিনি বলেন, “আপনাদের একক ভোট পরিবর্তনের শক্তি তৈরি করতে পারে। ছাতক–দোয়ারাবাজারে নতুন রাজনীতির সূচনা করতে আমাকে সুযোগ দিন।”
রাজনৈতিক মহলে আলোচনা বাড়ছে স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, তরুণ ভোটারদের মধ্যে মাওলানা আলী আসগরের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে, যা নির্বাচনের মাঠে তিনি একটি উল্লেখযোগ্য অবস্থানে রয়েছেন—এরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সুনামগঞ্জ-৫ আসনে গণঅধিকার পরিষদের উঠান বৈঠক

আপডেট সময় :

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক–দোয়ারাবাজার) আসনে শুরু হয়েছে ব্যাপক রাজনৈতিক তৎপরতা। সেই ধারাবাহিকতায় গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আলী আসগর গত শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় জনতার অংশগ্রহণে এক উঠান বৈঠক আয়োজন করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ বৈঠকটি তাঁর নির্বাচনী প্রচারণাকে নতুন গতি দিয়েছে।
সভায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, বিশাল জনসমাগম বৈঠকস্থলে দুপুর থেকেই জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন বয়সের নারী–পুরুষ, যুবক ও প্রবীণ ভোটাররা। অনেকেই মাঠ ও বাড়ির আঙিনা ভরিয়ে তুলেন। স্থানীয়দের প্রত্যাশা—এবার এমন একজন প্রতিনিধিকে নির্বাচন করতে চান, যিনি বাস্তবায়ন করবেন দীর্ঘদিনের উন্নয়ন বঞ্চনার অবসান।
“দীর্ঘ অবহেলা—এবার পরিবর্তন চাই”: মাওলানা আলী আসগর উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মাওলানা আলী আসগর বলেন, “ছাতক–দোয়ারাবাজার এলাকার মানুষ বছরের পর বছর ধরে অবহেলার শিকার। আধুনিক সড়ক নেই, স্বাস্থ্যসেবায় সংকট, শিক্ষায় পিছিয়ে পড়ছে সন্তানরা। আমি নির্বাচিত হলে জীবন-মান উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করব।”
তিনি আরও বলেন, “গণঅধিকার পরিষদ ক্ষমতার রাজনীতি নয়, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি—স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসনের ভিত্তিতে একটি সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন সুনামগঞ্জ গড়ে তুলব।”
ভোটারদের সমস্যার খাতা: সড়ক, স্বাস্থ্য, বন্যা ও ভাতার অনিয়ম বৈঠকে বক্তব্য দিতে উঠে আসেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা।
গ্রামীণ সড়কের ভয়াবহ বেহাল দশা, ইউনিয়ন পর্যায়ে চিকিৎসকের সংকট, বিদ্যালয়ের ভবনের জীর্ণতা, বন্যাকালে দ্রুত ত্রাণসহায়তার অভাব, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে অনিয়ম—এসব ইস্যু ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
একজন নারী ভোটার বলেন, “আমরা সুবিধাভোগীর তালিকা পাই না। যারা পাওয়া উচিত, তারা পায় না- এটা বন্ধ হওয়া দরকার।”
এক কৃষক যোগ করেন, “প্রতি বছর বন্যায় আমাদের ফসল ভেসে যায়। এই এলাকায় স্থায়ী বাঁধ খুব জরুরি।”
এ সব শোনার পর মাওলানা আলী আসগর আশ্বাস দেন—এসব সমস্যাকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানে উদ্যোগ নেবেন।
ডাক প্রতীকে সমর্থন চান প্রার্থী বৈঠক শেষে মাওলানা আলী আসগর এলাকাবাসীর সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে ডাক প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।তিনি বলেন, “আপনাদের একক ভোট পরিবর্তনের শক্তি তৈরি করতে পারে। ছাতক–দোয়ারাবাজারে নতুন রাজনীতির সূচনা করতে আমাকে সুযোগ দিন।”
রাজনৈতিক মহলে আলোচনা বাড়ছে স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, তরুণ ভোটারদের মধ্যে মাওলানা আলী আসগরের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে, যা নির্বাচনের মাঠে তিনি একটি উল্লেখযোগ্য অবস্থানে রয়েছেন—এরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।