নোয়াখালীতে ব্যবসায়ীকে হত্যা, গ্রেপ্তার ১
- আপডেট সময় : ৯৯ বার পড়া হয়েছে
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে সুদের টাকা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ব্যবসায়ী আব্দুর রহিমকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় এজাহারনামীয় এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি মো. ইসমাইল হোসেন ওরফে দিদার (৪০), উপজেলার নারায়ণভট্র গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির মৃত মুখলেছুর রহমানের ছেলে।
গত রোববার সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুন্ডু। এর আগে দুপুর পৌনে ২টার দিকে সোনাপুর ইউনিয়নের নয়াহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে দিদারকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নিহত আব্দুর রহিম (৫৭) লক্ষীপুর সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের মতলবপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সোনাইমুড়ীর আমিশাপাড়া বাজারে ‘মিথিলা বেকারি’র মালিক হিসেবে দীর্ঘদিন ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।
র্যাব জানায়, প্রায় ১০-১২ বছর ধরে বেকারি ব্যবসার পাশাপাশি আব্দুর রহিমের সাথে মামলার ১নং আসামির টাকা-পয়সার লেনদেন নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত বুধবার (২৭ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ১নং আসামি ও তার সহযোগীরা বেকারি থেকে রহিমকে বের করে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে আরও মারধর শেষে নুর মোহাম্মদ বেডিং স্টোর নামে একটি তুলা দোকানে আটকে রেখে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিতে তাকে বাধ্য করা হয়।
গুরুতর অবস্থায় রহিম দীঘিরজান মসজিদের কাছে অচেতন হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে। পরে চাটখিল সেন্ট্রাল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে তিনি মারা যান।
ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী ১২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১০-১৫ জনকে আসামি করে সোনাইমুড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাব-১১ এর কোম্পানি কমান্ডার মিঠুন কুমার কুন্ডু জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে মামলার ৮নং এজাহারনামীয় আসামি দিদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামি হত্যাকাÐে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে। তাকে সোনাইমুড়ী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।













